খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের জোর গুঞ্জন, নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের জোর গুঞ্জন, নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে সূত্রটি জানায়, নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়ে সরকার ও সরকারি দল বিএনপির উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সূত্রের দাবি, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কিছুটা সময় লাগলে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলেও ওই সূত্র উল্লেখ করেছে।

এদিকে বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ইতোমধ্যে নিজের অধস্তন কর্মকর্তাদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। জানা গেছে, তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন।

তবে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সরকার বা বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাহাবুদ্দিনের দায়িত্ব পালন

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সংবিধান অনুযায়ী, তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন আসে। সে সময় সংসদ বিলুপ্তি, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

পদত্যাগের ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জানিয়েছিলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে চান। পরে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকার চাইলে দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।

সংবিধান কী বলছে?

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া ১২৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে গণঅভ্যুত্থান এবং জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটবে। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো নিজেদের মনোনীত একজনকে রাষ্ট্রপতি করার সুযোগ পাবে ক্ষমতাসীন বিএনপি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শেখ হাসিনার আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের অবস্থান দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে ফিরুন বা তাকে ফিরিয়ে আনা হোক—সরকার প্রত্যর্পণের দাবি থেকে সরে আসবে না।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক আসামি এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিজে দেশে আসুন কিংবা সরকার তাকে ফিরিয়ে আনুক, প্রত্যর্পণের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে। এ বিষয়ে কোনো কৌশল বা ভিন্ন উদ্দেশ্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন এবং ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য বিরক্তিকর ও সংবেদনশীল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত চাইলে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য ও গণমাধ্যমে উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, সেটি ভারতের বোঝা উচিত। দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দেশটিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার কথা জানা গেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঘারপাড়ায় সাক্ষরতা দিবসে দক্ষতা উন্নয়নের তাগিদ

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষতা উন্নয়ন করি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভূপালী সরকার। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু পড়তে ও লিখতে পারার মধ্যে সাক্ষরতার লক্ষ্য সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিরক্ষরমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা, সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোরা ফাতেহির মন্তব্যে এভিয়েশন কোম্পানির ব্যবসায় ধসের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোরা ফাতেহির মন্তব্যে এভিয়েশন কোম্পানির ব্যবসায় ধসের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

মরোক্কান-কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে একটি এভিয়েশন কোম্পানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোম্পানিটির চার্টার্ড উড়োজাহাজকে ‘খেলনা বিমান’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্তব্য করায় তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মামলাটির শুনানি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুম্বাই থেকে জয়পুর যাওয়ার সময় একটি উড়োজাহাজের ভেতরে ভিডিও ধারণ করেন নোরা ফাতেহি। পরে ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে উড়োজাহাজটিকে ‘খেলনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে এভিয়েশন কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির দাবি, নোরা ফাতেহির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৪ কোটি ৬০ লাখের বেশি অনুসারী থাকায় তার মন্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাবে উড়োজাহাজটির বুকিং বাতিল হতে শুরু করে এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, ভিডিওটি প্রকাশের পর কোম্পানিটির বুকিং ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে গেছে।

এভিয়েশন কোম্পানিটি নোরা ফাতেহির কাছে ৩ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উড়োজাহাজটি নিয়ে করা তার মন্তব্য, পোস্ট ও অন্যান্য কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার জন্য আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা বা স্পষ্টীকরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ারও আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন এবং নোরা ফাতেহির বক্তব্য বা মামলার বিষয়ে তার পক্ষের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম