খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

এসএসসিতে যশোর বোর্ডে দ্বিতীয় রওনক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এসএসসিতে যশোর বোর্ডে দ্বিতীয় রওনক

যোগফল প্রতিবেদক:

কুষ্টিয়ার খোকসার প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষার্থী রওনক হাসান ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ২৫০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২২১ নম্বর পেয়েছে সে। তার বিশেষত্ব হলো—ডিজিটাল যুগেও রওনকের নেই কোনো স্মার্টফোন বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট।

খোকসা উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের রমনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রওনক প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ সাইকেলে পাড়ি দিয়ে খোকসা জানিপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করত। রোদ-বৃষ্টি কিংবা ঝড়—কোনো কিছুই তার নিয়মিত স্কুলে যাওয়া ও পড়াশোনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

রওনক শিক্ষক দম্পতি হাসানুল হাবীব ও রূপালী খাতুনের প্রথম সন্তান। বাবা কুমারখালীর ডাঁসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষক এবং মা রমনাথপুর মোল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।

নিজের সাফল্যের বিষয়ে রওনক জানায়, তার কোনো স্মার্টফোন বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই। অবসর সময়ে বই পড়তেই বেশি পছন্দ করে। পাশাপাশি গান গাইতেও ভালো লাগে। প্রতিদিন নিয়মিত পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পড়াশোনা করত সে। প্রাইভেট বা কোচিংয়ের ওপরও খুব বেশি নির্ভর করতে হয়নি।

রওনকের স্বপ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে জিন প্রকৌশলী হওয়া।

সন্তানের সাফল্যে গর্বিত বাবা-মা

রওনকের বাবা-মা ছেলের এমন সাফল্যে আনন্দিত। বাবা হাসানুল হাবীব বলেন, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি রওনকের আগ্রহ ছিল। মোবাইল ও ফেসবুকের প্রতি তার কোনো আসক্তি ছিল না। তারা শুধু ছেলেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন।

মা রূপালী খাতুন জানান, রওনককে পড়তে বসার জন্য কখনো চাপ দিতে হয়নি। সে নিজের দায়িত্ব থেকেই নিয়মিত পড়াশোনা করত। ভালো ফল করবে আশা করেছিলেন, তবে যশোর বোর্ডে দ্বিতীয় হবে—এটা তাদের কল্পনাতেও ছিল না।

প্রথমবার বোর্ড মেধাতালিকায় স্কুলের শিক্ষার্থী

১৯০০ সালে প্রতিষ্ঠিত খোকসা জানিপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্যও রওনকের এই সাফল্য বিশেষ গর্বের। প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম বিদ্যালয়টির কোনো শিক্ষার্থী বোর্ডের মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

চলতি বছর বিদ্যালয়টির ১৭৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৫ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, রওনক নিয়মিত ক্লাস করত এবং পড়াশোনায় ছিল মনোযোগী। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে প্রতিদিন সাইকেলে বিদ্যালয়ে এসে তার এই সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

খোকসা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গড়াই নদীর ওপারের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রতিদিন সাইকেলে বিদ্যালয়ে যাওয়া রওনকের এই সাফল্য প্রমাণ করে, ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম থাকলে প্রতিকূলতা পেরিয়ে বড় অর্জন সম্ভব।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘আমার পুলাডারে তারা মাইরা ফেলাইছে’, ছেলেকে হারিয়ে বাবার কান্না

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আমার পুলাডারে তারা মাইরা ফেলাইছে’, ছেলেকে হারিয়ে বাবার কান্না

যোগফল প্রতিবেদক:

আমার পুলাডারে তারা গাফিলতি করে মাইরা ফেলাইছে। আমি একজন দিনমজুর। সারা জীবন মজুরি করে যা কামাইছি, সব পুলার পিছনে ঢালছি। পুলাডা ভালো ছাত্র আছিল। তাই আমি কোনোদিন টেহার কথা চিন্তা করতাম না। এহন আমার পুলাডারে মাটির ঘরে রাইখা আইলাম।’

ছেলেকে হারিয়ে এভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়েন শেরপুরের দিনমজুর মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া ছেলে শাহিন আকন্দের মৃত্যুর জন্য চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে শেরপুর সদর উপজেলার হরিণধরা কান্দাপাড়া গ্রামে সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হন শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শাহিন আকন্দ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সাপের কামড়ের প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই শাহিনকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সেখানে নেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

শাহিনের স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার সময় চিকিৎসকদের শিফট পরিবর্তন চলছিল। জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের পরিবর্তে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টরা তার রক্ত পরীক্ষা করেন। এরপর শাহিনকে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখা হয়। এ সময় তাকে বলা হয়, ছয় ঘণ্টা বিশ্রাম নিলে তিনি সুস্থ হয়ে যাবেন।

কিন্তু সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরিবারের দাবি, তার অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়নি।

শাহিনের জেঠাতো ভাই মো. সাব্বির আলী বলেন, ‘আমি পুরোটা সময় শাহিনের সঙ্গে ছিলাম। প্রথমে রক্ত জমাট বাঁধার পরীক্ষা করিয়ে বলা হয়, কিছু হয়নি। রোগীর শরীরে কোনো বিষ নেই, বিষধর সাপও কামড়ায়নি—এমন কথাও বলা হয়েছিল। অথচ ধীরে ধীরে শাহিনের শরীর নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিল।’

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম নেই বলেও আমাদের জানানো হয়েছিল। প্রায় দুই ঘণ্টা সময় চলে যাওয়ার পর শাহিনের অবস্থা আরও খারাপ হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু পথেই তার মৃত্যু হয়। শুরুতেই চিকিৎসা দেওয়া হলে হয়তো শাহিনকে বাঁচানো সম্ভব হতো।’

ছেলের মৃত্যুর কথা বলতে গিয়ে আবারও কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘তারা চিকিৎসা করতে পারবে না—এটা আমগরে আগেই কইতো। আমরা পুলাডারে মমিসিং (ময়মনসিংহ) নিয়ে যাইতাম। দুই ঘণ্টা সময় নষ্ট কইরা শেষ সময়ে যখন কইলো, তখন আর হাতে সময় নাই। আমার কুলে ছটফটাইয়া পুলাডা মইরা গেল। আমি এই বিচার কার কাছে দিমু?’

শাহিনের পরিবার জানায়, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলেন তিনি। স্বপ্ন ছিল উচ্চশিক্ষা নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার। ছেলের পড়াশোনার পেছনে দিনমজুরি করে উপার্জন করা অর্থ ব্যয় করেছেন বাবা। সেই ছেলেকেই এখন হারিয়ে শোকে কাতর পুরো পরিবার।

এদিকে চিকিৎসায় অবহেলা ও সময়মতো অ্যান্টিভেনম না দেওয়ার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। খবর পেয়ে শাহিনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমবেদনা জানিয়েছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেরপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ইমরান বলেন, হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম রয়েছে। সাধারণত বিষক্রিয়া বেড়ে গেলে বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়। শাহিনকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত নন। হাসপাতালের রেজিস্টার খাতা দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং শাহিনের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পালংখালীতে এজেন্ট ব্যাংকিং নিয়ে গ্রাহকদের বিক্ষোভ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পালংখালীতে এজেন্ট ব্যাংকিং নিয়ে গ্রাহকদের বিক্ষোভ

যোগফল প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে ইসলামী আল-আরাফা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা রাখা টাকা ফেরত না পাওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন গ্রাহকরা। টাকা ফেরতের দাবিতে একপর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন তারা।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সঞ্চয় ও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন করে আসছিলেন। নিয়মিত নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা জমা রাখলেও সম্প্রতি প্রয়োজনের সময় টাকা তুলতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়েন তারা। একপর্যায়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন গ্রাহকরা।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে শনিবার (২২ আগস্ট) গ্রাহকরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা জমাকৃত টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভের কারণে ওই সড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

খবর পেয়ে উখিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশের কর্মকর্তারা বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিযোগ শোনেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

গ্রাহকদের দাবি, তাদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিনের সঞ্চয়ের টাকা ওই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে জমা রেখেছেন। বর্তমানে সেই অর্থ ফেরত না পাওয়ায় তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দ্রুত টাকা ফেরতের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, গ্রাহকদের বিক্ষোভের ঘটনায় পালংখালী এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে কতজন গ্রাহকের কত টাকা আটকে আছে এবং তাদের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে ইসলামী আল-আরাফা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নিজের অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি, যার কল্পনা করতাম: পূজা চেরি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজের অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি, যার কল্পনা করতাম: পূজা চেরি

ছবি সংগৃহীত

যোগফল প্রতিবেদক:

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরি। অভিনয় দক্ষতা ও সাবলীল উপস্থাপনার মাধ্যমে অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন ও চিন্তাভাবনা নিয়েও মাঝেমধ্যে ভক্তদের সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলার এক অনন্য অনুভূতি প্রকাশ করেছেন পূজা চেরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘নিজের অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি, যার কল্পনা আমি একসময় করতাম।’

ছবিতে পূজাকে সাদা শার্ট ও নীল জিন্সে দেখা গেছে। হাতে ঘড়ি, আঙুলে রিং এবং চোখে স্টাইলিশ সানগ্লাস—সব মিলিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ও আকর্ষণীয় লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসির সঙ্গে হাত দিয়ে ফিঙ্গার হার্ট পোজও দিয়েছেন অভিনেত্রী।

পূজার এই ছবি প্রকাশের পর ভক্ত-অনুরাগীরা ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই তার পরিণত চিন্তাভাবনা, আত্মবিশ্বাস এবং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।

শিশুশিল্পী হিসেবে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন পূজা চেরি। পরবর্তী সময়ে ঢালিউডের অন্যতম পরিচিত নায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। ‘পোড়ামন ২’ সিনেমার মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান এই অভিনেত্রী। এরপর ‘দহন’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন।

বড়পর্দার পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও পূজার সাবলীল উপস্থিতি দর্শকদের নজর কেড়েছে। অভিনয় ক্যারিয়ারের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের স্বপ্ন ও ব্যক্তিত্বকে নতুনভাবে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা ভক্তদের কাছেও অনুপ্রেরণার হয়ে উঠছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম