খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২ ভাদ্র, ১৪৩৩

ইটিপি ছাড়া কোনো কারখানা চালানোর সুযোগ নেই: বিসিসিটি এমডি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইটিপি ছাড়া কোনো কারখানা চালানোর সুযোগ নেই: বিসিসিটি এমডি

যোগফল প্রতিবেদক:

কারখানায় ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) চালু না রেখে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের (বিসিসিটি) নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভুঁইঘর এলাকায় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে চলমান খাল পুনরুদ্ধার ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘যতক্ষণ একটি কারখানা চালু থাকবে, ততক্ষণ ইটিপিও চালু রাখতে হবে।’ পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান কয়েক ঘণ্টা ইটিপি চালানোর পর তা বন্ধ করে দেয়। ফলে অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি খাল ও জলাশয়ে গিয়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এ ধরনের প্রবণতা বন্ধে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বন্ধ থাকা ইটিপিগুলোও দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শুধু শিল্পকারখানা নয়, পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান বিসিসিটি এমডি। তিনি বলেন, অনেক বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি ড্রেনে ময়লা পানি ফেলা হচ্ছে। পরে এসব বর্জ্য খালে গিয়ে জমা হওয়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং খালগুলো নর্দমায় পরিণত হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রকল্প পরিদর্শন শেষে কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এর উদ্দেশ্য ইতিবাচক। কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে পুরো প্রকল্প সম্পন্ন করা প্রয়োজন। তিনি প্রকল্পে লুটপাটের কোনো আলামত দেখেননি বলেও জানান। উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে।

পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যেই প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। খালের পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ইটিপি স্থাপন ব্যয়বহুল হওয়ায় বিকল্প সমাধান নিয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান বিসিসিটি এমডি। ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে পানি সরবরাহের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সংরক্ষণের পাশাপাশি খাল ও নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, টেকসই ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; শিল্প মালিক, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি খালে তীর সংরক্ষণ, প্রায় ৬ হাজার ২০২ মিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আফুরিয়ায় পলিথিন কারখানায় অভিযান, ৩৩৫ কেজি পলিথিন জব্দ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আফুরিয়ায় পলিথিন কারখানায় অভিযান, ৩৩৫ কেজি পলিথিন জব্দ

যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনা সদর উপজেলার আফুরিয়া এলাকায় মেসার্স শিমুল পলিথিন ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়ে ৩৩৫ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন ও ৪৯ কেজি পিপি দানা জব্দ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ধারা ৬ক অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে কারখানা থেকে ৩৩৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন ও ৪৯ কেজি পিপি দানা জব্দ করা হয়। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

পাবনা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গাজী মো. দিদারুল ইসলাম মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন। পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল মমিন প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন। অভিযানে জেলা পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

অভিযান শেষে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি আগামী এক মাসের মধ্যে কারখানায় থাকা সব ধরনের যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয় জানিয়েছে, নিষিদ্ধ পলিথিনের উৎপাদন, ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ বন্ধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বেতন না পেয়ে লাকি স্টার অ্যাপারেলসে শ্রমিকদের অসন্তোষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেতন না পেয়ে লাকি স্টার অ্যাপারেলসে শ্রমিকদের অসন্তোষ

যোগফল প্রতিবেদক:

গাজীপুরের টঙ্গীর খাঁ পাড়া এলাকায় অবস্থিত লাকি স্টার অ্যাপারেলস লিমিটেডে সময়মতো বেতন-ভাতা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত বেতন পরিশোধ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানাটিতে নিয়মিতই নির্ধারিত সময়ের পর বেতন পরিশোধ করা হয়। অনেক সময় মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বেতনের জন্য। চলতি মাসেও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১২৩(১) অনুযায়ী, মজুরিকাল শেষ হওয়ার পরবর্তী সাত কর্মদিবসের মধ্যে শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করার বিধান রয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন পরিশোধ না করে প্রতি মাসেই বিলম্ব করা হচ্ছে।

শ্রমিকরা জানান, ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বেতন দেওয়া হয়নি। এমনকি কবে বেতন পরিশোধ করা হবে, সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানানো হয়নি। এতে অনেক শ্রমিককে সংসারের দৈনন্দিন খরচ চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

শ্রমিকদের আরও অভিযোগ, সম্প্রতি কারখানায় নতুন জিএম (জেনারেল ম্যানেজার) যোগ দেওয়ার পর বেতন বিলম্বসহ বিভিন্ন সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কিংবা নতুন জিএমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এদিকে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে সোমবার (১৭ আগস্ট) আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আবারও আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

শ্রমিকরা দ্রুত চলতি মাসের বেতন ও বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন দেওয়ার নিশ্চয়তা দাবি করেছেন। একই সঙ্গে কারখানায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আওয়ামী লীগের ৪২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আওয়ামী লীগের ৪২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

যোগফল প্রতিবেদক:

নড়াইলের লোহাগড়ায় মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৪২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) লোহাগড়া থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কুমারেশ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) গিলাতলা গ্রামের হাসান মোল্যা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট রাতে কালনা-নড়াইল-যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের এড়েন্দা এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

মামলায় কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মতিয়ার রহমান, মুজিবুর রহমান, নাহিদ মোল্লা ও হৃদয় শেখসহ ৪২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম