খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় ত্রাণের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় ত্রাণের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। রোববার (১৬ আগস্ট) হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন এবং জরুরি ত্রাণের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের কাছে সমুদ্রের নিচে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে এখন পর্যন্ত ৪৮ জন নিহত ও অন্তত ১০১ জন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) মুখপাত্র বার্তন সুয়ার পেলিতা পানজাইতান জানান, ভূমিকম্পের পর প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বাড়িঘর ছেড়ে চলে গেছেন। ভূমিকম্পের পর কয়েক ঘণ্টায় ৩৪১টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

দুর্যোগের কারণে বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জরুরি ত্রাণ পৌঁছানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কও এখনো ব্যবহারযোগ্য হয়নি।

ফ্লোরেসের উত্তর উপকূলের নাঙ্গাহালে গ্রামের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী উমরি জানান, তাদের খাবার, পানি, ওষুধ এবং শিশুদের জন্য ডায়াপার প্রয়োজন। ভূমিকম্পের পর বাড়িতে ফিরতে ভয় পেয়ে গত ২৪ ঘণ্টা ধরে অন্যদের সঙ্গে পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করছেন তিনি।

একই পাহাড়ে রাত কাটানো নুরহিদায়াতি বলেন, ‘আমি এখনও খুব আতঙ্কিত। গতকালের ভূমিকম্পের কথা মনে পড়লে বুক ধড়ফড় করছে। আমরা শুধু দৌড়ে এখানে উঠে এসেছিলাম। এখনও খুব ভয় পাচ্ছি।’

১৯৯২ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতিও স্থানীয়দের আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। ওই বছর ফ্লোরেসে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

নুরহিদায়াতি আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার দ্রুত দুর্গত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেবে।

বিএনপিবির মুখপাত্র বার্তন জানান, ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন অন্তত ১০১ জন। তিনি বলেন, প্রাণহানির পাশাপাশি সমুদ্রের কাছে সংঘটিত এই ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

দুর্গতদের জন্য জরুরি তাঁবু, খাবার, ওষুধ, কম্বল, খাট, মাদুর, বিশুদ্ধ পানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আরও একজন বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাথুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা শুধু উদ্ধার ও অনুসন্ধানের কাজে মনোযোগ দিচ্ছি এবং পুরো এলাকা তল্লাশি করছি।’

ভূতাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেসের উত্তর উপকূলের অদূরে সমুদ্রের নিচে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উঁচু ভবন তুলনামূলক কম থাকায় বড় ধরনের ভবনধসের ঝুঁকি কিছুটা কম বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিএনপিবির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে অন্তত ৯১৪টি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আরও শত শত বাড়িঘর কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় রয়েছে সরকারি ও জনসেবা প্রতিষ্ঠানও। এর মধ্যে ৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৩৮টি সরকারি কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।