খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩

সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার

যোগফল প্রতিবেদক: 

ফেসবুকে একের পর এক আপত্তিকর পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে এক নারী বিউটিশিয়ানকে মানসিকভাবে হয়রানি ও আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে মোংলায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রেজা মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪০)। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। নিজেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সাইবার হুমকি ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মোংলা পৌর শহরের সিঙ্গাপুর মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে মোংলা থানা পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

আদালতের নির্দেশে মামলা

পুলিশ জানায়, সাইবার হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার এক নারীর ভাই গত ৩০ আগস্ট বাগেরহাট আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ডের জন্য মোংলা থানাকে নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর বুধবার বিকেলে পুলিশ সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে।

মামলার অন্য দুই আসামি হলেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শেখ নাছিরুল হক সোহেল (৪০) ও মোংলা পৌর শহরের জিনিয়া আক্তার (২৯)।

ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগ

মামলার বাদী মো. আল-আমিন অভিযোগ করেন, তার বোন কাজী কেয়া মোংলা পৌরসভার কবরস্থান রোড এলাকায় ‘কেয়া ব্রাইডাল লুকস বিউটি পার্লার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধান আসামি মাসুদ রানা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দুটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কাজী কেয়াসহ মোংলার বিভিন্ন ব্যক্তি ও নারীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যসহ পোস্ট করে আসছিলেন।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, এসব পোস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানো ও ব্ল্যাকমেইল করা হতো। বিশেষ করে কাজী কেয়াকে অনৈতিক দাবি ও অর্থের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই মাসুদ রানা তার ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি থেকে কাজী কেয়ার বিরুদ্ধে একাধিক আপত্তিকর, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত স্ট্যাটাস ও ভিডিও প্রকাশ করেন। পরে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে অভিযোগ করা হয়।

একপর্যায়ে কাজী কেয়া তার শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে ঘটনার বর্ণনা দেন এবং আত্মহত্যার প্রস্তুতির কথা জানান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আরও ভুক্তভোগীর অভিযোগ

বাদীপক্ষের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নারীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে তাদের সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। মোংলা পৌর শহর ও উপজেলার আরও অনেক নারী-পুরুষ একই ধরনের সাইবার হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে রেজা মাসুদ গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন এলাকায় কথিত ভুক্তভোগীদের মিষ্টি বিতরণ ও স্বস্তি প্রকাশের খবর পাওয়া গেছে।

রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেজা মাসুদ নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। পরে মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিকের সঙ্গে পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ককে প্রভাব বিস্তারের কাজে ব্যবহার করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও নারীর বিরুদ্ধে পোস্ট করা, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পরে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেজা মাসুদ বা তার পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার রেজা মাসুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা ব্যক্তিকে সাইবার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ রয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভুয়া সনদে আসামির জামিন: গাইবান্ধায় আইনজীবী, মহুরী ও পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভুয়া সনদে আসামির জামিন: গাইবান্ধায় আইনজীবী, মহুরী ও পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

 যোগফল প্রতিবেদক:

গাইবান্ধায় প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের শিশু সাজিয়ে জাল জন্মসনদ ও অন্যান্য কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে জামিন করানো, আদালতের অর্ডার শিটে কাটাকাটি এবং নথি গায়েবের অভিযোগে এক আইনজীবী, তার মহুরী ও পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার গাইবান্ধা শিশু আদালত-২-এর বিচারক ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের আদেশ গোবিন্দগঞ্জ থানায় পৌঁছালে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলায় পলাশ রানা, সুমন মিয়া, শামীম চৌধুরী ও এনামুল হক নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে এনামুল হক প্রাপ্তবয়স্ক ও বিবাহিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আসামিদের স্বজনরা কারামুক্তির বিষয়ে জেলা বারের আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের পরামর্শ নেন। পরে অর্থের বিনিময়ে এনামুল হকসহ প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের শিশু হিসেবে প্রমাণ করতে জাল জন্মসনদ ও অন্যান্য কাগজপত্র তৈরি করা হয়।

তদন্তে বলা হয়েছে, তিনটি মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের শিশু দেখিয়ে জামিন নেওয়া হয়। একই সঙ্গে আদালতের নথি গায়েব এবং অর্ডার শিটে কাটাকাটি করার অভিযোগও ওঠে আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কাজে তার মহুরী হাসান আলী এবং গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের তৎকালীন জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুর সহযোগিতা করেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে আইনজীবী সারোয়ার হোসেন, মোত্তালিব হোসেনসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিনপ্রাপ্ত আসামিদের জামিন বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করেন। পরে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব পান গোবিন্দগঞ্জ আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম গালিব হাসান। তিনি গত ১৯ আগস্ট গাইবান্ধা শিশু আদালত-২-এ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের সনদ বাতিল, তার মহুরী হাসান আলীর নিবন্ধনপত্র বাতিল এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তৎকালীন জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদনে এমন ঘটনাকে দেশের সামগ্রিক বিচার বিভাগের জন্য একটি ‘কালো অধ্যায়’ বলেও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর গাইবান্ধা শিশু আদালত-২-এর বিচারক মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারীকে বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করতে বলা হয়।

বৃহস্পতিবার আদালতের আদেশ পাওয়ার পর অভিযুক্ত আইনজীবী, মহুরী ও পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানা।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৪১ ব্যাংকের সিএসআর তহবিলের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৪১ ব্যাংকের সিএসআর তহবিলের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

যোগফল প্রতিবেদক: 

৪১টি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর নামে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন।

যেভাবে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ

দুদকের এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুকূলে সংগ্রহ করেন। এতে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এজাহারে আরও বলা হয়, ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২-এর আওতায় গঠিত ওই ট্রাস্টের সভাপতি ছিলেন শেখ হাসিনা এবং সহসভাপতি ছিলেন শেখ রেহানা।

দুদকের অনুসন্ধানে ৪১টি তফসিলি ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভায় নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকলেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় ট্রাস্টকে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব তোলেন।

পরে নির্বাহী কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কোন ব্যাংক কত টাকা দেবে, তা উল্লেখ করে ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়। এরপর ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে দুদকের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিএসআর নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআরবিষয়ক নীতিমালায় এ ধরনের ট্রাস্টকে অনুদান দেওয়ার কোনো বিধান নেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৮ সালের ১ জুনের ডিওএস সার্কুলার এবং ২০২২ সালে প্রকাশিত ‘পলিসি গাইডলাইন অন করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ফর ব্যাংকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস’-এর নীতিমালার কথা উল্লেখ করেছে দুদক।

দুদকের দাবি, সরেজমিন পরিদর্শনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ঠিকানায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাস্টের প্রতিশ্রুত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রমাণও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দুদক।

তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ

দুদকের অভিযোগ, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ‘ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে’ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলে বিএবির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন।

অন্যদিকে নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএবির সভাপতি থাকার সময় তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব ব্যবহার করে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখেন।

সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টে এভাবে অনুদান দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে’ ব্যাংকগুলোকে অর্থ দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক।

যে ধারায় মামলা

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাবনায় নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাবনায় নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

 যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনা সদর উপজেলার তাঁতী সমবায় মার্কেট ও এ আর কর্ণার এলাকায় নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ বিক্রির জন্য প্রদর্শন ও মজুদ রাখায় দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৯৮ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির জন্য প্রদর্শন ও মজুদ রাখার দায়ে দি নিউ রকমারী স্টোরশিমুল স্টোরকে মোট ৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসন, পাবনার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত তাসনিম বর্ষা। প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী।

অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার, বিক্রি ও মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম