খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ, মানবতাবাদী দর্শনে আজও প্রাসঙ্গিক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ, মানবতাবাদী দর্শনে আজও প্রাসঙ্গিক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতপাত, ধর্ম ও বর্ণের বিভেদ পেরিয়ে মানুষকে বড় করে দেখার যে দর্শন, তা গানে গানে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন বাউলসম্রাট ফকির লালন সাঁই। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই তাঁর গানে উঠে এসেছে জীবন, আত্মোপলব্ধি ও মানবতার গভীর দর্শন। সেই মরমি সাধকের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার বাউলসংগীত ও সাধনধারার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন লালন সাঁই। তাঁর গানে ধর্মীয় পরিচয়, জাতপাত ও সামাজিক বিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে জানার আহ্বান রয়েছে। ‘সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে’ এবং ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’—এমন গান আজও শ্রোতাদের ভাবায়, জাগিয়ে তোলে আত্মঅনুসন্ধানের আকাঙ্ক্ষা।

লালনের দর্শনের কেন্দ্রে ছিল ‘মনের মানুষ’কে খুঁজে পাওয়ার সাধনা। মানুষের মধ্যেই পরম সত্তার সন্ধান এবং মানবপ্রেমের মধ্য দিয়ে আত্মিক উপলব্ধি অর্জনের ভাবনা তাঁর গানে বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণেই তাঁর গান শুধু সংগীত হিসেবে নয়, জীবনদর্শনের অনন্য প্রকাশ হিসেবেও বিবেচিত।

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শনে লালনের প্রভাব

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও চিন্তাজগতে বাংলার বাউলসংগীতের প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য। জমিদারি দেখাশোনার কাজে শিলাইদহে অবস্থানকালে তিনি বাংলার বাউলদের গান ও দর্শনের সঙ্গে পরিচিত হন। বাউলদের সহজ-সরল ভাষায় প্রকাশিত গভীর আধ্যাত্মিকতা ও মানবতাবাদী চিন্তা তাঁকে আকৃষ্ট করেছিল।

রবীন্দ্রনাথ লালনের গান সংগ্রহ ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর উদ্যোগে লালনের বেশ কিছু গান সংকলিত হয় এবং কলকাতার মাসিক ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। গবেষকদের মতে, লালনের গান শিক্ষিত সমাজের কাছে পরিচিত করে তোলার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের এ উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিনিকেতনেও বাউলসংগীতের চর্চা ও প্রচারে তিনি ভূমিকা রাখেন।

বাউলদের ‘মনের মানুষ’ ধারণা রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী চিন্তার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। মানুষের অন্তর্জগৎ, আত্মিক মুক্তি ও মানবপ্রেমের মতো বিষয় তাঁর বিভিন্ন সাহিত্যকর্মে প্রতিফলিত হয়েছে। লালন ও বাংলার বাউলধারার প্রভাব রবীন্দ্রনাথের ভাবজগৎকে সমৃদ্ধ করেছে বলে মনে করেন গবেষকেরা।

সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে লালনের দর্শন

লালন সাঁইয়ের গানের বড় শক্তি হলো, তিনি জটিল জীবনদর্শনকে সহজ ভাষা ও সুরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর গান মানুষকে নিজের পরিচয়, বিশ্বাস, সমাজের বিভাজন এবং জীবনের অর্থ নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখায়।

বর্তমান সময়েও ধর্মীয় সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আলোচনায় লালনের দর্শন প্রাসঙ্গিক। তাঁর গান মনে করিয়ে দেয়, মানুষের প্রকৃত পরিচয় কোনো বাহ্যিক বিভাজনে নয়; বরং মানবিকতা, ভালোবাসা ও আত্মোপলব্ধির মধ্যেই নিহিত।

মরমি সাধক লালন সাঁইয়ের জীবন ও দর্শন তাই শুধু বাংলার লোকসংস্কৃতির সম্পদ নয়, মানবতার এক অনন্য উত্তরাধিকার।

তথ্যসূত্র: আবুল আহসান চৌধুরীর ‘রবীন্দ্রনাথ ও লালন’, উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের ‘বাংলার বাউল ও বাউল গান’ এবং লালনের গান নিয়ে প্রকাশিত গবেষণাকর্ম।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।