খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

 যোগফল প্রতিবেদক:

প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

আদালতে বিদিশার পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মো. আতিকুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। পরে আইনজীবী জানান, বিদিশা কারাগারে যাওয়ার পর যে সময় পার হয়েছে, তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় আদালত জামিন আবেদন বিবেচনা করেননি।

অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি জানান, কারাবাসের সময়কাল বিবেচনায় আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেছেন।

ফ্ল্যাট বিক্রিকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গত ২০ মে বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বিদিশা। ফলে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটির সূত্রপাত ২০০৮ সালে। ওই বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন গুলশান থানায় বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে আদালত অভিযোগ গঠন করলে মামলাটির বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ২০ মে বিদিশাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি হয়। পরে ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরদিন কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে যাওয়ার পর বিদিশার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে বুধবার এর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ধার করা টাকায় দিনের পর দিন খুঁজছেন বাবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ধার করা টাকায় দিনের পর দিন খুঁজছেন বাবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

চোখেমুখে ক্লান্তি, কপালে দুশ্চিন্তার ছাপ। দুর্গম পাহাড়ি পথে দিনের পর দিন হাঁটছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব তালকা সাদা। পায়ের ব্যথা, ক্ষুধা আর অনিশ্চয়তা—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারছে না। একমাত্র ছেলে বিনোদকে খুঁজে পেতে নেপালের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলের সমতলভূমি তরাই অঞ্চলের সপ্তারি জেলার বাসিন্দা তালকা। গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘরবাড়ি, সেতু, স্কুল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হওয়ার পর থেকে ১৯ বছর বয়সী বিনোদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

বন্যার এক দিন আগে ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল তালকার। প্রায় এক মাস আগে রাশুয়া জেলায় একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন বিনোদ। সেখানে সিমেন্ট মেশানোসহ বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে কাজ করা ১৭ থেকে ১৯ বছর বয়সী আরও চার তরুণও বন্যার পর নিখোঁজ রয়েছেন।

ছেলেকে হারানোর কষ্টের কথা বলতে গিয়ে তালকা বলেন, তার স্ত্রী ছেলের জন্য ভেঙে পড়েছেন। তিনিও গভীর কষ্টের মধ্যে রয়েছেন এবং কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না।

ধার করা দুই হাজার রুপি নিয়ে যাত্রা

ছেলেকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় একটি ধূসর ব্যাকপ্যাক সঙ্গে নেন তালকা। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে গায়ে জড়ান কমলা রঙের পলিথিন। পকেটে ছিল দুই হাজার নেপালি রুপিরও কম টাকা। মার্কিন মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১৩ ডলার। এই অর্থও তাকে ধার করতে হয়েছে।

তালকা জানান, প্রতি ১০০ নেপালি রুপি ধার নেওয়ার বিপরীতে তাকে ২০ রুপি সুদ দিতে হবে। সেই টাকা নিয়ে ভাইকে সঙ্গে করে সপ্তারি থেকে বাসে কাঠমান্ডু যান তিনি। প্রায় ২৯২ কিলোমিটারের এই পথ পাড়ি দিতে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে প্রায় নয় ঘণ্টা সময় লাগে।

কাঠমান্ডু পৌঁছে দুই ভাই একের পর এক হাসপাতালে খোঁজ করেন। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে অনেক আহত ও মৃত মানুষকে রাজধানীতে আনা হয়েছিল। হাসপাতালের মর্গের বাইরে থাকা ছবি দেখেও বিনোদকে শনাক্ত করতে পারেননি তারা।

উদ্ধার হওয়া অনেক মরদেহ পচে যাওয়া কিংবা খণ্ডিত অবস্থায় থাকায় শনাক্তকরণও কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু কোথাও বিনোদের নাম বা ছবি না পেয়ে হতাশ হন তারা।

দুর্গম পথে ছেলের সন্ধানে

কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের নুয়াকোটের দিকে এরপর হাঁটা শুরু করেন তালকা ও তার ভাই। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই বিনোদ যে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করতেন সেটি অবস্থিত।

ভাঙা সড়ক পেরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটার পর তারা পৌঁছান ত্রিশুলি শহরে। বন্যার ধ্বংসাবশেষ, কাদা ও পলিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শহরটির বিভিন্ন এলাকা।

তালকা জানান, আগের রাতে একটি আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য তাদের ১ হাজার ৫০০ নেপালি রুপি খরচ হয়েছে। বিনিময়ে সামান্য খাবার দেওয়া হয়েছিল। আরও এক রাত সেখানে থাকলে তাদের হাতে থাকা সব টাকা শেষ হয়ে যাবে।

মর্গ ও সেনাশিবিরে যেতে চান

তালকা ও তার ভাইয়ের দাবি, তারা শুধু মর্গ ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত সেনাশিবিরগুলোতে গিয়ে নিখোঁজদের তালিকা এবং মরদেহগুলো দেখতে চান। কিন্তু তাদের বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, মাধেসি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্য হওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তালকার পরিবার ‘মুসাহার’ সম্প্রদায়ের, যেটি তরাই অঞ্চলের একটি অত্যন্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

তালকা বলেন, তারা দরিদ্র হওয়ায় এবং মাধেসি ও বিহারি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। নেপালি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে না পারায় এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য, ছেলে জীবিত থাকুক বা না থাকুক, অন্তত তার মরদেহটি দেখার অধিকার তাদের রয়েছে।

নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পরও উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিতদের উদ্ধারে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টিকা দেওয়ার পর শিশুর পায়ে জটিলতার অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টিকা দেওয়ার পর শিশুর পায়ে জটিলতার অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর

যোগফল প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে টিকা দেওয়ার পর জায়ান ইসলাম নামে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর ডান পায়ে জটিলতা দেখা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিশু জায়ান উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়েনগর গ্রামের মিজি বাড়ির রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পরিবারের দাবি, গত ২৭ জুলাই জায়ানকে ১০ মাস বয়সে দেওয়ার নির্ধারিত হাম টিকা দিতে দরবেশপুর ইউনিয়নের আইয়েনগর পোদ্দার বাড়ির টিকাদান কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে নিয়মিত টিকা প্রদানকারী শারমিন আক্তার শিশুটির ডান পায়ে হাঁটুর একটু নিচে টিকা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, টিকা দেওয়ার পর শিশুটির ওই স্থানে পোড়া, পুঁজ ও রক্ত বের হওয়ার মতো জটিলতা দেখা দেয়। বিষয়টি টিকা প্রদানকারীকে জানানো হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি। উল্টো তার স্বামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত—এ কথা বলে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।

শিশুটির দাদি রেহানা আক্তার বলেন, ‘আমি নিজে আমার নাতিকে গত ২৭ জুলাই টিকা দিতে নিয়ে যাই। হাঁটুর একটু নিচে টিকা দেন শারমিন আক্তার। বাচ্চার জটিলতা দেখা দেওয়ার পর বিষয়টি তাকে জানালে তিনি কোনো গুরুত্ব দেননি। বরং তার স্বামী রাজনীতি করেন—এ কথা বলে আমাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে টিকা প্রদানকারী শারমিন আক্তার বলেন, ‘ভুল হতেই পারে, মানুষ ভুল করে না? হাজারো ডাক্তার ভুল করে রোগী মারা যায়, কই কিছু তো হয় না। তাহলে আমার বিষয়টা নিয়ে এত মাতামাতি কেন?’

রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। শিশুটির পরিবারকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে শিশুটিকে সরকারি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

ভুল জায়গায় টিকা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শারমিন আক্তার অনেক শিশুকে টিকা দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ভুল হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা সরকারি হাসপাতালে করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পরিবার আবেদন করার পর বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান বলেন, শিশুটির পরিবার একটি লিখিত আবেদন করেছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তের পর শিশুটির পায়ে জটিলতার প্রকৃত কারণ ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা জানা যাবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দেড় সপ্তাহেই স্বাভাবিক হবে গ্যাস সরবরাহ: রিজভী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেড় সপ্তাহেই স্বাভাবিক হবে গ্যাস সরবরাহ: রিজভী

 যোগফল প্রতিবেদক:

আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় গাছের চারা রোপণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের পেছনে শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ কারণ নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিও দায়ী। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানাগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চলমান সংকট ধীরে ধীরে কমে আসবে।

এলএনজি আমদানির বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রমও নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন রিজভী। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি ও নির্বাচনি ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’-এও পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

রিজভী আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কমাতে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি জলাভূমি, নদী, নালা, খাল ও বিল পুনঃখনন এবং দূষণমুক্ত করতে হবে। শিল্পকারখানার রাসায়নিক ও বিষাক্ত বর্জ্যে দেশের বিভিন্ন জলাশয় ও নদ-নদী দূষিত হচ্ছে। এসব পরিবেশগত সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

সরকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে গত ছয় মাসে নির্ধারিত আড়াই কোটি গাছের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় তিন কোটি গাছ লাগানো হয়েছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে নিমগাছ লাগানোর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

বুধবারের কর্মসূচিতে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় নিম ও কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক এ বি এম আব্দুর রাজ্জাকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম