খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩

কক্সবাজারে বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কক্সবাজারে বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—চকরিয়ার খুটাখালী সেগুনবাগিচা গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ফুলছড়ি শিয়াপাড়ার মৃত মনজুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজালিয়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮) এবং নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে মো. জিয়াবুল হক (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী সদর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিল লাল সবুজ পরিবহনের একটি বাস। বিপরীত দিক থেকে ঈদগাঁও থেকে যাত্রী নিয়ে চকরিয়ার দিকে যাচ্ছিল একটি লেগুনা। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে খুটাখালীর নয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহেদ, রফিক ও জিয়াবুল হক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান।

আহতরা হলেন—ঈদগাঁও উপজেলার নাপিতখালীর আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০), তার ছেলে মো. সরোয়ার (১৯), নতুন অফিস মাদ্রাসাপাড়ার আব্দুল সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), চকরিয়ার খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া গ্রামের বদরুদ্দোজার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) এবং টেকনাফের মো. রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সামশুজ্জামান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তরিকুল হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তরিকুল হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়াসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে দুজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান, তার ভাই ও রায়গঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হীরা মিয়া, সলঙ্গা থানার বোয়ালিয়ার চর এলাকার মাজেম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম এবং জেছারত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মজিদ ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামকে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহানশাহ জানান, ১৪ আসামির মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় একজনের ফাঁসি, দুজন খালাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় একজনের ফাঁসি, দুজন খালাস

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে গুলিতে দুইজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝি বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় সেতারা বেগম ও খলিল নিহত হন। এছাড়া আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। তাদের মধ্যে পাঁচজন এখনও অসুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর আবদুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির জিআর নম্বর ৪৯৯/১৩। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন বাদল বলেন, মামলার প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামছুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চিকিৎসা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি, পাবনায় ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চিকিৎসা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি, পাবনায় ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চিকিৎসা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

পাবনায় চিকিৎসা-বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করায় দুটি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পাবনা সদর উপজেলার মাসুম বাজার ও চেতনের মোড় এলাকায় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে চিকিৎসা-বর্জ্য নির্ধারিত নিয়মে ব্যবস্থাপনা না করার দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. দিদারুল ইসলাম। পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযানে জেলা পুলিশের সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চিকিৎসা-বর্জ্যের কারণে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম