খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রদ্রিগো ডি পল, পাত্রী কে?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রদ্রিগো ডি পল, পাত্রী কে?

আর্জেন্টিনার তারকা মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল ও পপ তারকা ত্রিনিতি স্তোসেলের প্রেমের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কাতার বিশ্বকাপের আগ থেকেই তাদের সম্পর্কের খবর আলোচনায় ছিল। এবার সেই সম্পর্ক বিয়ের দিকে এগোচ্ছে বলে জোর গুঞ্জন উঠেছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডি পলের উদ্দেশে রোমান্টিক বার্তা দিয়েছেন ত্রিনিতি। পাশাপাশি বাগদানের আংটি পরা একটি ছবিও প্রকাশ করেছেন তিনি। এরপর থেকেই তাদের বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘ওলে’ জানিয়েছে, বিয়ের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন ত্রিনিতি। এমনকি বিয়ের পোশাকের প্রথম ট্রায়াল দিতে তিনি প্যারিসেও গেছেন। সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত, খুব খুশি।’

পোশাকের ট্রায়ালের সময় ডি পলকে ফোন করে নিজের অনুভূতির কথাও জানান ত্রিনিতি। এ সময় ডি পল বলেন, জীবনের প্রতিটি দিন তিনি সেই বিশেষ মুহূর্তটির স্বপ্ন দেখেন এবং তাকে সুখী করার জন্য ত্রিনিতিকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে ২০২৬ সালের মে মাসে ত্রিনিতির সঙ্গে বাগদানের ঘোষণা দেন ডি পল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগদানের আংটির ছবিও প্রকাশ করেন তিনি। এরপর থেকেই ভক্তদের মধ্যে তাদের বিয়ের তারিখ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়।

এদিকে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় উপস্থাপক সুসানা হিমেনেসের অনুষ্ঠান ‘পোর এল মুন্দো’-তে একটি সম্ভাব্য বিয়ের তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন রদ্রিগো ডি পল ও ত্রিনিতি স্তোসেল।

তবে ১৯ ডিসেম্বরের তারিখটি এখনো ডি পল বা ত্রিনিতি কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি। ফলে বিয়ের তারিখ নিয়ে আপাতত জল্পনাই থাকছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে ভক্তদের।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিদ্যুৎ অফিসে 'ভয়ের স্রোত', ফেসবুকে কর্মকর্তাদের আকুতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদ্যুৎ অফিসে 'ভয়ের স্রোত', ফেসবুকে কর্মকর্তাদের আকুতি

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। একই সঙ্গে বাড়ছে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চাপও। বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকদের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন মাঠপর্যায়ের কর্মীরা। অনেকেই ফোনে গালাগালি ও হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে পল্লীবিদ্যুৎকর্মীরা বলছেন, ‘পল্লীবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, শুধু বিতরণ করে।’

মাদারীপুর এলাকার এক বিদ্যুৎকর্মী ‘বিদ্যুৎ প্রতিদিন’ নামের একটি ফেসবুক পেজে নিজের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘আজকে রাতের লোডশেডিংয়ের ভার আমার কাঁধে দিয়েন না।’ তার এমন আকুতিতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের চাপ ও অসহায়ত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে।

রাজশাহীর এক বিদ্যুৎকর্মীও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেছেন। ‘রাজশাহীর লাইনম্যান পিবিএস এর প্রাণ’ নামের পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, বিদ্যুৎকর্মীদের মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অফিসে ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার আশঙ্কায় অনেকেই আতঙ্কে রয়েছেন।

খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মী গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, অযথা বিদ্যুৎকর্মীদের গালাগালি বা দায়ী না করার জন্য। তার ভাষ্য, পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি নিজস্বভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; জাতীয় গ্রিড থেকে পাওয়া বিদ্যুৎই গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করে। জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে বিতরণ ব্যবস্থায়ও সংকট তৈরি হয়।

কর্মীদের অভিযোগ, অনেক সময় একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে একসঙ্গে চার-পাঁচটি ফোন সামলাতে হয়। অথচ একই সময়ে হাজার হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি জানতে ফোন করেন। এতে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, ফোনে অনেক কর্মীকে ব্যক্তিগতভাবে গালাগালিও শুনতে হচ্ছে।

জেলা পর্যায়ের পল্লীবিদ্যুৎ অফিসগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টেও সংকটের চিত্র উঠে এসেছে। ‘পল্লী বিদ্যুৎ খোকসা, কুষ্টিয়া’ পেজের এক বার্তায় জানানো হয়, পিক আওয়ারে সেখানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৪ মেগাওয়াট হলেও বটতৈল গ্রিড থেকে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। ফলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

গ্রিড থেকে বিদ্যুতের বরাদ্দ বারবার পরিবর্তিত হওয়ায় ২৪ ঘণ্টার নির্দিষ্ট লোডশেডিং শিডিউলও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত করতে বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত সতর্কতামূলক বার্তাও দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতির কারণে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো নিজেদের কার্যালয়, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত আবেদন করেছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের ঘাটতির কারণেই মূলত বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) দৈনিক তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ারে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বিপরীতে গ্যাস ও কয়লার সংকট এবং বিদ্যুৎ আমদানি কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। ফলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বিপিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তথ্য বলছে, বিদ্যুৎ সংকটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে। এসব এলাকায় অনেক জায়গায় দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে গ্রাহকদের পাশাপাশি সংকট মোকাবিলায় মাঠে থাকা বিদ্যুৎকর্মীরাও পড়েছেন চরম চাপের মধ্যে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপনে বিমান বদল, যা বললেন ট্রাম্প

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপনে বিমান বদল, যা বললেন ট্রাম্প

ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে গোপনে বিমান পরিবর্তনের ঘটনায় নিজের সিদ্ধান্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিরাপত্তার স্বার্থে সিক্রেট সার্ভিসের পরামর্শেই তাকে অন্য একটি সামরিক বিমানে নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, তুরস্কে বিমান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত তার নিজের ছিল না। নিরাপত্তা কর্মকর্তারাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তাদের পরামর্শ মেনেই তিনি অন্য বিমানে ওঠেন।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে প্রথমে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার দৃশ্য দেখা যায়। পরে একটি ক্যাটারিং ট্রাকের আড়াল ব্যবহার করে তাকে গোপনে অন্য একটি সামরিক বিমানে স্থানান্তর করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পকে যে বিমানে প্রকাশ্যে উঠতে দেখা যায়, সেটিকে কার্যত ‘ডিকয়’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মীও প্রথমে ধারণা করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ওই বিমানেই অবস্থান করছেন।

পরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ট্রাম্পকে অন্য একটি সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি নিরাপত্তা হুমকির বিষয় ছিল।

তবে ওই হুমকির সুনির্দিষ্ট ধরন কী ছিল বা সেটি কতটা বিশ্বাসযোগ্য—এ বিষয়ে ট্রাম্প বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এবং ট্রাম্পকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যেই গোপনে বিমান পরিবর্তনের এই ঘটনা সামনে এলো।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চুয়েটের পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুয়েটের পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একটি পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই শিক্ষার্থী হলেন—চুয়েটের ২৪তম ব্যাচের অর্ণব চন্দ (২২) ও শান্ত দেব (২৩)। তাদের দুজনেরই বাড়ি সিলেটে। অর্ণব চন্দ কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এবং শান্ত দেব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে দুই শিক্ষার্থী হলের পাশের পুকুরে গোসল করতে যান। একপর্যায়ে তারা পুকুরের মাঝামাঝি অংশে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে যান।

খবর পেয়ে সহপাঠী ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। প্রায় ২০ মিনিট পর অর্ণবকে এবং প্রায় ৪৫ মিনিট পর শান্তকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত তাদের চট্টগ্রাম শহরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত ২৮ জুলাই একই পুকুরে ডুবে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর পুকুরটির চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া ও পাড় সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে এরই মধ্যে একই পুকুরে আবারও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম