খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

কক্সবাজারে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচারণা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কক্সবাজারে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচারণা

 যোগফল প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকার স্কুলগামী কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, অধিকার ও আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতন করতে তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রচারণা শুরু হয়েছে।

ইউনিসেফের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় ‘স্বপ্ন সারথি–সি-শোর গার্লস প্রজেক্ট’-এর আওতায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট। রোববার (৩১ আগস্ট) শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

আবুল কাশেম হাই স্কুলে শুরু হওয়া প্রচারণাটি পর্যায়ক্রমে কুরুলিয়া হাই স্কুল ও খুরুশকুল হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আয়োজিত সেশনে তিনটি বিদ্যালয়ের মোট ৭৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক কিশোর-কিশোরী প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে সময়মতো বিভিন্ন সেবা নিতে পারে না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আইনি সহায়তাসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা সম্পর্কে তাদের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি রয়েছে।

এই ঘাটতি দূর করতে প্রচারণার বিভিন্ন সেশনে শিশু সুরক্ষা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, সেফগার্ডিং এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যুববান্ধব সেবা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ‘সার্ভিস ডিরেক্টরি’।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন বলেন, সেবা ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য ও সুপারিশের প্রকৃত সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন কিশোর-কিশোরীরা বাস্তবে এসব সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ হেল্পলাইন ১০৯ এবং শিশু সুরক্ষা হেল্পলাইন ১০৯৮ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে এসব নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার জন্য কোথায় রেফার করা হবে, সে বিষয়েও ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কুইজ ও উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করা হয়েছে।

আবুল কাশেম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু কোথায় কী সেবা পাওয়া যায় তা জানলেই হবে না; প্রয়োজনে কীভাবে সেই সেবায় পৌঁছাতে হবে এবং নিজেদের অধিকার কী, সেটিও জানা জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ তাদের আরও সচেতন, নিরাপদ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসফিকা ইসলাম জানায়, কোনো সমস্যায় পড়লে কোথায় সাহায্য চাইতে হবে, তা অনেক সময় জানা থাকে না। এই সেশন থেকে হেল্পলাইন নম্বর, বিভিন্ন সেবা পাওয়ার স্থান এবং নিজের ও অন্যের অধিকার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছে সে। প্রয়োজনে এখন সঠিক জায়গায় সাহায্য চাইতে পারবে বলেও জানায় ওই শিক্ষার্থী।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকার ও প্রয়োজনীয় সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যায় ভয় না পেয়ে সঠিক জায়গায় সহায়তা চাওয়ার আত্মবিশ্বাসও তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

‘স্বপ্ন সারথি–সি-শোর গার্লস প্রজেক্ট’ শিক্ষা, জীবনদক্ষতা ও নিরাপত্তাসেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে উপকূলীয় কিশোরীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছে। প্রকল্পের আওতায় তৈরি ‘সার্ভিস ডিরেক্টরি’ শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রয়োজনীয় সেবা সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনা পেতে সহায়তা করছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইমন হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, মরদেহ গুমে আরও ৩ বছর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইমন হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, মরদেহ গুমে আরও ৩ বছর

 যোগফল প্রতিবেদক:

রাজধানীর কদমতলীতে অটোরিকশা চালক ইমন হত্যা মামলায় আল-আমিন নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে তাকে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, হত্যা মামলায় আল-আমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে, আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ইমন। ওই রাতেই গেন্ডারিয়ার ফরাশগঞ্জের মামুর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তার অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৩১ মে ইমনের বাবা লিটন কদমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

নিখোঁজের চার দিন পর, ৩ জুন রাতে পশ্চিম মোহাম্মদবাগের সোনামাবিয়া মসজিদসংলগ্ন একটি ঝোপের ভেতরের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ইমনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৫ জুন বরিশাল থেকে আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আল-আমিন হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

জবানবন্দি অনুযায়ী, পরকীয়ার সন্দেহ এবং ধার দেওয়া পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ইমনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আল-আমিন। ৩০ মে সন্ধ্যায় ইমনকে নিজের ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

পরদিন বাজার থেকে বস্তা ও রশি কিনে মরদেহ বস্তাবন্দি করেন আল-আমিন। পরে রিকশায় করে মরদেহ নিয়ে একটি ডোবায় ফেলে দেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের পরিদর্শক রোকনুজ্জামান খাঁন ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আল-আমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কাপাসিয়ায় গরু চুরির হিড়িক, ১৭ গরু উধাও

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাপাসিয়ায় গরু চুরির হিড়িক, ১৭ গরু উধাও

 যোগফল প্রতিবেদক:

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক ঘটনায় অন্তত ১৭টি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয় কৃষক ও গরু পালনকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। চুরি ঠেকাতে রাতে গ্রামভিত্তিক পাহারা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মোশারফের বাড়ি থেকে চারটি, মকবুলের বাড়ি থেকে একটি এবং কবিরের বাড়ি থেকে একটি গরু চুরির অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া রাওনাইত গ্রামের আবুল হাজির বাড়ি থেকে চারটি, মোকবুলের বাড়ি থেকে চারটি, দেলোয়ারের বাড়ি থেকে একটি এবং আকরামের বাড়ি থেকে তিনটি গরু চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অন্যদিকে, চাঁদপুর ইউনিয়নের বড়পুশিয়া এলাকায় মাইনউদ্দিন মোড়লের বাড়ি থেকে চারটি এবং জামাল উদ্দিনের বাড়ি থেকে দুটি গরু চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। ফলে পৃথক ঘটনাগুলোর সংখ্যা ও স্থান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

গরু চুরির খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তারা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলাইমান মোল্লা, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউছুফ সরকার, চাঁদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলুল হক মাস্টার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিল্লাল মেম্বার, সহ-সভাপতি মনির হোসেন, চাঁদপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মাসুম আকন্দ এবং দুর্গাপুর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস ও চাঁদপুর ইউনিয়ন ছাত্রনেতা সাকিব আহমেদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখে প্রশাসনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি গ্রামভিত্তিক পাহারা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারে স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে গরু চুরির ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে কৃষক ও গরু পালনকারীরা গবাদিপশুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। চুরি প্রতিরোধে রাতে পাহারা জোরদার ও সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, এসব ঘটনা তদন্ত করে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হলে এলাকায় গরু চুরি কমানো সম্ভব হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নেপালে বন্যায় নিখোঁজ ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেপালে বন্যায় নিখোঁজ ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থী

 যোগফল প্রতিবেদক:

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ২০০-এর বেশি স্কুলশিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিন জেলায় অন্তত ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে ৯টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং সাতটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরও এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার পানির তীব্র স্রোতে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী ভেসে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার কয়েকটি স্কুল পানিতে তলিয়ে গেছে কিংবা মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ২ হাজার ৪২৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত।

একটি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানির স্রোতে এক শিক্ষার্থীকে বহনকারী একটি বাসও ভেসে গেছে।

বন্যার ভয়াবহতা নিরূপণে স্যাটেলাইট ছবি ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করেছে বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া ভিজ্যুয়াল জার্নালিজম বিভাগ।

এদিকে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যার পর দেশটির ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় ৯০০-এর বেশি মানুষ আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সীমান্তের তিব্বত অংশে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালে এখনো ৪ হাজার ২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫৯২ জন বিদেশি নাগরিক। তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৫৪৬ জন।

এর আগে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছিল নেপাল। তবে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধারে ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিচ্ছে দেশটি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম