খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২ ভাদ্র, ১৪৩৩

নিজের টাকায় কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়ে চলেছেন ‘ছমির স্যার’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজের টাকায় কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়ে চলেছেন ‘ছমির স্যার’

যোগফল প্রতিবেদক:

অবসর নিয়েছেন পাঁচ বছর আগে। চাইলে অবসরজীবন কাটাতে পারতেন বিশ্রামে। কিন্তু সেই পথ বেছে নেননি টাঙ্গাইলের সখীপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আতিকুল হক, যিনি সবার কাছে পরিচিত ‘ছমির স্যার’ নামে। নিজের উপার্জিত অর্থে কৃষ্ণচূড়ার চারা কিনে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন এলাকায়। বিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ-মন্দির, ঈদগাহ থেকে শুরু করে শ্মশানঘাট—যেখানেই সুযোগ পাচ্ছেন, সেখানেই নিজের হাতে লাগাচ্ছেন গাছ।

ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপণ করেছেন তিনি। তাঁর লাগানো গাছ এখন ছড়িয়ে পড়েছে সখীপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়। কালিহাতীর পারখী ও নাগবাড়ী, ঘাটাইলের সাগরদীঘি ও ধলাপাড়া এবং ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কয়েকটি এলাকাতেও দেখা মিলছে তাঁর লাগানো চারা।

অবসরেও থামেনি কর্মযজ্ঞ

সখীপুরের বড়চওনা গ্রামের বাসিন্দা আতিকুল হক ২০২১ সালে বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন। অবসরের পর অলসভাবে সময় না কাটিয়ে মানুষ ও প্রকৃতির জন্য কিছু করার চিন্তা থেকেই শুরু করেন বৃক্ষরোপণ।

আতিকুল হক বলেন, ‘অবসর মানেই কর্মহীন বা অলস জীবন নয়। বিভিন্ন বিদ্যালয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সবুজ, শীতল ও সুন্দর করতেই কৃষ্ণচূড়ার চারা লাগানো শুরু করেছি। এরই মধ্যে এক হাজারের বেশি চারা রোপণ করেছি। ভবিষ্যতেও এ কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

নিজের হাতে লাগানো গাছ একদিন বড় হবে, গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে ফুটবে লাল কৃষ্ণচূড়া—এই স্বপ্নই তাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ জোগায়।

তিনি বলেন, ‘মানুষ ও সমাজের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে সার্থক মনে করব। যেদিন দেখব আমার লাগানো গাছের ছায়ায় শিক্ষার্থী ও পথচারীরা স্বস্তি পাচ্ছে, সেদিন নিজেকে সফল মনে হবে।’

শিক্ষার্থীদেরও অনুপ্রেরণা

‘ছমির স্যারের’ এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও। বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফসারা সাফিয়া সাউদা জানায়, স্যারের বৃক্ষরোপণ তাকে গাছ লাগাতে উৎসাহিত করেছে।

স্থানীয় শিক্ষকরাও তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। মহানন্দপুর বিজয় স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হাসান বলেন, নিজের উদ্যোগে অর্থ ও শ্রম দিয়ে বৃক্ষরোপণের এমন কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলমও আতিকুল হকের এই উদ্যোগকে প্রশংসনীয় ও অনুসরণীয় বলে উল্লেখ করেছেন।

শুধু গাছ নয়, গড়েছেন পাঠাগারও

প্রকৃতির পাশাপাশি বইয়ের প্রতিও রয়েছে ‘ছমির স্যারের’ গভীর ভালোবাসা। ২০০৮ সালে তাঁর লেখা ‘শ্যামলিমা’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। বাড়িতে গড়ে তুলেছেন ব্যক্তিগত পাঠাগার, যেখানে রয়েছে প্রায় এক হাজার বই।

খেলাধুলার সঙ্গেও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। ফুটবল, ভলিবল ও কাবাডিতে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৫ সালে বড়চওনা-কুতুবপুর ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় সাংগঠনিক কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

‘আমি থাকব না, গাছগুলো থেকে যাবে’

বৃক্ষরোপণকে প্রচারণা নয়, মানুষের জন্য কিছু করে যাওয়ার মাধ্যম হিসেবেই দেখেন আতিকুল হক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চারা লাগানোর সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা ও উৎসাহ তাকে আরও অনুপ্রাণিত করে।

‘ছমির স্যার’ বলেন, ‘আমি চাই, আমার লাগানো গাছ দেখে অন্যরাও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হোক। তখনই মনে হবে আমার এই ছোট্ট উদ্যোগ সার্থক হয়েছে।’

তার স্বপ্ন, একদিন এসব কৃষ্ণচূড়া বড় হয়ে ফুলে ফুলে ভরে উঠবে। সেই গাছের ছায়ায় বসবে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। হয়তো সেই দিন তিনি থাকবেন না, কিন্তু তাঁর লাগানো গাছগুলো থেকে যাবে—প্রকৃতির মাঝে রেখে যাবে তাঁর ভালোবাসার স্মৃতি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাঁথিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নিহত, আহত ৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নিহত, আহত ৫

যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনার সাঁথিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল্লাহ (৪৫) নামে এক সিএনজি চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নন্দনপুর কে.টি.এস. আয়শা খাতুন হাই স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল্লাহ সাঁথিয়ার মাধপুর এলাকার ইকরাম আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নন্দনপুর-খানমামুদপুর সড়কের ইছামতী নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। নির্মাণকাজের মালামাল নামানোর জন্য একটি ১০ চাকার লরি রাস্তার পাশে পার্ক করে রাখা ছিল। এতে সড়কে যানবাহন চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে যায়।

এ সময় মাধপুর থেকে সাঁথিয়াগামী একটি সবুজ রঙের সিএনজির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর পেছন থেকে আসা একটি হলুদ রঙের পিকআপ ভ্যান সিএনজিটিকে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাটি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

এতে সিএনজি চালকসহ ৫ থেকে ৬ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সিএনজি চালক আব্দুল্লাহর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আহত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হাত ছেড়ে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাত ছেড়ে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

যোগফল প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দুই হাত ছেড়ে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে শাওন মিয়া (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের কারেন্টের মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, শাওন দুই হাত ছেড়ে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি মোটরসাইকেলটি এদিক-সেদিক হেলেদুলে চালানোর চেষ্টা করছিলেন। একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে।

এতে শাওন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শাওন মিয়া শিবগঞ্জ উপজেলার দাড়িদহর গ্রামের শাবলু মণ্ডলের ছেলে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই হাত ছেড়ে মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে শাওন মিয়া নিহত হয়েছেন। পরে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইটিপি ছাড়া কোনো কারখানা চালানোর সুযোগ নেই: বিসিসিটি এমডি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইটিপি ছাড়া কোনো কারখানা চালানোর সুযোগ নেই: বিসিসিটি এমডি

যোগফল প্রতিবেদক:

কারখানায় ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) চালু না রেখে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের (বিসিসিটি) নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভুঁইঘর এলাকায় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে চলমান খাল পুনরুদ্ধার ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘যতক্ষণ একটি কারখানা চালু থাকবে, ততক্ষণ ইটিপিও চালু রাখতে হবে।’ পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান কয়েক ঘণ্টা ইটিপি চালানোর পর তা বন্ধ করে দেয়। ফলে অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি খাল ও জলাশয়ে গিয়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এ ধরনের প্রবণতা বন্ধে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বন্ধ থাকা ইটিপিগুলোও দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শুধু শিল্পকারখানা নয়, পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান বিসিসিটি এমডি। তিনি বলেন, অনেক বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি ড্রেনে ময়লা পানি ফেলা হচ্ছে। পরে এসব বর্জ্য খালে গিয়ে জমা হওয়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং খালগুলো নর্দমায় পরিণত হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রকল্প পরিদর্শন শেষে কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এর উদ্দেশ্য ইতিবাচক। কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে পুরো প্রকল্প সম্পন্ন করা প্রয়োজন। তিনি প্রকল্পে লুটপাটের কোনো আলামত দেখেননি বলেও জানান। উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে।

পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যেই প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। খালের পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ইটিপি স্থাপন ব্যয়বহুল হওয়ায় বিকল্প সমাধান নিয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান বিসিসিটি এমডি। ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে পানি সরবরাহের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সংরক্ষণের পাশাপাশি খাল ও নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, টেকসই ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; শিল্প মালিক, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি খালে তীর সংরক্ষণ, প্রায় ৬ হাজার ২০২ মিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম