খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০ কার্তিক, ১৪৩৩

আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দুই প্রাথমিক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দুই প্রাথমিক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও চলমান রয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই শিক্ষক হলেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার। তারা বেগমগঞ্জ উপজেলার মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি অনুযায়ী তারা খোরপোশ ভাতা পাবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে তদন্ত শুরু করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। পরে তাদের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে অন্য দুটি বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে এবিএম সাইফুল ইসলামকে বালুচরা সমাজ কল্যাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তবে কাগজপত্রে তাদের কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে অবস্থান করার সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং এতে প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর পর প্যানেল চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর পর প্যানেল চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. খাদিজা বেগমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি আপত্তিকর ভিডিও এবং ইউপি সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় জেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, গত ১০ জুন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নাপূর্ণা দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক আদেশে খাদিজা বেগমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম সচল রাখতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ফিরোজ কবিরকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান খাদিজা বেগম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পরিষদের একাধিক সদস্যের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে ইউপি সদস্যরা তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ, স্বেচ্ছাচারিতা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

এরই মধ্যে কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খাদিজা বেগমের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটির পাশাপাশি কয়েকটি স্ক্রিনশটও ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একজন জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে এমন অভিযোগ সামনে আসায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ঘটনায় ফরিদপুরে বিএনপি নেতা বহিষ্কার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ঘটনায় ফরিদপুরে বিএনপি নেতা বহিষ্কার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নৈতিক স্খলনের অভিযোগে তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক পদ বাতিল করেছে জেলা বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. ওবায়দুর রহমানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে ওবায়দুর রহমানের প্রায় ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ওবায়দুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে জেলা বিএনপির সভায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব, অধ্যক্ষের অডিও ভাইরাল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব, অধ্যক্ষের অডিও ভাইরাল

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুরের পীরগাছা বহুভাষী সাটলিপি প্রশিক্ষণ একাডেমির (বিএম কলেজ) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মুঠোফোনে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত প্রায় ৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, ব্যবহারিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর দেওয়া ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দিচ্ছেন অভিযুক্ত শিক্ষক। তবে কথোপকথনের একপর্যায়ে ওই ছাত্রী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং শিক্ষককে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গত বুধবার (২৯ জুলাই) কলেজের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অভিযুক্ত অধ্যক্ষের অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

খবর পেয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, ‘বাবা-মায়ের পরই শিক্ষকের স্থান। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি শিক্ষকতার মর্যাদা হারিয়েছেন। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদেরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম