খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে দুজনের মৃত্যু, চিকিৎসাধীন আছে ১ জন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে দুজনের মৃত্যু, চিকিৎসাধীন আছে ১ জন

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিষাক্ত মদপানে অসুস্থ হয়ে কৃষ্ণ বাড়ৈ (৩৫) ও মনোতোষ হালদার (৩৮) নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অনিল বাড়ৈ নামে আরও এক যুবক ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত শনিবার ( ২৪ অক্টোবর) ও রোববার (২৫ অক্টোবর) উপজেলার দিঘলীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত কৃষ্ণ বাড়ৈ কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের দিঘলীয়া গ্রামের গেদু বাড়ৈর ছেলে। অপরজন নিহত মনোতোষ হালদার একই গ্রামের মহেন্দ্র হালদারের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ষষ্ঠী পূজার দিন রাতে দিঘলীয়া গ্রামের মনোতোষ হালদার, কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈ ও অনিল বাড়ৈ মিলে মদ্যপান করে। মদ্য পান করার পরে রাতে ওই তিন যুবক অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকার লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই তিন যুবকের শারীরিক অবস্থার অনবতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।পরবর্তীতে ঢাকার পপু লার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  শনিবার ( ২৪ অক্টোবর) মনোতোষ হালদার ও রোববার (২৫ অক্টোবর)  সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈ মারা যায়।

 কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈর ভাই বিষ্ণু বাড়ৈ বলেন, দূর্গাপূজা উপলক্ষে আমার ভাই কৃষ্ণান্তসহ তিনজন ডেকোরেটরের কাজ করতে পাশের গ্রাম খাগবাড়ি যায়। সেখানে গিয়ে কয়েকজনে মিলে মদ্যপান করে। মদ্যপানে কয়েক ঘন্টা পর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। এ ব্যাপারে আমরা থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করিনি। 

মনোতোষ হালদারের ভাই উত্তম হালদার বলেন, আমার ভাই মনোতোষ হালদার পূজায় ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে পানি জাতীয় কিছু খেয়েছিল। যার কারনে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।এরপরে এখানে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করি। গত শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় পপুলার হাসপাতালে সে মারা যায়। 

রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভিম চরণ বাগচী বলেন, দুর্গাপূজার সময় সমবয়সী চার-পাঁচজন তরুণ তরল জাতীয় কিছু একটা পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রিয়াদ মাহামুদ বলেন, ঘটনাটি আমাদের কেউ জানায়নি। আমরাও এ বিষয়ে অবগত নই। কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে জাতীয় নাগরিক পার্টি‘র সদর উপজেলার উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে জাতীয় নাগরিক পার্টি‘র সদর উপজেলার   উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

ছবি মোঃ হাসান মাহমুদ জয়

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় ।। কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন ও রোগমুক্ত রাখতে এক বিশাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP), কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখা।

সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই কার্যক্রমে হাসপাতালের চারপাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় এবং মশা-মাছি নিধনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা আহ্বায়ক  শাজাহান আলি সুমন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলার সদস্য সচিব।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—মেরিনা পারভীন: সদস্য সচিব, নারী শক্তি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।
আসাদুজ্জামান সরকার: মিডিয়া সেল, জাতীয় নাগরিক পার্টি।
মমিনুল হক মামুন: সাংগঠনিক সম্পাদক  , NCP কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখা।
জাহিদ হাসান: আহ্বায়ক, জাতীয় ছাত্র শক্তি, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।
ইয়াকুব আলী আইয়ুব,  সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা। টিম লিডার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
 এছাড়া NCP-এর বিভিন্ন আহ্বায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ, নারী শক্তির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে শাজাহান আলি সুমন বলেন, "আমরা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করলাম। আমি চাই, আমাদের এই কর্মসূচি যেন চলমান থাকে এবং সব রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো দেশের স্বার্থে এ ধরনেরকাজে এগিয়ে আসে।"

তিনি কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিক মোজাহিদ ২৬-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "মাননীয় এমপি মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হাসপাতালের শৃঙ্খলা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তাঁর মাধ্যমেই দৈনিক ১০০০ টাকা মজুরিতে ৬ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিশু বিভাগে নতুন ডাক্তার যোগদান করেছেন এবং আরও ৫ জন চিকিৎসককে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"

নারী শক্তির সদস্য সচিব মেরিনা পারভীন তাঁর বক্তব্যে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন, "এই পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চলমান রাখতে হবে। হাসপাতালকে নোংরা করা এক অর্থে সাধারণ জনগণের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আমরা নিজেরা যদি সচেতন না হই এবং হাসপাতালকে পরিষ্কার না রাখি, তবে শুধু অভিযান চালিয়ে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না। তাই সবার আগে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।"

অনুষ্ঠানে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ ন ম গোলাম মোহাইমেন সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন। স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ ও জনসচেতনতা অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের সেবা আরও উন্নত হবে এবং রোগীরা উপকৃত হবেন।

বাউফলে খালে মিলল অজ্ঞাত মরদেহ, নিখোঁজ বাবাকে দাবি করে মেয়ের হত্যা মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউফলে খালে মিলল অজ্ঞাত মরদেহ, নিখোঁজ বাবাকে দাবি করে মেয়ের হত্যা মামলা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর বাউফলে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহকে নিখোঁজ বাবা আলম গাজীর (৫৫) দাবি করে হত্যা মামলা করেছেন তাঁর বড় মেয়ে রিপা বেগম (৩২)। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাউফল থানায় মামলাটি করেন রিপা বেগম। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল পৌর শহরের বাংলাবাজার জামে মসজিদসংলগ্ন আলোকি খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর বাউফলে ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগমের বাসা থেকে নিখোঁজ হন আলম গাজী। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। আলম গাজীর তিন স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী পিয়ারা বেগম বাউফল পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী কমলা বেগম গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া গ্রামে থাকেন। ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগম থাকেন বাউফলের দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আলম গাজী ছোট স্ত্রীর সঙ্গেই থাকতেন।

রোববার কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের লুঙ্গি ও টি-শার্ট দেখে সেগুলো নিখোঁজ আলম গাজীর বলে দাবি করেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ও চার সন্তান। পরে তাঁর বড় মেয়ে রিপা বেগম হত্যা মামলা করেন।

কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মনিরুজ্জামান সরদার বলেন, মরদেহটির সঙ্গে প্রায় ১৭টি ইটভর্তি একটি প্লাস্টিকের বস্তা বাঁধা ছিল। মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে এভাবে খালে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে মরদেহটি পটুয়াখালী সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মরদেহটি নিখোঁজ আলম গাজীর কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। আলামত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামি কবির হোসেনকে (৬০) কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার সদর থানার কলাতলী বিচ এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার কবির হোসেন আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর এলাকার মৃত মোমতাজ উদ্দিনের ছেলে।

এসআরবি-১১-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় হামলার শিকার হন আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জহির ফকির।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার রাতে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন জহির ফকির। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় কবির হোসেনকে তিন নম্বর আসামি করা হয়েছে।

এসআরবি জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মামলার আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কবির হোসেনের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর সোমবার সকালে এসআরবি-১১ ও এসআরবি-১৫-এর যৌথ দল কক্সবাজারের কলাতলী বিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পরে গ্রেপ্তার কবির হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনারগাঁ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম