খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ২২ শ্রাবণ, ১৪৩৩

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে: ভূমিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মতোই জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, শহীদ ও আহতদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবার যেন কোনো ধরনের হয়রানি, নির্যাতন বা অসম্মানের শিকার না হয়, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার শহীদ পরিবারের পাশে রয়েছে এবং তাদের সন্তানদের লেখাপড়া, প্রয়োজনীয় সহায়তা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

বিগত সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ আজ বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

রাজশাহীর উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, নেসকোসহ কোনো গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান রাজশাহী থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম ড. বজলুর রশিদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি আশিক সাইদ, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী ব্যাটালিয়ন-১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হাছানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্বজন ও আহত যোদ্ধারাও বক্তব্য দেন। তারা দ্রুত সব আসামিকে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা উপহার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী ও উপস্থিত অতিথিরা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পালানোর সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন কারা?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পালানোর সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন কারা?

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত মুহূর্তে দেশ ছাড়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে সামরিক বিমানে কারা ছিলেন—এ নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সাবেক ও বর্তমান সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তার দেশত্যাগের পুরো প্রক্রিয়া এবং সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহের বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে।

সূত্রগুলোর দাবি, ৫ আগস্ট সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন দিক থেকে লাখো মানুষ গণভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে শেখ হাসিনাকে অল্প সময়ের মধ্যে গণভবন ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর বিমানবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে তাকে ও তার বোন শেখ রেহানাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, হেলিকপ্টারটি বিকেলে কুর্মিটোলা এয়ার বেইজে পৌঁছায়। সেখানে আগে থেকেই ইঞ্জিন চালু অবস্থায় প্রস্তুত ছিল বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ জুলিয়েট সামরিক পরিবহন বিমান। ওই বিমানে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ওঠার পর ভারতের উদ্দেশে উড্ডয়ন করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক পরিবহন বিমানটিতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তার তৎকালীন নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, তার স্ত্রী শাহিন সিদ্দিকী, তাদের দুই কন্যা এবং এক জামাতা।

সূত্রের ভাষ্য, কুর্মিটোলা এয়ার বেইজে পৌঁছানোর পর শেখ হাসিনা উপস্থিত কর্মকর্তাদের কাছে আন্দোলনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। তখন তাকে দেশের চলমান পরিস্থিতি এবং গণভবনের দিকে অগ্রসরমান জনস্রোতের বিষয়ে সংক্ষিপ্তভাবে অবহিত করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, পুরো দেশত্যাগ প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ গোপনীয়তার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। শেখ হাসিনাকে গণভবন থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং নিরাপদে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি জানতেন কেবল হাতে গোনা কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা। মিশনটি বাস্তবায়নে বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইং ইউনিট দায়িত্ব পালন করে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার পর সামরিক বিমানটি ক্রু ও নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়ে পুনরায় ঢাকায় ফিরে আসে। পরে মিশনে দায়িত্ব পালনকারী কয়েকজন কর্মকর্তার কর্মস্থলেও পরিবর্তন আনা হয়।

তবে উল্লেখ্য, এসব তথ্য বিভিন্ন সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লিখিত কিছু তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সরকারের নতুন দায়িত্বে ববি হাজ্জাজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারের নতুন দায়িত্বে ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে রাজধানীর শ্যামলীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে সরকার।

বুধবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত ৩০ জুলাই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনস্বার্থে এ মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে।

উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশক্রমে রাজধানীর শ্যামলীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ দায়িত্বের মাধ্যমে হাসপাতালটির প্রশাসনিক কার্যক্রম, সেবার মানোন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাবেক নৌবাহিনী প্রধান মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী কাল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাবেক নৌবাহিনী প্রধান মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী কাল

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান, সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট)। দিনটি উপলক্ষে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও স্মরণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তার কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম ও সততার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নৌবাহিনী, পরিবার এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

দেশজুড়ে দোয়া, কোরআন খতম ও পুষ্পস্তবক অর্পণ

শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পবিত্র কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকেও সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং নৌবাহিনীর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ প্রায় ২২টি মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল এবং এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে।

দেশের বিভিন্ন জেলায় স্মরণানুষ্ঠান

মাহবুব আলী খানের জন্মভূমি সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর দরগাহ মসজিদ, পারিবারিক বাসভবন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দোয়া, আলোচনা সভা ও তবারক বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বগুড়া, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়ও স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

পরিবারের উদ্যোগে ঢাকার ‘মাহবুব ভবন’-এ কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়ার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান ‘সুরভী’-তে ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

বিদেশেও নানা কর্মসূচি

শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে ব্রিকলেন জামে মসজিদে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল এবং রিজেন্ট লেক হলে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডার বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টারেও বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায়ও দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হবে।

কর্মময় জীবনের স্বীকৃতি

রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনীতে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কর্মজীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যুক্তরাজ্যে প্রশিক্ষণকালে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে সম্মাননা লাভ করেন। ব্যক্তিজীবনে পবিত্র কাবা শরিফ ধোয়ার বিরল সৌভাগ্যও অর্জন করেছিলেন তিনি।

তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে একটি মেমোরিয়াল মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এছাড়া সিলেটে তার নামে একটি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ও হৃদরোগ গবেষণা এবং বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট প্রয়াত হন মাহবুব আলী খান

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৮৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ বিমানের একটি দুর্ঘটনার উদ্ধারকাজ তদারকি শেষে অসুস্থ হয়ে পড়েন মাহবুব আলী খান। পরদিন ৬ আগস্ট হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল মাত্র ৪৯ বছর। পরে তাকে ঢাকার বনানী এলাকায় দাফন করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত শুভানুধ্যায়ীদের তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম