খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

নিজের টাকায় কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়ে চলেছেন ‘ছমির স্যার’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজের টাকায় কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়ে চলেছেন ‘ছমির স্যার’

যোগফল প্রতিবেদক:

অবসর নিয়েছেন পাঁচ বছর আগে। চাইলে অবসরজীবন কাটাতে পারতেন বিশ্রামে। কিন্তু সেই পথ বেছে নেননি টাঙ্গাইলের সখীপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আতিকুল হক, যিনি সবার কাছে পরিচিত ‘ছমির স্যার’ নামে। নিজের উপার্জিত অর্থে কৃষ্ণচূড়ার চারা কিনে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন এলাকায়। বিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ-মন্দির, ঈদগাহ থেকে শুরু করে শ্মশানঘাট—যেখানেই সুযোগ পাচ্ছেন, সেখানেই নিজের হাতে লাগাচ্ছেন গাছ।

ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপণ করেছেন তিনি। তাঁর লাগানো গাছ এখন ছড়িয়ে পড়েছে সখীপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়। কালিহাতীর পারখী ও নাগবাড়ী, ঘাটাইলের সাগরদীঘি ও ধলাপাড়া এবং ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কয়েকটি এলাকাতেও দেখা মিলছে তাঁর লাগানো চারা।

অবসরেও থামেনি কর্মযজ্ঞ

সখীপুরের বড়চওনা গ্রামের বাসিন্দা আতিকুল হক ২০২১ সালে বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন। অবসরের পর অলসভাবে সময় না কাটিয়ে মানুষ ও প্রকৃতির জন্য কিছু করার চিন্তা থেকেই শুরু করেন বৃক্ষরোপণ।

আতিকুল হক বলেন, ‘অবসর মানেই কর্মহীন বা অলস জীবন নয়। বিভিন্ন বিদ্যালয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সবুজ, শীতল ও সুন্দর করতেই কৃষ্ণচূড়ার চারা লাগানো শুরু করেছি। এরই মধ্যে এক হাজারের বেশি চারা রোপণ করেছি। ভবিষ্যতেও এ কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

নিজের হাতে লাগানো গাছ একদিন বড় হবে, গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে ফুটবে লাল কৃষ্ণচূড়া—এই স্বপ্নই তাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ জোগায়।

তিনি বলেন, ‘মানুষ ও সমাজের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে সার্থক মনে করব। যেদিন দেখব আমার লাগানো গাছের ছায়ায় শিক্ষার্থী ও পথচারীরা স্বস্তি পাচ্ছে, সেদিন নিজেকে সফল মনে হবে।’

শিক্ষার্থীদেরও অনুপ্রেরণা

‘ছমির স্যারের’ এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও। বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফসারা সাফিয়া সাউদা জানায়, স্যারের বৃক্ষরোপণ তাকে গাছ লাগাতে উৎসাহিত করেছে।

স্থানীয় শিক্ষকরাও তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। মহানন্দপুর বিজয় স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হাসান বলেন, নিজের উদ্যোগে অর্থ ও শ্রম দিয়ে বৃক্ষরোপণের এমন কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলমও আতিকুল হকের এই উদ্যোগকে প্রশংসনীয় ও অনুসরণীয় বলে উল্লেখ করেছেন।

শুধু গাছ নয়, গড়েছেন পাঠাগারও

প্রকৃতির পাশাপাশি বইয়ের প্রতিও রয়েছে ‘ছমির স্যারের’ গভীর ভালোবাসা। ২০০৮ সালে তাঁর লেখা ‘শ্যামলিমা’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। বাড়িতে গড়ে তুলেছেন ব্যক্তিগত পাঠাগার, যেখানে রয়েছে প্রায় এক হাজার বই।

খেলাধুলার সঙ্গেও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। ফুটবল, ভলিবল ও কাবাডিতে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৫ সালে বড়চওনা-কুতুবপুর ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় সাংগঠনিক কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

‘আমি থাকব না, গাছগুলো থেকে যাবে’

বৃক্ষরোপণকে প্রচারণা নয়, মানুষের জন্য কিছু করে যাওয়ার মাধ্যম হিসেবেই দেখেন আতিকুল হক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চারা লাগানোর সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা ও উৎসাহ তাকে আরও অনুপ্রাণিত করে।

‘ছমির স্যার’ বলেন, ‘আমি চাই, আমার লাগানো গাছ দেখে অন্যরাও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হোক। তখনই মনে হবে আমার এই ছোট্ট উদ্যোগ সার্থক হয়েছে।’

তার স্বপ্ন, একদিন এসব কৃষ্ণচূড়া বড় হয়ে ফুলে ফুলে ভরে উঠবে। সেই গাছের ছায়ায় বসবে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। হয়তো সেই দিন তিনি থাকবেন না, কিন্তু তাঁর লাগানো গাছগুলো থেকে যাবে—প্রকৃতির মাঝে রেখে যাবে তাঁর ভালোবাসার স্মৃতি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।