খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

রামিসা হত্যা: দুই আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রামিসা হত্যা: দুই আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) মামলাটি শুনানির জন্য ২২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান মামলার আসামি সোহেল রানা। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামি স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর ২১ মে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা।

মামলার তদন্ত শেষে ২৫ মে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান। একই দিন মামলাটি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

এরপর ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে একদিনেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

দ্রুত বিচার শেষে গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

রায়ে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়া এ দণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করে সেই অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছায়। একই সঙ্গে দুই আসামি হাইকোর্টে জেল আপিল করেন। এখন তাদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি হবে উচ্চ আদালতে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রাজধানীতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজধানীতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর নিউমার্কেট থানার এলিফ্যান্ট রোডের একটি বাসা থেকে মোছা. রত্না আক্তার (১৭) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রত্নাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা আলমগীর হোসেন জানান, প্রায় আড়াই মাস ধরে এলিফ্যান্ট রোডের একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করছিল রত্না। শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিজের কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে দেখতে পাওয়া যায়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রত্নাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আলমগীর হোসেন আরও জানান, রত্না সিলেটের বাসিন্দা মো. দুলাল মিয়ার মেয়ে। প্রায় আড়াই মাস আগে তিনি রত্নাকে এলিফ্যান্ট রোডের একটি ভবনের নয়তলায় বসবাসকারী শাহজাহানের বাসায় গৃহকর্মীর কাজে নিয়ে আসেন। বিভিন্ন সময় রত্না বাসার মালিকের প্রশংসাও করত বলে জানান তিনি।

তবে কী কারণে রত্না গলায় ফাঁস নিয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি আলমগীর।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মেসিকে সান্ত্বনা দিয়ে রোনালদোর নতুন রেকর্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসিকে সান্ত্বনা দিয়ে রোনালদোর নতুন রেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহুদিনের। মাঠের লড়াইয়ে তারা একে অন্যের বড় প্রতিপক্ষ হলেও ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর নজিরও রয়েছে। এবার মেসির বাবার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো।

সম্প্রতি বাবা হোর্হে মেসিকে হারিয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। বাবাকে নিয়ে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন তিনি। সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে মেসি ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

রোনালদো লেখেন, ‘এই কঠিন সময়ে তোমার এবং তোমার পরিবারের জন্য রইল অনেক অনেক ভালোবাসা লিও। শক্ত থেকো।’

মেসির কঠিন সময়ে রোনালদোর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এরই মধ্যে মন্তব্যটিতে প্রায় ৬৫ লাখ লাইক পড়েছে। ইনস্টাগ্রামের ইতিহাসে কোনো কমেন্টে এটিই সর্বোচ্চ লাইক পাওয়ার রেকর্ড বলে জানা গেছে।

মজার বিষয় হলো, ইনস্টাগ্রামের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লাইক পাওয়া কমেন্টটিও রোনালদোর। কিলিয়ান এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর তাকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্টে মন্তব্য করেছিলেন সিআর সেভেন। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সেই মন্তব্যে লাইক সংখ্যা ৬০ লাখ ছাড়িয়ে যায়।

ফুটবল মাঠে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ে মেসির প্রতি রোনালদোর এই সহমর্মিতা দুই তারকার ভক্তদের মধ্যেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (৮ আগস্ট) ৬৮ বছর বয়সে মারা যান লিওনেল মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসি। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আর্জেন্টিনার রোজারিওতে নিজ জন্মভূমিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

অক্টোবরে চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অক্টোবরে চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে দেশের পাঁচ অঞ্চলে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লায় একযোগে এসব হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নিয়ে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য শুধু নতুন ভবন নির্মাণ বা প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো নয়। উন্নত প্রযুক্তির পাশাপাশি দক্ষ জনবল, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনকে সেই লক্ষ্য পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করে হাসপাতালটির পরিসর আরও বাড়ানো হয়েছে। এ জন্য চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, টেকনিশিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক রোগকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, মৃগীরোগ, পারকিনসন্স, ডিমেনশিয়া ও মেরুদণ্ডের জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এসব রোগের জন্য দেশে আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজনও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নতুন ৫০০ শয্যার ভবনের মাধ্যমে এসব রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে নির্মিত ভবনটি রোগী সেবার পাশাপাশি চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে তুলনামূলক কম খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পান, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, অতিরিক্ত শয্যা এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে এ প্রতিষ্ঠান দেশের অসংখ্য রোগীর জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার যতই বাড়ুক, রোগীর প্রতি মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু একজন রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার কাজটি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরই করতে হয়।

রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক ও সহানুভূতিশীল আচরণ চিকিৎসাসেবার মান বাড়ায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর স্বজন—এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক থাকা জরুরি। চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন কিংবা রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের আস্থার সম্পর্ক দুর্বল হয়, তাহলে শুধু হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম