খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ভয়ংকর সাপ ধরেন এই নারী, তবে বেশি ভয় পান পুরুষদের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভয়ংকর সাপ ধরেন এই নারী, তবে বেশি ভয় পান পুরুষদের

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের সানশাইন কোস্টের ৪০ বছর বয়সী কোর্টনি ব্রাউন পেশায় একজন লাইসেন্সধারী সাপ ধরার কর্মী। বিশ্বের অন্যতম বিষধর সাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির সরীসৃপ ধরে নিরাপদ পরিবেশে ছেড়ে দেওয়াই তার কাজ। তবে কোর্টনির কাছে সাপের চেয়েও বেশি ভয়ংকর অপরিচিত কিছু পুরুষের আচরণ।

লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সন্তানের মা কোর্টনি প্রায় তিন বছর ধরে পেশাগতভাবে সাপ ধরছেন। গরমের মৌসুমে দিনে তাকে প্রায় ১০টি পর্যন্ত সাপ ধরার ডাক সামলাতে হয়। বিষধর সাপের সামান্য অসতর্কতাতেই কামড়ের শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও এ কাজকে তিনি ভয় পান না।

কোর্টনি জানান, অনেক সময় অপরিচিত মানুষের বাড়িতে তাকে একাই যেতে হয়। বেশিরভাগ মানুষ সহযোগিতা করলেও কিছু পুরুষ তাকে সন্দেহজনক বা নির্জন জায়গায় আসতে বলেন। ফলে প্রতিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় নিজের নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কাজের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করার কারণে কটূক্তি, অশালীন মন্তব্য ও অনলাইন ট্রলের শিকার হতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাপ ধরার এই পেশায় আসার আগে করপোরেট চাকরি করতেন কোর্টনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও সেই জীবন তাকে তৃপ্ত করতে পারেনি। ছোটবেলা থেকেই প্রাণী, বিশেষ করে সাপের প্রতি তার আলাদা আগ্রহ ছিল। অবসর সময়ে রাতে হাঁটতে বের হয়ে সাপ খোঁজা এবং স্থানীয় প্রজাতি সম্পর্কে জানার অভ্যাসও ছিল তার।

দুই মেয়ে বড় হওয়ার পর নতুন করে কর্মজীবনে ফেরার সুযোগ পান কোর্টনি। তখন শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য নয়, অর্থবহ একটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করেন সাপ ধরার পেশা।

এই কাজের জন্য বিষধর সাপ ধরার বিশেষ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ শনাক্ত করার কোর্স করেন তিনি। প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র পাওয়ার পর শুরু করেন পেশাগতভাবে সাপ উদ্ধার।

কোর্টনির কাছে সবচেয়ে বেশি আসা ডাকগুলোর একটি কার্পেট পাইথন ধরার জন্য। আকারে বড় হওয়ায় এসব সাপ বাড়িতে ঢুকলে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে কার্পেট পাইথন বিষধর নয় এবং সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না।

এর পাশাপাশি ইস্টার্ন ব্রাউন স্নেক ও রেড-বেলিড ব্ল্যাক স্নেকের মতো অত্যন্ত বিষধর সাপও ধরেন কোর্টনি। এসব সাপ দ্রুত চলাফেরা করায় উদ্ধারের সময় তাকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়।

কোর্টনির মতে, সাপকে ঘিরে মানুষের মধ্যে অযথা ভয় কাজ করে। তার ভাষায়, সাপ সাধারণত আক্রমণাত্মক নয়; বিপদ অনুভব করলেই আত্মরক্ষার শেষ উপায় হিসেবে কামড় দেয়।

বিষধর সাপ ধরার সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বিশেষ হুক ব্যবহার করেন কোর্টনি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সাপকে নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপদ ব্যাগে ঢোকানো হয়। এ সময় সাপের নড়াচড়া ও আচরণ খুব সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।

এক মুহূর্তের অসতর্কতাই বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। কয়েকবার অবিষধর সাপের কামড় খেলেও এতে আতঙ্কিত হননি কোর্টনি। কারণ সাধারণত কোন প্রজাতির সাপের সঙ্গে কাজ করছেন, তা আগে থেকেই শনাক্ত করতে পারেন তিনি।

উদ্ধারের পর সাপগুলোকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয়। কোর্টনির দাবি, সঠিক পরিবেশে ছেড়ে দিলে একই সাপ আবার সেই বাড়িতে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।

গরমের মৌসুমে তার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। দিনে প্রায় ১০টি পর্যন্ত সাপ উদ্ধারের ডাক আসে। একা কাজ করার কারণে একদিকে যেমন শারীরিক চাপ বাড়ে, অন্যদিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চাপও থাকে।

তবে এত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের মধ্যেও কোর্টনির কাছে সাপই সবচেয়ে বড় ভয় নয়। তার মতে, অপরিচিত মানুষের আচরণ এবং অজানা জায়গায় একা যাওয়ার ঝুঁকিই এই পেশার সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।

সাপকে শান্ত ও ভুল বোঝা প্রাণী হিসেবে দেখেন কোর্টনি। মানুষের মধ্যে সাপ নিয়ে অযথা ভয় কমিয়ে সচেতনতা তৈরি করাই তার কাজের অন্যতম উদ্দেশ্য। তার মতে, সবাইকে সাপ ভালোবাসতে হবে না, তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপের গুরুত্ব সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।