খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বন্দরে তিন কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দরে তিন কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ

 যোগফল প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের ফেব্রিক্সভর্তি একটি কনটেইনারের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। ৪০ ফুট লম্বা ওই কনটেইনারে ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স ছিল। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিভিন্নভাবে খোঁজ করেও কনটেইনারটির সন্ধান না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কনটেইনারটির খোঁজ না পাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেটের মালিক মো. হাফিজুর রহমান। তার দাবি, কাস্টমস ও বন্দরের যাবতীয় চার্জ পরিশোধের পর কনটেইনারটি ডেলিভারি নিতে গেলে সেটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

মো. হাফিজুর রহমান জানান, কনটেইনারে থাকা কাপড় শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের কাঁচামাল। এসব পণ্য নির্ধারিত সময়ে না পাওয়ায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গোল্ড স্টার গার্মেন্টস সমস্যায় পড়েছে। সময়মতো রপ্তানি পণ্য বায়ারের কাছে পৌঁছাতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঢাকার সাভারের গোল্ড স্টার গার্মেন্টসের নামে আমদানি করা এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭ নম্বরের কনটেইনারটি ‘এমভি এমসিসি ডানাং’ জাহাজে করে গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-২ বার্থে আসে। পরে ২২ আগস্ট আমদানিকারকের পক্ষে এসআরএস সিন্ডিকেট কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভারে পণ্য খালাসের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।

এরপর কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের রাজস্ব পরিশোধ করা হয়। গত ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাসের জন্য গেলে সেটি কিপ ডাউন অবস্থায় রয়েছে বলে জানানো হয় এবং ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ সময় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে কনটেইনারটি খুঁজে বের করতে বলা হয়।

পরে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানটি ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্নভাবে খোঁজ করেও কনটেইনারটির সন্ধান পায়নি। এতে আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্সসহ ৪০ ফুটের একটি কনটেইনারের খোঁজ না পাওয়ার বিষয়ে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন: শিক্ষামন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন: শিক্ষামন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক: 

শিক্ষকদের ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান নিশ্চিত করতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ ধারণাটি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে কর্মসূচিটির এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন ও অর্থায়ন হয়নি। তাই ট্যাব বিতরণের কোনো নির্দিষ্ট তারিখও নির্ধারণ করা হয়নি।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের শিক্ষায় প্রস্তাবিত এ উদ্যোগটি মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ‘শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা কর্মসূচি’, প্রস্তাবিত ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও স্মার্ট লার্নিং পরিবেশ’ প্রকল্প এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ‘নেক্সটজেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মসূচিসহ’ প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ট্যাব দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। প্রস্তাবিত পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রাথমিক পর্যায়ে ট্যাব কেনা ও বিতরণ শুরু হতে পারে।

তিনি জানান, ডিজিটাল ডিভাইসের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ‘লাইস’ প্রকল্পের আওতায় ৫৯ হাজার ১৭০ জন শিক্ষককে ব্লেন্ডেড লার্নিং প্রশিক্ষণ এবং ২৯ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৫ লাখ ২১ হাজার ১১২ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

প্রস্তাবিত নেক্সটজেন কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসককে দেশে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ১৩১ জনকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আগে কয়েকটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকের সংখ্যা ও প্রয়োজন নিরূপণ, ডিভাইসের কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুত, ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যবহারকারী প্রশিক্ষণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা এবং ডিভাইসের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা কর্মসূচির অনুমোদন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে পাইলট ভিত্তিতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, এসব পূর্বশর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব নয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মাদ্রাসায় শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ‘মাথা গরম ছুটি’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদ্রাসায় শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ‘মাথা গরম ছুটি’

 যোগফল প্রতিবেদক:

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন থেকে সুরক্ষা এবং শিক্ষকদের মানসিক চাপ কমাতে ব্যতিক্রমী ‘মাথা গরম ছুটি’র ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বগুড়ার মাদ্রাসাতুল মদিনার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মনোয়ার হোসেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ পরামর্শ দেন। সেখানে একটি মাদ্রাসার মুহতামিমের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি জানান, ওই প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত ছুটির পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য ‘মাথা গরম ছুটি’ রাখার কথা বলা হয়েছে। কোনো শিক্ষক নিজেকে উত্তেজিত বা খিটখিটে মনে করলে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ছুটি নিয়ে বাড়ি গিয়ে মানসিকভাবে স্বস্তি নিয়ে ফেরার সুযোগ পাবেন।

পোস্টে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন মুফতি মনোয়ার। তিনি জানান, ওই মুহতামিম শিক্ষার্থীর সঙ্গে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক আচরণ না করার বিষয়ে শিক্ষকদের সতর্ক করেছেন।

দেশের সব মাদ্রাসার মুহতামিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মুফতি মনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষকদের জন্য ‘মাথা গরম ছুটি’ রাখা যেতে পারে। প্রয়োজনে তাদের যাতায়াতের খরচও দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তার মতে, মানুষের মানসিক চাপ কমানোর বৈধ ব্যবস্থা করা গুরুত্বপূর্ণ একটি ভালো কাজ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সোয়াগাজী উত্তর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেডসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এসব স্থাপনার মধ্যে মুদি দোকান, ফার্নিচারের দোকান, ওয়ার্কশপ, মনিহারি দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়কের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় দীর্ঘদিন ধরে সোয়াগাজী উত্তর বাজার এলাকায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। ব্যস্ত সময়ে সড়কের দুই পাশে দোকানপাট বসায় যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হতো। এতে ভোগান্তিতে পড়তেন পরিবহন চালক, পথচারী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ অভিযান চালিয়ে এলাকাটি দখলমুক্ত করেছিল। তবে কিছুদিন পর আবারও একই জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। এবার একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক স্থাপনা উচ্ছেদ করায় সড়ক ও ফুটপাত অনেকটাই দখলমুক্ত হয়েছে।

তবে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, দোকানের মালামাল ও ব্যবসায়িক সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাননি তারা। এতে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

ব্যবসায়ী মুখলেছুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব স্থাপনায় ব্যবসা করে আসছিলেন। উচ্ছেদের কথা জানলেও মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। ফলে দোকান ভাঙার সময় অনেক মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলে বাজার এলাকায় যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ কমবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আদনান ইবনে হাসান বলেন, মহাসড়কের জায়গা দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। জনস্বার্থে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একাধিকবার মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী স্থাপনা না সরানোয় শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় বলেন, দখলদারদের আগে থেকেই মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছিল। স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা না মানায় আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম