খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পাইকগাছা এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এডিপি) কার্যক্রমের গুণগত মান পর্যালোচনা ও স্ব-মূল্যায়নবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পাইকগাছা মডেল মসজিদের হলরুমে ‘প্রোগ্রাম কোয়ালিটি অ্যান্ড সেলফ রিভিউ টুলস ওয়ার্কশপ-২০২৬’ শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের খুলনা এরিয়া কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার লিটন মন্ডল, লাইভলিহুড স্পেশালিস্ট বিশ্বজিৎ সাহা, হেলথ স্পেশালিস্ট এস কে রায়হান রিদওয়ান কাবির, পাইকগাছা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম. জালাল উদ্দীন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের এরিয়া ম্যানেজার বিপ্লব ইসাহাক সরদার, প্রোগ্রাম অফিসার শিল্পী রায়, স্পন্সরশিপ অফিসার দিপল বিশ্বাস, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নিউটন গোমেজ, প্রোগ্রাম অফিসার পলাশ হিউবার্ট বিশ্বাস, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মার্সিয়া জোয়ানা হালদার ও রিনি ম্যাগদালিনা পারইসহ সংস্থাটির অন্যান্য কর্মকর্তা।

কর্মশালায় পাইকগাছা এডিপির আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কার্যক্রমের গুণগত মান পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি স্ব-মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে চলমান কর্মসূচির অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পরিকল্পনা, কর্মসূচির কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন উদ্যোগকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের কর্মশালা উন্নয়ন কার্যক্রমের মানোন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কর্মসূচির বাস্তব অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, নিবন্ধিত শিশু ও তাদের অভিভাবক, শিশু ফোরাম ও যুব ফোরামের সদস্য, ভিডিএস প্রতিনিধি, আরসি সদস্যসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

পবার বাড়ির ছাদে কৃষকের মরদেহ, গলাসহ শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পবার বাড়ির ছাদে কৃষকের মরদেহ, গলাসহ শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহীর পবা উপজেলায় আবুল কালাম আজাদ (৪৫) নামে এক কৃষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মধুসূদনপুর মধ্যপাড়া এলাকার নিজ বাড়ির ছাদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন কালবেলাকে বলেন, আবুল কালাম আজাদের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে শুধু নিহতের স্ত্রী ছিলেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছেন না। কারা, কী কারণে এবং কীভাবে তাঁকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস, জ্বলছে আগুন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস, জ্বলছে আগুন

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় একটি সাবমারসিবল পাম্পের পানির সাথে বের হচ্ছে গ্যাস। গ্যাস বা ম্যাচ লাইট ধরিয়ে দিলেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠছে আগুন। এই সাবমারসিবল পাম্পটিকে নিয়ে এলাকার মানুষদের মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।তারা বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে এটি পরীক্ষা করার দাবী জানিয়েছেন। 

সরেজমিনে জানাগেছে , উপজেলার বান্ধবাড়ি ইউনিয়নের ভাসাই বাজারে বিভিন্ন মাছের গাড়িতে পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য কামরুল শেখ নামে এক হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী এক বছর আগে একটি সাবমারসিবল পাম্প বসান।
গত এক সপ্তাহ ধরে সাবমারসিবল পাম্পটিতে পানি কম ওঠায় কৌতুহলবশত কামরুল শেখ বুধবার দিবাগত রাতে (২৮ অক্টোবর) পাইপের মাথায় গ্যাস লাইট ধরিয়ে দিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।এ ঘটনা চারিদিক ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা কামরুল শেখের দোকানের সামনে এসে ভিড় জমাতে থাকেন। 

আজ বৃহস্পতিবার ভাসাই বাজারে কামরুলের দোকানের সামনে গিয়ে উৎসুক মানুষদের  ভিড় দেখা গেছে।তাদের অনুরোধে কামরুল শেখকে মাঝে মাঝেই সাবমারসিবল পাম্পটি চালিয়ে গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেখাতে হচ্ছে। 

উৎসুক এসব মানুষ দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষজ্ঞ টিম এনে এটি পরীক্ষা করে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন। 

হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী কামরুল শেখ ভাসাই বাজার এলাকার রব শেখের ছেলে। 

তিনি বলেন,বিভিন্ন মাছের গাড়িতে পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য গত এক বছর আগে ২৮০ ফুট গভীরের এই সাপমারসিবল পাম্পটি আমি বসিয়েছি। গত এক সপ্তাহ ধরে পানি খুব কম ওঠায় গতকাল বুধবার রাতে আমি পাম্পটির পাইপের মাথায় গ্যাস লাইট ধরিয়ে দিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার উৎসুক মানুষ জন আমার দোকানের সামনে এসে ভিড় জমান।

এলাকার স্থানীয় লোকজন বলেন, রাতে খবর পেয়ে আমরা সকালে এখানে দেখতে এসেছি। এসে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। আমরা চাই একটি বিশেষজ্ঞ টিম এসে এটি পরীক্ষা করে দেখুক। সত্যিই এখানে মাটির নিচে গ্যাস আছে কিনা। সত্যিই এখানে যদি গ্যাস পাওয়া যায় তাহলে সেটি আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন বলেন , বিষয়টি আমি জানার পরে ওই এলাকার তহশীলদেরকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম।তার তথ্যানুযায়ী প্রাথমিকভাবে আমি এটির সত্যতা পেয়েছি।আগামী দিন শুক্রবার আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

ছবি যোগফল

আমির হোসেন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর–পাতারগাঁও খেয়াঘাটে পারাপারের নামে টাকা আদায় সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

উপজেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের ফলে খেয়াঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী জানান, বুধবার থেকে পাতারগাঁও খেয়াঘাটে খেয়া পারাপারের নামে টাকা আদায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর। তবে প্রশাসনের এ নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে খেয়াঘাটে টাকা আদায় স্থায়ীভাবে বন্ধ থাকবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন।

তবে ঘোষণার পর খেয়াঘাটে টাকা আদায় পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।