খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১ কার্তিক, ১৪৩৩

মান সনদ ছাড়াই ঘি উৎপাদন, পাবনায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মান সনদ ছাড়াই ঘি উৎপাদন, পাবনায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ছবি যোগফল

পাবনা প্রতিনিধি : যোগফল অনলাইন 

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া ঘি উৎপাদন ও বাজারজাত করার দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ভেজাল মিশ্রিত, ফ্যাটবিহীন ও অতিরিক্ত ময়দাযুক্ত ১০০ কেজি ছানা নষ্ট করা হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলার ডেমরা এলাকায় বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, পাবনা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো নবীর ট্রেডার্স ও ভাই ভাই ফুড প্রোডাক্টস। বিএসটিআইয়ের মান সনদ গ্রহণ না করে ঘি উৎপাদন ও বাজারজাত করায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ২১ ও ২৯ ধারায় পৃথকভাবে ৬০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ফরিদপুর উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানা।

অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার রকিবুল হাসান রিপন ও পরিদর্শক মো. ইউনুছ আলী। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আলহাজ উদ্দিন উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।

পাইকগাছায় অসময়ের তরমুজ চাষে কৃষকের সাফল্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় অসময়ের তরমুজ চাষে কৃষকের সাফল্য

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম. জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 

লবণাক্ততার প্রতিকূলতা জয় করে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নে ঘেরের ভেড়িতে অফ-সিজন বা অসময়ের তরমুজ চাষে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। একসময় অনাবাদি পড়ে থাকা ঘেরের উঁচু আইল কাজে লাগিয়ে তরমুজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা। উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় চলতি মৌসুমে ইউনিয়নটিতে প্রায় ১২৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোলাদানা ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বছরের দীর্ঘ সময় লবণাক্ত পানির উপস্থিতি থাকায় প্রচলিত পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন কঠিন। এ পরিস্থিতিতে ঘেরের উঁচু ভেড়ি ও আইল ব্যবহার করে অসময়ের তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকেরা। গত বছর ইউনিয়নটিতে প্রায় ৪০ বিঘা জমিতে এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল। চলতি মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২৫ বিঘায়।

ইতোমধ্যে ইউনিয়নের ছালুবুনিয়া, খালিয়াচক, টেংরামারী (মাস্টারপাড়া), নায়েবখালী, পূর্ব দীঘা, দক্ষিণ কাইনমুখী ও বেতবুনিয়া গ্রামের মাঠে মাঠে তরমুজগাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। ঘেরের উঁচু আইলে বাঁশের মাচা তৈরি করে তাতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তরমুজের সবুজ লতা। তরমুজের পাশাপাশি চাষ হচ্ছে পুঁইশাক, শসা, মিষ্টিকুমড়া ও উচ্ছে। এতে একই জমি কাজে লাগিয়ে একাধিক ফসল উৎপাদন এবং বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের সাফল্য দেখে এ চাষে আগ্রহ বাড়ছে অন্যদেরও। ছালুবুনিয়া গ্রামের কৃষক চিরঞ্জীব ঢালী, হিমাদ্রি ঢালী, অভিজিৎ ও কাকুলী রায়সহ অনেকে এ চাষে যুক্ত হয়েছেন। কৃষক হিমাদ্রি ঢালী জানান, দুই বছর আগে তিনি পরীক্ষামূলকভাবে এক বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন। ওই পরিমাণ জমিতে তাঁর খরচ হয়েছিল ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। পরে উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করে বিঘাপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। তাঁর এ সাফল্য এলাকার অন্য কৃষকদেরও তরমুজ চাষে উৎসাহিত করেছে।

অপরদিকে খালিয়াচক গ্রামের গোলক মণ্ডল ও দিলীপ কুমার মণ্ডলসহ অনেক কৃষক এখন বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ করছেন। তরমুজের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করে কোনো কোনো কৃষক লাখ লাখ টাকা আয়ের প্রত্যাশা করছেন।

সোলাদানা ইউনিয়নের আমুরকাটা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ তোফায়েল আহমেদ তুহিন বলেন, “সাধারণ মৌসুমের তুলনায় অফ-সিজনে তরমুজ চাষে উৎপাদন খরচ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম। ঘেরের ভেড়ি উঁচু করে এবং মিষ্টি পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এ চাষ করা হচ্ছে। এতে একদিকে অনাবাদি জমির ব্যবহার বাড়ছে, অন্যদিকে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, বিসিআরএল প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে তরমুজের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন বলেন, “উপকূলীয় প্রতিকূল আবহাওয়া ও লবণাক্ততার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ঘেরের ভেড়িতে অফ-সিজন তরমুজ চাষ কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। স্বাভাবিক মৌসুমের তুলনায় অসময়ের তরমুজের বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি পাওয়া যায়। কৃষকদের কারিগরি পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও সার্বিক সহযোগিতা দিতে কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘেরের অনাবাদি ভেড়িতে অফ-সিজন তরমুজ ও বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ উপকূলীয় কৃষিতে বৈচিত্র্য আনছে। লবণাক্ততাপ্রবণ এলাকায় জমির কার্যকর ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি এবং স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে জাতীয় নাগরিক পার্টি‘র সদর উপজেলার উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে জাতীয় নাগরিক পার্টি‘র সদর উপজেলার   উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

ছবি মোঃ হাসান মাহমুদ জয়

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় ।। কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন ও রোগমুক্ত রাখতে এক বিশাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP), কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখা।

সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই কার্যক্রমে হাসপাতালের চারপাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় এবং মশা-মাছি নিধনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা আহ্বায়ক  শাজাহান আলি সুমন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলার সদস্য সচিব।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—মেরিনা পারভীন: সদস্য সচিব, নারী শক্তি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।
আসাদুজ্জামান সরকার: মিডিয়া সেল, জাতীয় নাগরিক পার্টি।
মমিনুল হক মামুন: সাংগঠনিক সম্পাদক  , NCP কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখা।
জাহিদ হাসান: আহ্বায়ক, জাতীয় ছাত্র শক্তি, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।
ইয়াকুব আলী আইয়ুব,  সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা। টিম লিডার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
 এছাড়া NCP-এর বিভিন্ন আহ্বায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ, নারী শক্তির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে শাজাহান আলি সুমন বলেন, "আমরা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করলাম। আমি চাই, আমাদের এই কর্মসূচি যেন চলমান থাকে এবং সব রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো দেশের স্বার্থে এ ধরনেরকাজে এগিয়ে আসে।"

তিনি কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিক মোজাহিদ ২৬-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "মাননীয় এমপি মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হাসপাতালের শৃঙ্খলা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তাঁর মাধ্যমেই দৈনিক ১০০০ টাকা মজুরিতে ৬ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিশু বিভাগে নতুন ডাক্তার যোগদান করেছেন এবং আরও ৫ জন চিকিৎসককে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"

নারী শক্তির সদস্য সচিব মেরিনা পারভীন তাঁর বক্তব্যে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন, "এই পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চলমান রাখতে হবে। হাসপাতালকে নোংরা করা এক অর্থে সাধারণ জনগণের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আমরা নিজেরা যদি সচেতন না হই এবং হাসপাতালকে পরিষ্কার না রাখি, তবে শুধু অভিযান চালিয়ে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না। তাই সবার আগে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।"

অনুষ্ঠানে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ ন ম গোলাম মোহাইমেন সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন। স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল মনে করছেন, এই ধরণের উদ্যোগ ও জনসচেতনতা অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের সেবা আরও উন্নত হবে এবং রোগীরা উপকৃত হবেন।

বাউফলে খালে মিলল অজ্ঞাত মরদেহ, নিখোঁজ বাবাকে দাবি করে মেয়ের হত্যা মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউফলে খালে মিলল অজ্ঞাত মরদেহ, নিখোঁজ বাবাকে দাবি করে মেয়ের হত্যা মামলা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর বাউফলে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহকে নিখোঁজ বাবা আলম গাজীর (৫৫) দাবি করে হত্যা মামলা করেছেন তাঁর বড় মেয়ে রিপা বেগম (৩২)। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাউফল থানায় মামলাটি করেন রিপা বেগম। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাউফল পৌর শহরের বাংলাবাজার জামে মসজিদসংলগ্ন আলোকি খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর বাউফলে ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগমের বাসা থেকে নিখোঁজ হন আলম গাজী। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। আলম গাজীর তিন স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী পিয়ারা বেগম বাউফল পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী কমলা বেগম গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া গ্রামে থাকেন। ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগম থাকেন বাউফলের দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আলম গাজী ছোট স্ত্রীর সঙ্গেই থাকতেন।

রোববার কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের লুঙ্গি ও টি-শার্ট দেখে সেগুলো নিখোঁজ আলম গাজীর বলে দাবি করেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ও চার সন্তান। পরে তাঁর বড় মেয়ে রিপা বেগম হত্যা মামলা করেন।

কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মনিরুজ্জামান সরদার বলেন, মরদেহটির সঙ্গে প্রায় ১৭টি ইটভর্তি একটি প্লাস্টিকের বস্তা বাঁধা ছিল। মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে এভাবে খালে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে মরদেহটি পটুয়াখালী সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মরদেহটি নিখোঁজ আলম গাজীর কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। আলামত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম