খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

ভোলায় পাচারের সময় ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোলায় পাচারের সময় ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভোলার সদর উপজেলা থেকে নদীপথে পাচারের সময় ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় কৃষকদের জন্য বরাদ্দ ভর্তুকির সার বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে জেলার বাইরে পাচার করা হচ্ছিল। পরে উপজেলা প্রশাসন সারগুলো উদ্ধার করে একটি গোডাউনে রেখে সিলগালা করেছে।

এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে দায়ী করেছে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাকারমাথা এলাকার দারোগার খাল থেকে সারগুলো আটক করা হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সেগুলো একটি গোডাউনে রেখে সিলগালা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে একটি নসিমনে করে সার এনে দারোগার খালে আগে থেকে নোঙর করা একটি ট্রলারে বোঝাই করা হচ্ছিল। গোপন খবর পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সেখানে গিয়ে সারের কাগজপত্র দেখতে চান। ট্রলারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা সারগুলো আটক করেন। জব্দ করা সারের মধ্যে ১৮০ বস্তা ডিএপি ও ১১০ বস্তা টিএসপি রয়েছে।

ট্রলারের লোকজনের দাবি, ভোলার এক স্থানীয় সার ডিলারের কাছ থেকে এসব সার কিনে চরাঞ্চলের কৃষকদের কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। তবে কৃষকদের অভিযোগ, অসাধু ডিলাররা সরকার নির্ধারিত দামে স্থানীয় কৃষকদের কাছে সার বিক্রি না করে অতিরিক্ত লাভের আশায় জেলার বাইরে পাচার করছিলেন।

বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি শাহাবুদ্দীন ফরাজি বলেন, ভোলায় বাস্তবে সারের সংকট নেই। অথচ স্থানীয় কৃষকেরা সরকারি ভর্তুকির সার পাচ্ছেন না। সদর উপজেলায় সার নিয়ে নৈরাজ্যের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান সরাসরি জড়িত।

তিনি অভিযোগ করেন, কোনো কৃষকের ৫০ বস্তা সার প্রয়োজন হলেও সরকারি ভর্তুকির সার উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয় মাত্র ১০ বস্তার। বাকি ৪০ বস্তা তাঁকে ডিলারের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে কিনতে হয়। এ অতিরিক্ত অর্থের ভাগ কৃষি কর্মকর্তাও পান বলে দাবি করেন তিনি।

শাহাবুদ্দীন ফরাজি আরও বলেন, অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সার কেনা কৃষকদের ভালো মানের ভর্তুকির সার দেওয়া হয়। অন্যথায় তাঁদের নষ্ট সার দেওয়া হয়। কৃষি কর্মকর্তার যোগসাজশ ছাড়া ২৯০ বস্তা সার এভাবে আনা সম্ভব নয়। সার নিয়ে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) মো. কামরুল হাসান। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সারগুলো ভোলা সদর উপজেলা ও বরিশালের আলিমাবাদ ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য নেওয়া হচ্ছিল। বিভিন্ন চরে তরমুজ, ক্যাপসিকাম, চিচিঙ্গা ও শসা চাষের জন্য কৃষকেরা সারগুলো কিনেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। কোনো কৃষক বা ডিলার অবৈধভাবে কাগজপত্র তৈরি করে সার উত্তোলন করেছেন কি না, তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাস বলেন, আটকের পর সারগুলোর বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। পরে সার উদ্ধার করে স্থানীয় একটি গোডাউনে রেখে সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


বাউবি ও IIUM-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউবি ও IIUM-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

ছবি বাউবি

যোগফল প্রতিবেদন ।। অনলাইন

 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া (IIUM)-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা আজ ৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বাউবির মাননীয় উপাচার্যের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যার বিবেচনায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্মুক্ত, দূরশিক্ষণ ও নমনীয় পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানে দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ৬৩টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র ও প্রায় ১,৫০০টি স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে বাউবি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে।

 

সাতটি স্কুলের অধীনে বহুমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গবেষণা, পিএইচডি প্রোগ্রাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাজ করছে। তিনি IIUM-এর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক বিনিময় এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে একটি ফলপ্রসূ, টেকসই ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক একাডেমিক সম্পর্ক গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন”।

 

সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন IIUM এর ডেপুটি রেক্টর (গবেষণা, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আসলাম বিন মোহাম্মদ হানিফ, IIUM অফিস অব দ্য স্ট্র্যাটেজিক ইনস্টিটিউশন ট্রান্সফরমেশন এর প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর প্রফেসর ড. শুকরান বিন আবদ রহমান এবং IIUM অফিস অব দ্য ডেপুটি রেক্টর এর স্পেশাল অফিসার ও সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, উপাচার্যের একান্ত সচিব ও প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনা সভায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সাধনে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।


আইসিএপিপির অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত বিএনপি নেতা ইসমাইল জবিউল্লাহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইসিএপিপির অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত বিএনপি নেতা ইসমাইল জবিউল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) ১৩তম সাধারণ অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের দ্য শিলা সিউল হোটেলে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। দেশটির ক্ষমতাসীন মিনজু (ডেমোক্রেটিক) পার্টি ও বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টি যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সম্মেলনে বিএনপির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। উদ্বোধনের পর প্রথম প্ল্যানারি অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত ও আস্থার সংকট মোকাবিলায় গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে আস্থা পুনর্গঠন’ প্রতিপাদ্যকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারস্পরিক আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনি প্রক্রিয়া নয়, বরং জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রক্ষমতায় দায়িত্ব পালনকারীদের একটি সামাজিক চুক্তি। এর ভিত্তি হতে হবে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা।

ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক বিপর্যয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ভূরাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে মানবজীবনের মর্যাদাকে স্থান দিতে হবে। আন্তর্জাতিক নীতি ও আদর্শ কোনো বৈষম্য ছাড়াই সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

আন্তমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে বিভিন্ন মহাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ইউরোপের অস্থিরতা থেকে এশিয়া বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না, একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাব থেকেও ইউরোপ মুক্ত থাকতে পারে না। বিএনপি এ ধরনের সংলাপে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আগ্রহী।

অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের এমনভাবে অন্য দেশের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা উচিত নয়, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হয়। এ সময় আন্তসীমান্ত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধে আইসিএপিপির কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, বিশ্বের ভবিষ্যৎ কেবল জবরদস্তি কিংবা সম্পদের ওপর নির্ভর করবে না; আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে কতটা সক্ষম, তার ওপরও নির্ভর করবে।

বাংলাদেশ ও বিএনপির পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আস্থা পুনর্গঠনকে শুধু রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে নয়, বরং অভিন্ন ভবিষ্যতের প্রতি স্থায়ী অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের পাঁচটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির প্রতিনিধিদলে ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাড়াও রয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী ও সালাহউদ্দিন আইয়ুবী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মনিরা শারমিন ও মো. আলাউদ্দিন।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মো. মমতাজ উদ্দিন ও মো. আলাহান উদ্দিন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন কেএম বিল্লাল ও মো. রাজন সিকদার।

এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ জোরদার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে অভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে আয়োজিত এ সম্মেলন চলবে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। সম্মেলন-পরবর্তী ৭ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্টপলিস্টে নাম, যুবলীগ নেতা আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্টপলিস্টে নাম, যুবলীগ নেতা আটক

ছবি: কালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনে স্টপলিস্টে নাম থাকায় হিমাংশু পাল নামে এক যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

আটক হিমাংশু পাল বাগেরহাটের স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি হাড়িখালী এলাকার বাসিন্দা অমলেন্দু পালের ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হিমাংশু পালের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে।

বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন জানান, তাকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের হেফাজতে সাময়িকভাবে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। পরে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ তিতুমির বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক যুবলীগ নেতাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাগেরহাট সদর থানায় তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা থাকায় তাকে ওই থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তি বর্তমানে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম