খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯ কার্তিক, ১৪৩৩

যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ | দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ | দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক

খেয়াঘাটের ছবি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

‎সুনামগঞ্জ জেলার ​যাদুকাটা নদীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিয়ারচড়-পাঠানপাড়া খেয়াঘাটটি দুই ইজারাদারের অভ্যন্তরীণ ও দখল সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন লাখো সাধারণ মানুষ এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। 

ঘাটের দখল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে পারাপার বন্ধ থাকায় তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুরসহ পার্শ্ববর্তী তিনটি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে একদিকে যেমন স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, অন্যদিকে বিখ্যাত সব পর্যটন কেন্দ্রে আসা হাজার হাজার দর্শনার্থী পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইজারাদারদের দ্বন্দ্ব ও হঠাৎ খেয়া বন্ধ যাদুকাটা নদীর মিয়ারচড়-পাঠানপাড়া খেয়াঘাটের ইজারা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই দ্বন্দ্বে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং আজ ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে দেবোত্তর স্টেটের ইজারার দাবিদার শিশির মনির যাদুকাটা নদীর পূর্ব পাড় মিয়ারচড় এলাকায়  ও জেলা পরিষদ থেকে আনা ইজারাদার ওয়াহিদ মিয়া পশ্চিম পাড় পাঠানপাড়া এলাকায় বসে ঘাটের টোল আদায়ের চেষ্টা করে দুই পক্ষ। পরে দুই পক্ষের টোল আদায়ের করার সময় দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে

‎একপর্যায়ে ঘাটের স্বাভাবিক খেয়া পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ​কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ খেয়া চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নদীর দুই পাড়ে হঠাৎ করেই আটকে পড়ে শত শত যানবাহন ও হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী। ইজারাদারদের নিজস্ব স্বার্থের লড়াইয়ে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ​স্থবির ৩ উপজেলার জীবনযাত্রা

‎​মিয়ারচর-পাঠানপাড়া খেয়াঘাটটি মূলত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর এবং আশপাশের তিন উপজেলার প্রধান সংযোগস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ​সাধারণ মানুষের ভোগান্তি: প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী, হাট-বাজারের ব্যবসায়ী, জরুরি রোগী ও সাধারণ কর্মজীবী মানুষ যাতায়াত করেন। খেয়া বন্ধ থাকায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে  ঘাট বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে  বিকল্প পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে যেমন অতিরিক্ত সময় অপচয় হচ্ছে, তেমনি কয়েকগুণ বেশি পরিবহন ভাড়া গুনতে হচ্ছে। ​পর্যটন খাতে মারাত্মক প্রভাব

‎​প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকে মুখরিত থাকে। কিন্তু এই খেয়াঘাটটি বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ​পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানো অনিশ্চিত: দর্শনার্থীরা মূলত তাহিরপুরের শিমুল বাগান, বারিক্কার টিলা, নীলাদ্রি লেক, লাকমাছড়া এবং টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এই পথ ব্যবহার করে থাকেন। খেয়া পারাপার বন্ধ থাকায় যাদুকাটা নদীর পাড়ে এসে হাজার হাজার পর্যটক আটকা পড়ছেন। বাধ্য হয়ে অনেকেই দর্শনীয় স্থানগুলো না দেখেই ক্ষোভ ও হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ​জনমনে ক্ষোভ ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি ​দুই ইজারাদারের দ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও পর্যটন খাত জিম্মি হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। জানাযায়,  সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ থেকে  ইজারা প্রাপ্ত হয়ে গত ১৮/২০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছে তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের মাহতাবপুর গ্রামের মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে ইজারা ওয়াহিদ মিয়া(৪৫)।

‎আজ ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে শিশির মনির নামের একজন ২০/২৫ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে দেবোত্তর স্টেটের ইজারাদার দাবি করে ঘাটের দখলে আসে। এই নিয়ে দেবোত্তর স্টেট ও জেলা পরিষদ আনা দুই ইজারাদারের দ্বন্দ্বে সকাল থেকেই বন্ধ থাকে খেয়া পারাপার। যার ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে হাজার হাজার সাধারণ যাত্রীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। স্থানীয়দের ধারণ, ঘাট দখল নিয়ে দুই ইজারাদারের লোকজনের সংঘর্ষে জড়িয়ে ঘটতে পারে যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের সিভিল রিভিশন ২৭৪০/২০২৪ নং মামলায় থাকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিন্নাকুলি,লাউড়েরগড়, বড়ণ্ডপটিলাগাঁও ও মিয়ারচর খেয়াঘাটগুলো ইজারা দেয়া যায়নি বিধায়,জেলা পরিষদের রাজস্ব আদায় খেয়াঘাটগুলোর দখল বজায় রাখা, স্থানীয় জনসাধারণের খেয়া পারাপারের সুবিধা এবং জেলা পরিষদ চলতি বছরের ২৪ জুন মাসিক সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের জন্য মোঃ ওয়াহিদ মিয়াকে ৪২ লক্ষ টাকায় টোল খাস আদায়ের অনুমতি প্রদানের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ২ জুলাই ২০২৬ হতে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক খেয়াঘাটগুলো সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য খেয়াঘাটগুলো টোল খাস আদায়ে জন্য নির্দেশক্রমে অনুমতি দেয়া হয়।

‎এদিকে,দেবোত্তর ষ্টেটের মালিকানা দাবী করে শিশির আহমেদ জানান,আমি দেবোত্তর ষ্টেটের মালিক কালী চরণ ভজন এর কাছ থেকে এই ঘাটের ইজারা এনেছি। আমি বৈধ্য ইজারাদার। আরেকটি পক্ষ যারা জেলা পরিষদ থেকে এনে ইজারাদার দাবী করছে তারা অবৈধ। মামলা জড়িত থাকার পরেও জেলা পরিষদ কিভাবে হাইকোর্টের আদেশ অন্য করে ইজারা দেয়। কারন এই ঘাট জেলা পরিষদের না।

‎ইজারাদার মোঃ ওয়াহিদ মিয়া জানান,আমরা জেলা পরিষদ থেকে ইজারা এনেছি। শুধু এই বছরেই নয় গত দুই যুগ ধরে আমরা জেলা পরিষদ থেকে এনে এই ঘাট দিয়ে মানুষসহ বিভিন্ন যানবাহন পাড়াপার করছি। আজ হঠাৎ করে একটি পক্ষ দেবোত্তর ষ্টেটের মালিকানা দাবী করে নৌকা পাড়াপাড়ে বাঁধা সৃষ্টি করছে আর আমাদেরকে অবৈধ ইজারাদার বলছে। আমরা জেলা পরিষদ থেকে দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর ধরেই ইজারা এনে বৈধভাবেই ঘাট পরিচালনা  করছি।

এ বিষয়ে দেবোত্তর ষ্টেটের মালিক কালী চয়ণ দত্ত চৌধুরী ভজন জানান,আমি কোনো কাগজ শিশির কে দেই নি,তার সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। তবে ওই সব ঘাটের মালিক আমি,জেলা পরিষদ ওই সব ঘাট খাশকালেকশন দিতে পারে না। 

‎এই বিষয়ে জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পাল এর সাথে এই বিষয়ে বার বার মোটোফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

নোয়াখালীতে পূর্বশত্রুতার জেরে তরুণকে গুলি, মোটরসাইকেল ছিনতাই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে পূর্বশত্রুতার জেরে তরুণকে গুলি, মোটরসাইকেল ছিনতাই

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে কামরুল হাসান (২৪) নামে এক তরুণকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড় নেওয়াজপুর গ্রামের আক্কাছ পাটোয়ারী বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ কামরুল হাসান ওই বাড়ির মো. ইউছুফের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দর্জি।

কামরুলের খালাতো ভাই মো. শান্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল চট্টগ্রামে দর্জির কাজ করেন। দুদিন আগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন তিনি। শনিবার বিকেলে মোটরসাইকেলে খালাতো ভাই রাকিবকে (২০) নিয়ে আলাইয়াপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের এক পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন।

পথে বাড়ির সামনের সড়কে পৌঁছালে বাংলাবাজার এলাকার হারুন ও আওয়ামী লীগ নেতা সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। একপর্যায়ে নুরু তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে কামরুলের বুকের ডান পাশে ও ডান হাতের বাহুতে গুলি লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কামরুল হাসপাতালে ভর্তি হন। তার এক হাতের বাহুতে বুলেটের আঘাত রয়েছে। পেটের ওপরের অংশেও বুলেটের মতো আরেকটি আঘাত আছে, তবে সেখানে কোনো বুলেট পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে নুরুর মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুল কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এরই মধ্যে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার্জার ও ৯ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার্জার ও ৯ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় একটি চার্জার ও ৯ রাউন্ড চায়না গুলিসহ শামিম মিয়া (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের জয়নগর বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক শামিম মিয়া গোপিনাথপুর ইউনিয়নের বড়ঠুডা গ্রামের আল আমিন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ডেকোরেশন শ্রমিক।

কসবা থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের খিরনাল গ্রামে একটি অনুষ্ঠানে লাইটিংয়ের কাজ করছিলেন শামিম। বিকেলে কাজ শেষে ফেরার পথে জয়নগর বাজারের পাশে একটি চার্জার ও ৯ রাউন্ড চায়না গুলি পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে কৌতূহলবশত সেগুলো তুলে নেন।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, চট্টগ্রামে আরআরএফে কর্মরত মাহমুদুল হাসান নামে এক পুলিশ সদস্য শামিমের কাছে চার্জার ও গুলি দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো জব্দ করে এবং শামিমকে আটক করে।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় শামিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, নিহত ২

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, নিহত ২

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর বাগেরহাট গ্রামের পুকুর খুড়ির দোলা ক্যানেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কচুয়া সরদারপাড়া এলাকার এজারুল ওরফে রেজাউল কানা (৪৫) এবং কোলকোন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা সাদিকুল ইসলাম (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি টের পান তিনি। এরপর তিনি চিৎকার শুরু করলে পাশের মসজিদের মাইকে ‘চোর, চোর’ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। মাইকের ঘোষণা শুনে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিসহ স্থানীয় লোকজন অটোরিকশাসহ ওই দুই ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন।

একপর্যায়ে তারা অটোরিকশাটি ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর পানাপুকুর এলাকার পুকুর খুড়ির দোলায় একটি ধানক্ষেত থেকে তাদের আটক করেন। সেখানে উত্তেজিত লোকজনের গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সবুর বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অটোরিকশা চুরির পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে ওই দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম