খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১৯ বার পেছাল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১৯ বার পেছাল

 

যোগফল প্রতিবেদক:

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১৯বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হলো। নতুন করে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো (পূর্ব) বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান।

যেভাবে হামলার শিকার হন হাদি

জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শরীফ ওসমান হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগে গেলে চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে মোটরসাইকেলে থাকা এক ব্যক্তি গুলি করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর ওই রাতেই তাঁকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৪ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়

১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যুক্ত করা হয়। প্রথমে থানা-পুলিশ এবং পরে ডিবির হাতে মামলার তদন্তভার যায়।

তদন্ত শেষে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে গত ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ডিবি।

অভিযোগপত্রে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছেন ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ। তাঁর বাবা-মা, স্ত্রী, শ্যালক, বান্ধবীসহ আরও কয়েকজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে কয়েকজন এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরও অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে ফয়সাল করিমসহ শেষের পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।

‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসায়’ হত্যার দাবি

ডিবির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই’ তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তবে মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন এখনো আদালতে দাখিল না হওয়ায় তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা তৈরি হয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে ৩৪৩টি বৈধ ভোট পড়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশ্যে ভোট গণনা করা হয়। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

ভোটগ্রহণের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের পর ভোট দেন মির্জা ফখরুল। এ সময় সংসদে উপস্থিত দলীয় সদস্যরা করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান। অধিবেশন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিএনপির মহাসচিব, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্বের অবসান ঘটবে। আগামী শুক্রবার (২১ আগস্ট) তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন। শপথের পর সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে বঙ্গভবনে

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮০-এর দশকে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল। ২০১১ সালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের পর ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলে তিনি বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হন।

এর আগে মির্জা ফখরুল জাতীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা শেষে এবার দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার শপথের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবনে উঠবেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যে প্রতিষ্ঠানে পড়েছেন, সেই স্কুলেরই সভাপতি জাহিদুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যে প্রতিষ্ঠানে পড়েছেন, সেই স্কুলেরই সভাপতি জাহিদুর রহমান

যোগফল প্রতিবেদক:

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থী ও সমাজসেবক-ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে তাকে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনুমোদনের তারিখ থেকে ছয় মাস তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

জাহিদুর রহমান খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী। নিজের শিক্ষাজীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি এটিকে বিশেষ অর্জন হিসেবে দেখছেন।

দায়িত্ব পাওয়ার পর জাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমি এই প্রতিষ্ঠানেরই সাবেক শিক্ষার্থী। তাই এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা অন্যরকম। নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য গর্বের বিষয়।’

তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর ও মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। এ জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এদিকে জাহিদুর রহমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও সমাজসেবামূলক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জাহিদুর রহমান প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি রুমিন, জানালেন কারণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি রুমিন, জানালেন কারণ

যোগফল প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, এ নির্বাচন তার কাছে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসনের ভোট’ মনে হয়েছে। তার দাবি, ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকায় এটি প্রকৃত অর্থে নির্বাচন ছিল না।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টা ১০ মিনিটে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টায়। ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন।

ভোটগ্রহণ শেষে জানা যায়, মোট ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি। তারা হলেন—মির্জা আব্বাস, ড. ওসমান ফারুক, মোস্তফা কামাল পাশা, রুমিন ফারহানা, খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসান এবং জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

ভোট না দেওয়ার তিন কারণ

গণমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রথমত, তার কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি অর্থহীন মনে হয়েছে। কারণ ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকলে সেটিকে নির্বাচন বলা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল একজন অরাজনৈতিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করা। কিন্তু সেটি হয়নি বলে তিনি মনে করেন।

তৃতীয় কারণ হিসেবে রুমিন ফারহানা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তার দাবি, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিষয়টি সামনে আনা হয়েছিল। এ ধরনের পরিস্থিতিতে তিনি ভোট দেওয়াকে ‘প্রহসনের ভোট’ হিসেবে দেখেছেন।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। একইভাবে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম