খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩

প্রবাসীর বাড়িতে চুরির অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে আহত ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবাসীর বাড়িতে চুরির অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে আহত ৩

পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক প্রবাসীর বাড়িতে চুরি করতে ঢোকার অভিযোগে নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী, মেয়ে ও এক প্রতিবেশীসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আটক নাঈম ওই এলাকার মো. রফিক মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য। তবে এ দাবির বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বাড়ির পাশের একটি সুপারি গাছ বেয়ে উঠে নাঈম ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরে থাকা ইলিয়াসের স্ত্রী নাজমা আক্তার তাকে দেখতে পান। বিষয়টি মোবাইল ফোনে জানাতে গেলে নাঈম তাকে বাধা দেন।

একপর্যায়ে নাঈম ছুরি দিয়ে নাজমাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। তার চিৎকার শুনে মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে প্রতিবেশী নুহিন মিয়া তাদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও আহত করা হয়।

আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাজমা আক্তার জানান, ঘরে কাজ করার সময় হঠাৎ নাঈমকে সুপারি গাছ বেয়ে ঘরে ঢুকতে দেখেন। মোবাইলে ফোন করার চেষ্টা করলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। পরে চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং মেয়ে ও প্রতিবেশী নুহিন এগিয়ে এলে তাদেরও আহত করা হয়।

প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের বড় ভাই মিরাজ মিয়া বলেন, তার ছোট ভাই দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন। এই সুযোগে নাঈম দিনদুপুরে বাড়িতে চুরি করতে এসেছিলেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। এ ঘটনায় তিনজন ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, এ ঘটনায় নাঈম ও তার বাবা রফিককে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কক্সবাজারে বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কক্সবাজারে বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—চকরিয়ার খুটাখালী সেগুনবাগিচা গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ফুলছড়ি শিয়াপাড়ার মৃত মনজুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজালিয়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮) এবং নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে মো. জিয়াবুল হক (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী সদর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিল লাল সবুজ পরিবহনের একটি বাস। বিপরীত দিক থেকে ঈদগাঁও থেকে যাত্রী নিয়ে চকরিয়ার দিকে যাচ্ছিল একটি লেগুনা। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে খুটাখালীর নয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহেদ, রফিক ও জিয়াবুল হক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান।

আহতরা হলেন—ঈদগাঁও উপজেলার নাপিতখালীর আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০), তার ছেলে মো. সরোয়ার (১৯), নতুন অফিস মাদ্রাসাপাড়ার আব্দুল সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), চকরিয়ার খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া গ্রামের বদরুদ্দোজার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) এবং টেকনাফের মো. রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সামশুজ্জামান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নিখোঁজের একদিন পর নদীতে মিলল যুবকের ভাসমান মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিখোঁজের একদিন পর নদীতে মিলল যুবকের ভাসমান মরদেহ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর চাড়ালকাটা নদী থেকে তাহিবুল ইসলাম (৩৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়াল পুকুর বেলতলী এলাকার চাড়ালকাটা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত তাহিবুল ইসলাম নিতাই ইউনিয়নের নিতাই কাছাড়ীপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে চাড়ালকাটা নদীতে এক ব্যক্তির মরদেহ উপুড় হয়ে ভাসতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে কিশোরগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে।

এ সময় স্থানীয়রা মরদেহটি তাহিবুল ইসলামের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার মা তহমিনা বেগম।

তহমিনা বেগম জানান, তার ছেলে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং একটি হোটেলে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বুধবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পান তারা।

তাহিবুলের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলেও জানান তার মা।

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর বলেন, খবর পাওয়ার পর নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যাত্রী ছাউনির পাশে ময়লার স্তূপ, ভোগান্তিতে পথচারীরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যাত্রী ছাউনির পাশে ময়লার স্তূপ, ভোগান্তিতে পথচারীরা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার চালা বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনির পাশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারী ও স্থানীয়রা। আধুনিকভাবে নির্মিত যাত্রী ছাউনিটির আশপাশ এখন অনেকটা ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যস্ততম সড়কের পাশে থাকা যাত্রী ছাউনিটির চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য। জমে থাকা আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি ময়লা-আবর্জনায় মশা-মাছির উপদ্রবও বেড়েছে।

এ কারণে যাত্রী ছাউনিতে বসে বাসের জন্য অপেক্ষা করার মতো পরিবেশ নেই। পথচারীদের অনেকেই দুর্গন্ধের কারণে নাক চেপে ওই এলাকা পার হচ্ছেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন বর্জ্য জমে থাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুব বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজারো মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু ময়লার দুর্গন্ধে যাত্রী ছাউনির আশপাশে দাঁড়ানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ময়লা অপসারণ করে জায়গাটি পরিষ্কার করার দাবি জানান তিনি।

ভ্যানচালক আসলাম বলেন, যাত্রী ছাউনির কাছে সবসময় দুর্গন্ধ থাকে। ভ্যান ও রিকশা নিয়ে সেখানে দাঁড়ালে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরাও সেখানে অপেক্ষা করতে পারেন না।

স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা দ্রুত যাত্রী ছাউনির আশপাশের ময়লা অপসারণ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত এবং বর্জ্য ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে বিষয়টি দ্রুত সমাধানে বেলকুচি উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন তারা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম