খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯ কার্তিক, ১৪৩৩

গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল সিকৃবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল সিকৃবি

গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোসিস্টেম থিংকিং অ্যান্ড রিসোর্স ডাইনামিকস (ইটিআরডি) ল্যাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উপকূলীয় ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে প্রাকৃতিক মূলধনের মূল্যায়ন’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টেশন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১-এর ৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তারা ১৯টি গবেষণা প্রস্তাবনা দুইটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পোস্টার আকারে উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে পোস্টার প্রেজেন্টেশন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা নিয়মিত আয়োজন করা হয় না। কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ উদ্যোগ সফল হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহ বাড়াবে এবং মানসম্মত গবেষণা প্রকাশে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পোস্টারগুলোর মূল্যায়ন করেন কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা শামসুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক অনুরাধা তালুকদার এবং সহকারী অধ্যাপক মাফিয়া আক্তার।

প্রধান বিচারক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা শামসুজ্জামান বলেন, প্রথম বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। এ ধরনের আয়োজন গবেষণার মৌলিক ধারণা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন গবেষণায় অংশগ্রহণের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

আয়োজক ও সঞ্চালক অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) অনুযায়ী একজন স্নাতকের ২১ ধরনের দক্ষতা অর্জনের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তার ঘাটতি দেখা যায়। এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা দক্ষতা, যোগাযোগ সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা বিকাশে উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গবেষণার সূচনা, সারসংক্ষেপ, উদ্দেশ্য, ফলাফল ও আলোচনা—একটি গবেষণার মৌলিক কাঠামো সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। একই আয়োজনে ১৯টি গবেষণা পোস্টার উপস্থাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহৎ গবেষণাভিত্তিক শিক্ষামূলক উদ্যোগ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে দুই ক্যাটাগরিতে উপস্থাপিত ১৯টি পোস্টারের মধ্য থেকে সেরা ছয়টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. পার্থ প্রতিম বর্মন, ফিশ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব ইকবাল, অ্যাগ্রিকালচারাল ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শাহ আলমগীর, ক্রপ বোটানি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, এন্টোমোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফুয়াদ মণ্ডলসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

রোববার (২৫ অক্টোবর) জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলার বিভিন্ন থানায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ জনকে আটক করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, সুধারাম মডেল থানায় সাতজন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় আটজন, কবিরহাট থানায় চারজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটজন, সোনাইমুড়ী থানায় একজন, চাটখিল থানায় চারজন এবং চরজব্বর থানায় পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হাতিয়া থানায় আটক নয়জনের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে জনসচেতনতামূলক এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য, যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য, যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের ছবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. আবু বকর সিদ্দিক (২২) নামের এক যুবকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুনানিতে ওই যুবক দাবি করেছেন, তিনি মজা করে মন্তব্যটি করেছিলেন এবং তার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের উপপরিদর্শক মো. ইয়াছিন পাইক সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সামছুদ্দোহান সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

শুনানির একপর্যায়ে বিচারক আসামির বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমেন্টটি মজা করে করছি। কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। ভুল হয়ে গেছে।’

পরে আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুনানি শেষে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আসামি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর বাসের ছবি নিয়ে করা মন্তব্যটি নিছক মন্তব্য ছিল না বলে মনে করছে রাষ্ট্রপক্ষ। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে যেসব তথ্য

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং এজাহারে উল্লেখ করা অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করেছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে করা মন্তব্যের পেছনে কোনো সুসংগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, স্নাইপার বা অস্ত্র সরবরাহকারী চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চায় পুলিশ।

এ ছাড়া আসামির সঙ্গে কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বা সংঘবদ্ধ চক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, ঘটনার নেপথ্যে কোনো পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড আছে কি না এবং জব্দ করা মোবাইল ফোনের বাইরে অন্য কোনো ডিজিটাল আলামত রয়েছে কি না, তা তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ২৩ অক্টোবর আবু বকর সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

যে মন্তব্য ঘিরে মামলা

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর ফেসবুকের ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি গ্রুপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী একটি বাসের তিনটি ছবি পোস্ট করা হয়। পোস্টের ক্যাপশনে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লাল-সবুজ রঙের বুলেটপ্রুফ বাসের পরিবর্তে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বাস ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে লেখা হয়, ‘ইস একটা বড় সুযোগ ছিলো, শুধু একটা স্নাইপার এর অভাব ছিলো।’

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আইডিটির ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করে রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার ঘোলহাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বাবা মো. আয়নাল হককেও আটক করা হয়েছিল। তবে প্রাথমিক তদন্তে তার বাবার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর আবু বকর সিদ্দিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। রিমান্ড আবেদনে দাবি করা হয়েছে, ফোনটি পর্যালোচনা করে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে আপত্তিকর মন্তব্যের তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের উপপরিদর্শক মো. মানিক হোসেন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন। মামলার তদন্তে আসামির বক্তব্য, ডিজিটাল আলামত এবং অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আজ ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজ ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ ২৫ অক্টোবর ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের (জাইমা রহমান) জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন।

জন্মদিন উপলক্ষে শুভানুধ্যায়ীরা তার সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছেন। তাদের প্রত্যাশা, মেধা, আত্মবিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে আগামী দিনে আইন, সমাজ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন তিনি।

বর্ণাঢ্য পারিবারিক ঐতিহ্য

জাইমা রহমানের বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি পরিচিত পরিবারে। তার বাবা তারেক রহমান এবং মা ডা. জুবাইদা রহমান। তার দাদা ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান। দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার নানা ছিলেন সাবেক নৌবাহিনীপ্রধান ও মন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান।

রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পরিচিত এই পরিবারে বেড়ে উঠলেও জাইমা রহমান আইন বিষয়ে পড়াশোনা এবং পেশাগত জীবনকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

শিক্ষা ও আইনপেশায় অগ্রযাত্রা

জাইমা রহমান ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। ২০০৮ সালে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার পর সেখানেই তার শিক্ষাজীবন অব্যাহত থাকে।

তিনি যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ঐতিহাসিক আইনশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনার টেম্পল থেকে ২০১৯ সালে ব্যারিস্টার হিসেবে পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের আইনপেশায় যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণ

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে জাইমা রহমানের জীবনীসংক্রান্ত তথ্যে। ওই প্রতিনিধি দলে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে তার সাক্ষাতের তথ্যও পাওয়া যায়। এসব আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ তার বৈশ্বিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

পরবর্তী সময়ে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এসব কর্মসূচির নির্দিষ্ট তারিখ ও অংশগ্রহণের বিবরণ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

পেশাগত জীবন ও মানবিক কর্মকাণ্ড

জাইমা রহমানের পেশাগত জীবন সম্পর্কে বিভিন্ন বিবরণে আইনপেশায় কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সাংবিধানিক আইন, করপোরেট ও বাণিজ্যিক আইন এবং করসংক্রান্ত বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা তার পেশাগত দক্ষতা বিকাশে ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা সংস্থা ‘সুরভী’র সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ রয়েছে। শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, লিঙ্গসমতা এবং মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে কাজ করার আগ্রহের কথাও তার সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে।

জন্মদিনে শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে মানুষের কল্যাণে অবদান রাখবেন জাইমা রহমান।

শুভ জন্মদিন, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম