খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাসহ তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাসহ তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাকে নিয়ে তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন লিজা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূ। গত ১ নভেম্বর সকাল থেকে মা ও মেয়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে সখীপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। লিজা উপজেলার কালিয়ানপাড়া গ্রামের আল-আমিনের স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার সময় লিজা স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে গেছেন। লিখিত অভিযোগে লিজার শাশুড়ি সাজেদা আক্তার উল্লেখ করেন, ৩১ অক্টোবর রাতে পরিবারের সবাই খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে নাতনিকে নিতে ঘরের সামনে গিয়ে দেখেন, ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। পরে ঘরে লিজা ও তার শিশুকন্যাকে পাওয়া যায়নি।

লিজার স্বামী আল-আমিন বলেন, তিনি পেশায় গাড়িচালক। গাড়ি চালানোর কারণে বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। ঘটনার দিন রাতেও তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরে পেতে চান তিনি।

অন্যদিকে লিজার বাবা লেবু মিয়া অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করতেন। নিখোঁজ হওয়ার আগের দিনও তার স্বামী তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। লেবু মিয়া বলেন, তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মেয়ে ও নাতনির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম বলেন, গৃহবধূ ও তার শিশুসন্তান নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 

খুলনার পাইকগাছা পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে দাতা সংস্থা ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নবলোক পরিষদের সহযোগিতায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ক্যাম্পেইন উপলক্ষে টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নবপল্লীসহ পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পাইকগাছা সরকারি কলেজের পশ্চিম পাশে এবং শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য এলাকাবাসীকে সচেতন করা হয়।

ক্যাম্পেইন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক প্যানেল মেয়র এসএম ইমদাদুল হক, পৌরসভা জামায়াতের আমির ডা. জিএম আসাদুল হক, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের প্রতিনিধি সুমন সাহা ও নিপু খানম, প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, সেলিনা পারভীন, অ্যাডভোকেট মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, তুষার কান্তি মণ্ডল, সেলিম রেজা লাকি, ইলিয়াস হোসেন, এম আব্দুস সামাদ, মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান, আলহাজ্ব মুরশাফুল আলম, মাওলানা আব্দুল কাদীর, গাজী আব্দুস সামাদ, শফিকুল ইসলাম, নবলোক পরিষদের ওমর ফারুক জুয়েল, বিএম নাহিদ হাসান, কাজী ফারহানা আফরোজ ও মুক্তা বিশ্বাস।

পৌরসভার প্রধান সহকারী জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ। তাই পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিলোমিটার যানজট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিলোমিটার যানজট

ছবি: কালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে কালিয়াকৈরের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা।

সকাল থেকে কোনাবাড়ী, মৌচাক, সফিপুর ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালে পল্লী বিদ্যুৎ ও মৌচাক এলাকায় অর্ধশতাধিক যানবাহনের কাচ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভাঙচুর করা হয়। এ সময় দু-একটি দোকানেও হামলার ঘটনা ঘটে। তবে সেগুলোর তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। এ দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন তারা। নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর ঘোষণা না আসায় সোমবার সকাল থেকে আবারও মহাসড়কে নামেন শ্রমিকরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা মাঠে নামলে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থান ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় অনেক বিক্ষোভকারী ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। তবে থেমে থেমে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা আবারও সড়কে অবস্থান নিচ্ছেন।

এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে রয়েছেন। গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন। তারা বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে কাজ করছেন।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকাল থেকেই শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশ একদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে অন্যদিকে শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন। সকালের দিকে পরিস্থিতি অনেক বেশি উত্তপ্ত ছিল এবং মহাসড়কে শ্রমিকদের উপস্থিতিও ছিল বেশি। বর্তমানে তাদের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সহকারী পুলিশ সুপার আহত; কাভার্ডভ্যানে আগুন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সহকারী পুলিশ সুপার আহত; কাভার্ডভ্যানে আগুন

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শিল্পাঞ্চল। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিল্প পুলিশের এক সহকারী পুলিশ সুপার আহত হয়েছেন। একই সময়ে নরসিংহপুরে হা-মীম গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় শ্রমিকদের এ বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এতে শিল্প পুলিশ-১-এর সহকারী পুলিশ সুপার শোয়েব আহমেদ আহত হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা স্বাভাবিক নিয়মে কাজে যোগ দেন। তবে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার নিউএজ নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ভেতরে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারখানা থেকে বেরিয়ে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আশপাশের অন্যান্য কারখানার সামনেও গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অনন্ত, টাউজার লাইন, হনরোল, আল-মুসলিম, শারমিন গ্রুপ, ডেকো গ্রুপ ও বেঙ্গল গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

পরে শ্রমিকরা হা-মীম গ্রুপের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশও টিয়ার শেল ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

এর মধ্যে বেলা সোয়া ১১টার দিকে নরসিংহপুর নদী ফিলিং স্টেশনের সামনে হা-মীম গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম