খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

‘প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন’: জামায়াত আমির

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন’: জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন।’

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। ইশরাকের পদত্যাগের বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্তের অংশ কি না, এমন প্রসঙ্গে প্রথমে তিনি বলেন, এটি তাদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ওই মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের অস্ত্র হাতে নেওয়ার বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মাদক সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ইশরাকের যা করা দরকার ছিল, তিনি তা করেছেন। ওই অভিযানে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

তবে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ইশরাকের কাজকে সরাসরি নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই। কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি বা প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র বহন করলে কিংবা কাউকে অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্য করলে, তাঁর উদ্দেশ্য ভালো হলেও অন্যরা সেটিকে খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দৃষ্টান্ত হিসেবে নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোনো কাজের উদ্দেশ্য ভালো হলেই সব ক্ষেত্রে সেই কাজের পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। এ ধরনের বিষয় নাগরিক আচরণের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মাদক নির্মূলে দলের অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস হয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং মাদক নির্মূল করা। এ জন্য আইন প্রণয়নের পাশাপাশি মাদকের বিস্তার রোধে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

জামায়াতের সম্মেলনে নানা বক্তব্য

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে নগরের খুলশী থানার জিইসি কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে প্রাক্তন সাথী ও সদস্য সম্মেলন-২০২৬ শুরু হয়। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান।

সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা, কক্সবাজার ও রাঙামাটি জেলার জামায়াত এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের আনুমানিক দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীর সাথী-সদস্যদের আমৃত্যু সংগঠনের কর্মী হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনের সূচনা হলেও তা এখনো যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মাত্রায় জুলুম-নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। অপবাদ দিয়ে দলটির শীর্ষস্থানীয় ১২ জন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ফ্যাসিবাদী আমলে অসংখ্য নারী-পুরুষকে জীবন দিতে হয়েছে এবং অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বলে উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।

গত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও বৃহত্তর স্বার্থে তা মেনে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতেও একই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে।

জান্নাতের টিকিট বিক্রির অভিযোগ নাকচ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেন।

ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য জুলাইয়ে রক্ত দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ লুটতরাজ, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। ভবিষ্যতে প্রতিটি অপরাধের হিসাব দিতে হবে এবং জবাবদিহি করতে হবে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, একটি আদর্শিক সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সবাইকে সংঘবদ্ধ জীবনযাপন করতে হবে। যতক্ষণ নিঃশ্বাস থাকবে, ততক্ষণ ইসলামী আন্দোলনের পথে অবিচল থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ ও মুহাম্মদ শাহজাহান, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

এ ছাড়া জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সাবেক চাকসু ভিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদসহ সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

সম্মেলন শেষে দুপুর ১টা ২০ মিনিটে নগরের চকবাজার এলাকার হোটেল পেনিনসুলায় যান জামায়াত আমির। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে চাকসু নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে তাঁর ঢাকার উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছাড়ার কথা ছিল।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পবার বাড়ির ছাদে কৃষকের মরদেহ, গলাসহ শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পবার বাড়ির ছাদে কৃষকের মরদেহ, গলাসহ শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহীর পবা উপজেলায় আবুল কালাম আজাদ (৪৫) নামে এক কৃষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মধুসূদনপুর মধ্যপাড়া এলাকার নিজ বাড়ির ছাদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন কালবেলাকে বলেন, আবুল কালাম আজাদের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে শুধু নিহতের স্ত্রী ছিলেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছেন না। কারা, কী কারণে এবং কীভাবে তাঁকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস, জ্বলছে আগুন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস, জ্বলছে আগুন

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় একটি সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস। গ্যাস বা ম্যাচ লাইট ধরিয়ে দিলেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠছে আগুন। এই সাবমারসিবল পাম্পটিকে নিয়ে এলাকার মানুষদের মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।তারা বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে এটি পরীক্ষা করার দাবী জানিয়েছেন। 

সরেজমিনে জানাগেছে , উপজেলার বান্ধবাড়ি ইউনিয়নের ভাসাই বাজারে বিভিন্ন মাছের গাড়িতে পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য কামরুল শেখ নামে এক হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী এক বছর আগে একটি সাবমারসিবল পাম্প বসান।
গত এক সপ্তাহ ধরে সাবমারসিবল পাম্পটিতে পানি কম ওঠায় কৌতুহলবশত কামরুল শেখ বুধবার দিবাগত রাতে (২৮ অক্টোবর) পাইপের মাথায় গ্যাস লাইট ধরিয়ে দিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।এ ঘটনা চারিদিক ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা কামরুল শেখের দোকানের সামনে এসে ভিড় জমাতে থাকেন। 

আজ বৃহস্পতিবার ভাসাই বাজারে কামরুলের দোকানের সামনে গিয়ে উৎসুক মানুষদের  ভিড় দেখা গেছে।তাদের অনুরোধে কামরুল শেখকে মাঝে মাঝেই সাবমারসিবল পাম্পটি চালিয়ে গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেখাতে হচ্ছে। 

উৎসুক এসব মানুষ দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষজ্ঞ টিম এনে এটি পরীক্ষা করে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন। 

হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী কামরুল শেখ ভাসাই বাজার এলাকার রব শেখের ছেলে। 

তিনি বলেন,বিভিন্ন মাছের গাড়িতে পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য গত এক বছর আগে ২৮০ ফুট গভীরের এই সাপমারসিবল পাম্পটি আমি বসিয়েছি। গত এক সপ্তাহ ধরে পানি খুব কম ওঠায় গতকাল বুধবার রাতে আমি পাম্পটির পাইপের মাথায় গ্যাস লাইট ধরিয়ে দিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার উৎসুক মানুষ জন আমার দোকানের সামনে এসে ভিড় জমান।

এলাকার স্থানীয় লোকজন বলেন, রাতে খবর পেয়ে আমরা সকালে এখানে দেখতে এসেছি। এসে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। আমরা চাই একটি বিশেষজ্ঞ টিম এসে এটি পরীক্ষা করে দেখুক। সত্যিই এখানে মাটির নিচে গ্যাস আছে কিনা। সত্যিই এখানে যদি গ্যাস পাওয়া যায় তাহলে সেটি আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন বলেন , বিষয়টি আমি জানার পরে ওই এলাকার তহশীলদেরকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম।তার তথ্যানুযায়ী প্রাথমিকভাবে আমি এটির সত্যতা পেয়েছি।আগামী দিন শুক্রবার আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

ছবি যোগফল

আমির হোসেন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর–পাতারগাঁও খেয়াঘাটে পারাপারের নামে টাকা আদায় সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

উপজেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের ফলে খেয়াঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী জানান, বুধবার থেকে পাতারগাঁও খেয়াঘাটে খেয়া পারাপারের নামে টাকা আদায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর। তবে প্রশাসনের এ নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে খেয়াঘাটে টাকা আদায় স্থায়ীভাবে বন্ধ থাকবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন।

তবে ঘোষণার পর খেয়াঘাটে টাকা আদায় পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।