একাদশে ভর্তি: আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও কোনো ভর্তি পরীক্ষা থাকছে না। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হতে পারে।
খসড়া সময়সূচি অনুযায়ী, ১০ নভেম্বরের মধ্যে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর আগামী ১২ নভেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করে মেধাক্রম ও শিক্ষার্থীর পছন্দের ভিত্তিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, খসড়া সময়সূচি অনুযায়ী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে সেই সময়সূচি অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।
দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কলেজ ও মাদ্রাসায় মোট আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গত বছর এসব আসনের মাত্র ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল। ফলে প্রায় ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ আসন খালি ছিল। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবেন না। কারণ, দেশের তুলনামূলক ভালো কলেজগুলোতে আসন সংখ্যা সীমিত। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
গত কয়েক বছর ধরেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কলেজ ও মাদ্রাসায় এই কেন্দ্রীয় ভর্তি পদ্ধতি চালু থাকলেও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি কার্যক্রম পৃথক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।
ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। তবে দেশের অধিকাংশ কলেজ ও মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে এই অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আপনার মতামত লিখুন