খুঁজুন
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সমু‌দ্রে মাছ ধরতেও চাঁদা চান বিএনপি নেতা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সমু‌দ্রে মাছ ধরতেও চাঁদা চান বিএনপি নেতা

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বৈধভাবে ইজারা নেওয়া চরে মাছ ধরতে জেলেদের কাছে ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। টাকা না দিলে জেলেদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগের তীর রাঙ্গাবালী দক্ষিণ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল মীরের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাইয়ে বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্জ থেকে সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে চর হেয়ার ও চর আগারা এলাকা এক বছরের জন্য মাছ ধরার উদ্দেশ্যে ইজারা নেন আ. আজিজ মাহমুদ ও আ. মান্নান ঢালী। ইজারার মেয়াদ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

তবে ইজারা নেওয়ার পর ওই এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন জেলেরা। তাদের দাবি, শাহজালাল মীর ও তার লোকজন মাছ ধরতে বাধা দিয়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করছেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় জেলেদের পক্ষে গত ২২ জুলাই রাঙ্গাবালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী আ. আজিজ মাহমুদ।

জেলে হাসান গাজী বলেন, কাগজপত্র অনুযায়ী আ. আজিজ মাহমুদ ও আ. মান্নান ঢালী ইজারা নেওয়া চরে মাছ ধরার অনুমতি পেয়েছেন। তাদের অধীনে কর্মরত জেলেরা সেখানে মাছ ধরতে গেলে শাহজালাল মীর বাধা দেন এবং ছয় লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরেক জেলে রাজীব খানও একই ধরনের অভিযোগ করেন। তার দাবি, আগেও ওই এলাকায় শাহজালাল মীরের প্রভাব ছিল এবং বর্তমানে তিনি আবারও চর দখলের চেষ্টা করছেন। তার কারণে জেলেরা নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মৎস্য ব্যবসায়ী আ. মান্নান ঢালী বলেন, সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে বৈধভাবে চর হেয়ার ও চর আগারা ইজারা নেওয়ার পরও শাহজালাল মীর ও তার লোকজন জেলেদের মাছ ধরতে বাধা দিচ্ছেন। ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে এবং টাকা না দেওয়ায় জেলেদের মারধর করে চর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৫ সালের জুলাইয়েও একই চর ইজারা নিয়েছিলেন তিনি। তখনও শাহজালাল মীর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জেলেদের মারধর করে চর দখলে নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, এলাকায় শাহজালাল মীর ‘সাগরের সন্ত্রাস’ নামে পরিচিত এবং তাকে টাকা না দিয়ে নদী বা সাগরে জাল ফেলতে পারেন না জেলেরা।

অন্যদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহজালাল মীর। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও তিনি টাকা দিয়ে ওই চরে মাছ ধরতেন এবং এখনও একইভাবে মাছ ধরছেন। এ বছর আ. আজিজ মাহমুদ ও আ. মান্নান ঢালী ওই চরে মাছ ধরার অনুমতিপত্র পেয়েছেন—এটি তিনি স্বীকার করেন।

তবে তার দাবি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি তাকে চরে মাছ ধরতে বলেছেন এবং অনুমতিপত্র করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি কাউকে মারধর করেননি কিংবা চাঁদা দাবি করেননি বলেও দাবি করেন শাহজালাল মীর।

চর দখলের অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. রহমান ফরাজীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, চর নিয়ে মন্তব্য করলে সমালোচনার মুখে পড়তে হবে।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দীন বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত শাহজালাল মীরকে একাধিকবার থানায় ডাকা হলেও তিনি হাজির হননি।

চরমোন্তাজ রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে যারা বৈধভাবে চরে মাছ ধরার অনুমতি পেয়েছেন, কেবল তারাই সেখানে মাছ ধরতে পারবেন।

এদিকে জেলেদের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধ এবং বৈধ ইজারাদারদের নির্বিঘ্নে মাছ ধরার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যশোর বোর্ডে মানবিকে ধস, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর বোর্ডে মানবিকে ধস, ১১ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

যশোর শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। তবে ফলাফলে বড় ধাক্কা এসেছে মানবিক বিভাগে। এ বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হলেও পাসের হার নেমে এসেছে ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশে। একই সঙ্গে বোর্ডের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই এবার পাস করতে পারেনি।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারাদেশের সঙ্গে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বোর্ডের সচিব (প্রেষণে) প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং ছাত্রী ৭১ হাজার ৯৭৯ জন। ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ছাত্রীদের ফলাফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ।

অন্যদিকে মানবিক বিভাগের ফলাফল সবচেয়ে হতাশাজনক। এ বিভাগে মোট ৮৫ হাজার ২৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তদন্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

ফলাফল বিশ্লেষণে বোর্ড সচিব বলেন, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ হলেও মানবিক বিভাগে তা ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ হওয়া উদ্বেগের বিষয়। বিভাগগুলোর ফলাফলের এই বৈষম্য কমাতে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এবারের ফলাফলেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা ভালো করেছে। খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা নয়, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের মূল লক্ষ্য।

এবার যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হলেও যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। ফলে জাতীয় গড়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে এ বোর্ড।

ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বগুড়ায় ৮২ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বগুড়ায় ৮২ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়ার শাজাহানপুরে ৮২ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর পূর্বপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাজু ইসলাম শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি নয় মাইল মণ্ডলপাড়া গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাজাহানপুর থানার একটি দল জামালপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। পরে মণ্ডল ট্রেডার্সের সামনে থেকে রাজু ইসলামকে আটক করা হয়। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, গ্রেপ্তার রাজু ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পানি জমে থাকায় খনন হয়নি খাল, ফেরত গেল সোয়া ২ কোটি টাকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পানি জমে থাকায় খনন হয়নি খাল, ফেরত গেল সোয়া ২ কোটি টাকা

অতিবৃষ্টি ও খালে পানি জমে থাকায় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের আত্রাই খাল খনন প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ে কাজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ পাওয়া ২ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৫০৪ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সারা দেশে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে পীরগঞ্জের মিঠিপুর ইউনিয়নের আত্রাই খাল খননের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘আত্রাই বিল থেকে গোপালগঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত ডোমজান খাল’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮৫০ মিটার খাল খননের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুমজুড়ে টানা বৃষ্টি ও খালে পর্যাপ্ত পানি থাকায় নির্ধারিত সময়ে খননকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

কাজ শুরুর উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায়নি। পরে গত ১৬ জুলাই চালানের মাধ্যমে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা পুরো ২ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৫০৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ বলেন, অতিবৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত সময়ে খননকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। সরকারি বিধি অনুযায়ী বরাদ্দের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভবিষ্যতে পুনরায় বরাদ্দ পাওয়া গেলে খালটির খননকাজ সম্পন্ন করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম