খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ধার করা টাকায় দিনের পর দিন খুঁজছেন বাবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ধার করা টাকায় দিনের পর দিন খুঁজছেন বাবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

চোখেমুখে ক্লান্তি, কপালে দুশ্চিন্তার ছাপ। দুর্গম পাহাড়ি পথে দিনের পর দিন হাঁটছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব তালকা সাদা। পায়ের ব্যথা, ক্ষুধা আর অনিশ্চয়তা—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারছে না। একমাত্র ছেলে বিনোদকে খুঁজে পেতে নেপালের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলের সমতলভূমি তরাই অঞ্চলের সপ্তারি জেলার বাসিন্দা তালকা। গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘরবাড়ি, সেতু, স্কুল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হওয়ার পর থেকে ১৯ বছর বয়সী বিনোদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

বন্যার এক দিন আগে ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল তালকার। প্রায় এক মাস আগে রাশুয়া জেলায় একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন বিনোদ। সেখানে সিমেন্ট মেশানোসহ বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে কাজ করা ১৭ থেকে ১৯ বছর বয়সী আরও চার তরুণও বন্যার পর নিখোঁজ রয়েছেন।

ছেলেকে হারানোর কষ্টের কথা বলতে গিয়ে তালকা বলেন, তার স্ত্রী ছেলের জন্য ভেঙে পড়েছেন। তিনিও গভীর কষ্টের মধ্যে রয়েছেন এবং কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না।

ধার করা দুই হাজার রুপি নিয়ে যাত্রা

ছেলেকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় একটি ধূসর ব্যাকপ্যাক সঙ্গে নেন তালকা। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে গায়ে জড়ান কমলা রঙের পলিথিন। পকেটে ছিল দুই হাজার নেপালি রুপিরও কম টাকা। মার্কিন মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১৩ ডলার। এই অর্থও তাকে ধার করতে হয়েছে।

তালকা জানান, প্রতি ১০০ নেপালি রুপি ধার নেওয়ার বিপরীতে তাকে ২০ রুপি সুদ দিতে হবে। সেই টাকা নিয়ে ভাইকে সঙ্গে করে সপ্তারি থেকে বাসে কাঠমান্ডু যান তিনি। প্রায় ২৯২ কিলোমিটারের এই পথ পাড়ি দিতে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে প্রায় নয় ঘণ্টা সময় লাগে।

কাঠমান্ডু পৌঁছে দুই ভাই একের পর এক হাসপাতালে খোঁজ করেন। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে অনেক আহত ও মৃত মানুষকে রাজধানীতে আনা হয়েছিল। হাসপাতালের মর্গের বাইরে থাকা ছবি দেখেও বিনোদকে শনাক্ত করতে পারেননি তারা।

উদ্ধার হওয়া অনেক মরদেহ পচে যাওয়া কিংবা খণ্ডিত অবস্থায় থাকায় শনাক্তকরণও কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু কোথাও বিনোদের নাম বা ছবি না পেয়ে হতাশ হন তারা।

দুর্গম পথে ছেলের সন্ধানে

কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের নুয়াকোটের দিকে এরপর হাঁটা শুরু করেন তালকা ও তার ভাই। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই বিনোদ যে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করতেন সেটি অবস্থিত।

ভাঙা সড়ক পেরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটার পর তারা পৌঁছান ত্রিশুলি শহরে। বন্যার ধ্বংসাবশেষ, কাদা ও পলিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শহরটির বিভিন্ন এলাকা।

তালকা জানান, আগের রাতে একটি আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য তাদের ১ হাজার ৫০০ নেপালি রুপি খরচ হয়েছে। বিনিময়ে সামান্য খাবার দেওয়া হয়েছিল। আরও এক রাত সেখানে থাকলে তাদের হাতে থাকা সব টাকা শেষ হয়ে যাবে।

মর্গ ও সেনাশিবিরে যেতে চান

তালকা ও তার ভাইয়ের দাবি, তারা শুধু মর্গ ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত সেনাশিবিরগুলোতে গিয়ে নিখোঁজদের তালিকা এবং মরদেহগুলো দেখতে চান। কিন্তু তাদের বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, মাধেসি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্য হওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তালকার পরিবার ‘মুসাহার’ সম্প্রদায়ের, যেটি তরাই অঞ্চলের একটি অত্যন্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

তালকা বলেন, তারা দরিদ্র হওয়ায় এবং মাধেসি ও বিহারি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। নেপালি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে না পারায় এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য, ছেলে জীবিত থাকুক বা না থাকুক, অন্তত তার মরদেহটি দেখার অধিকার তাদের রয়েছে।

নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পরও উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিতদের উদ্ধারে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফরিদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, আহত ১৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফরিদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, আহত ১৫

 যোগফল প্রতিবেদক:

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাংগী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গার দিকে যাচ্ছিল জে.আর পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি মহাসড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায়। আর ট্রাকটি সড়কের ওপর উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুকুরে পড়ে যাওয়া বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ওই অংশে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। সড়কের ওপর ট্রাক পড়ে থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মহাসড়কে বিপরীতমুখী যানবাহনের অসতর্ক চলাচলের কারণে এ সংঘর্ষ হতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন, অনুপস্থিত ৮-১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন, অনুপস্থিত ৮-১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

যোগফল প্রতিবেদক:

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ (খিলগাঁও-তিলপাপাড়া) আঞ্চলিক কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। পরিদর্শনে ৮ থেকে ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তিনি ওই আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের শুরুতেই কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পরিদর্শন শুরুর পর বিলম্বে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন।

এ সময় তিনি বিভিন্ন শাখার হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন। হাজিরা খাতা যাচাই করে ৮ থেকে ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। তাদের হাজিরা খাতায় তাৎক্ষণিকভাবে অনুপস্থিত হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন প্রশাসক।

অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামকে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিএসসিসি প্রশাসক। নাগরিকদের দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা এবং নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসক। এসব কার্যক্রম নিয়মিত সরেজমিনে মনিটরিং এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না। মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জেনারেল ওসমানীকে দীর্ঘদিন যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি: নাহিদ ইসলাম

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জেনারেল ওসমানীকে দীর্ঘদিন যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি: নাহিদ ইসলাম

 যোগফল প্রতিবেদক:

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ শ্রদ্ধা জানান।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী এম এ জি ওসমানী ছাত্রজীবনেই কৃতিত্বের পরিচয় দেন। পরে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে সাহসিকতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের স্বাক্ষর রাখেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রাজনৈতিক নেতৃত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে সংগঠিত হওয়ার আগেই ওসমানী স্বাধীনতা সংগ্রামের সামরিক নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন বাঙালি সামরিক কর্মকর্তারা ঐক্যবদ্ধ হন এবং মুক্তিযুদ্ধকে একটি সুসংগঠিত সামরিক কাঠামোর আওতায় পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ পরিচালনার স্বার্থে প্রবাসী রাজনৈতিক সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও ওসমানীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সমরকৌশল, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনায় তিনি অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দেন। তার নেতৃত্ব ও কৌশলের অধীনেই মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফলতা অর্জন করেন।

স্বাধীনতার পর ওসমানীর রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এম এ জি ওসমানী সংসদ ও আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এই মহানায়ককে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়নি। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার নেতৃত্ব ও সাহসিকতা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম তার পরকালীন জীবনের শান্তি কামনা করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম