খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২ ভাদ্র, ১৪৩৩

বেগম পাড়া" ধারাবাহিকের শুভ মহরত অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেগম পাড়া" ধারাবাহিকের শুভ মহরত অনুষ্ঠিত

ছবিতে মহরতের অংশবিশেষ

 মেহেদী হাসান রিপন|যোগফল প্রতিবেদক:

ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো হেদায়েত উল্লাহ তুর্কীর রচনা ও পরিচালনায় দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক ‘বেগম পাড়া’র শুভ মহরত। লাবণ্য মিডিয়া হাউসের ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে নাটকটি।

এতে অভিনয় করছেন বাবুল আহমেদ, আব্দুল্লাহ রানা, সফিক খান দিলু, আমিন আজাদ, আশরাফুল আলম সোহাগ, তুহিন চৌধুরী, কামরুল বাহার, শাহ আলম সিকদার, রাফা নাঈম, তারেক স্বপন, সাব্বির আহমেদ, টুটুল চৌধুরী, কবির টুটুল, শিশির সরদার, শেখ স্বপ্না, লিজা খানম, জয়িতা প্রিয়ন্তী, আসমা শিউলী, শেফালী সাথী, সেঁজুতি খন্দকার, নাবিলা চৌধুরী, আঁখি চৌধুরী, শেখ চাঁদনী, তাবাসসুম মিথিলা, সাদিকা মালিহা সখ, সুমাইয়া নদী, নাসরিন সুলতানা, মুনিয়া মুন, ফাতেমা মৌ, ডালিয়া শারমিন জুই, তানিয়া ইসলাম, তমা ইসলাম, জেনিফার জুই, সোনিয়া, উর্মি আহমেদ, আমেনা পারভীন রুপা, শিমুল চৌধুরী, শামীম মোল্লা, রফিক মিন্টু, ইকে পারভেজ, আকাশ ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, শেখ ফরিদ আহমেদ পলক, ফেরদৌস লুৎফুল বারী, আহমেদ সাব্বির রোমিও, মোল্লা সৌম্য রহমান, নাহিদ খান, টুটুল প্রধান, ছড়া, সুমাইয়া আক্তার রাত্রি, মাইশা আক্তার প্রিয়া, ত্রিধা পাল মান, তাইয়েবা মিশেল, তাহানি শামস নাওমি, ঝুমুর, আনাহিতা, যায়েদ ইবনে মবিয়া, আরাফাত হিমেল, শাহীন আহমেদ, শাহীন আলম জয়, ইকবাল ভুইয়া, সাবিত বিন রাকায়াত, উনাইজা, লাবিবা, আবরার এশাল প্রমুখ।

পরিচালক হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী জানান, কালো টাকা ও প্রভাবশালীদের অবৈধ সম্পদ যারা তাদের বেগম, রক্ষিতা ও গার্লফ্রেন্ডদের নামে গড়ে তুলেছেন, তাদের নিয়েই গড়ে উঠেছে ‘বেগম পাড়া’। এই পাড়ার বাসিন্দাদের সুখ-দুঃখ ও জীবন সংগ্রামের গল্প নিয়েই নাটকটির কাহিনি। এখানে পাঁচ প্রজন্মের কাহিনি তুলে ধরা হবে।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের নীল পদ্ম শুটিং হাউসে নাটকটির দৃশ্যধারণ হবে। আগামী মাস থেকে সপ্তাহে তিনদিন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে এটি প্রচারিত হবে।

শুভ মহরত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লাবণ্য মিডিয়া হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিনথিয়া সুলতানা, নূর জুয়েলার্স বিডির চেয়ারম্যান আরিফ জামান, এস এম মাগুরা রিয়েল স্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সেলিম রেজা, শামীম টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শামীম হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ আলতাফ হোসেন, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ তরিক, ব্যবসায়ী এম এ খালেক, মাজহারুল ইসলাম কিসলু, সলিমুল্লা সলিম, ভিসতা ইলেকট্রনিকসের পরিচালক ইকবাল বিন আনোয়ার ডন, টিউলিপ মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবু, স্টার মাল্টিমিডিয়ার সিইও সাবরিনা সুইটি, বিটিভির সাবেক নাট্যকার সংঘ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, শিল্পী তামান্না সরকার, কলামিস্ট তসলিম উদ্দিন রানা, ব্যারিস্টার শহিদুল ইসলাম, এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, ভিসা পয়েন্টের চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, কর আইনজীবী আমির হোসেনসহ নাটকের কলাকুশলী ও বিভিন্ন পেশাজীবী।

নাটকটিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন শাহীন আহমেদ রাজ, বায়েজিদ আহমেদ ও সৈয়দ নুরুজ্জামান। ব্যবস্থাপনায় থাকবেন মুজাদ্দিদ হোসেন অনুরাগ।

তানজিলা রহমান | বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন 

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শিবপুরে র‍্যালি, সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শিবপুরে র‍্যালি, সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ

ছবিতে ক্রেষ্ট বিতরণ করছে উপজেলা প্রশাসন

 আবু নাঈম রিপন | নরসিংদী সংবাদদাতা:

'রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’' -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, মৎস্য সপ্তাহ ২০২৬ইং উপলক্ষে, রবিবার ১৬ আগস্ট বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা সভা কক্ষে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 এছাড়া,“জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ সফল হোক” স্লোগানে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরের পুকুরে ৩০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পোনা অবমুক্ত করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছা: ফারজানা ইয়াসমিন।  

উক্ত  আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালসহ ক্ষতিকর সব ধরনের জাল ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মাছের প্রজনন ও নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদী-নালা, খাল-বিলের পানি দূষণ রোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছা: ফারজানা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহমিদা শারমিন সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক রিকাবদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহ. আবদুর রহিম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহসিনা জাহান তোরন প্রমুখ।
এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মৎস্য চাষি, সাংবাদিক, ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার তিনজন সফল মৎস্য চাষি,  এনামুল হক, জামাল উদ্দিন ও শফিকুল ইসলামকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন 

ইজারা ব্যবস্থা নিয়ে সিলেটে বাংলাদেশ লেখক শিবিরের ১০ দফা দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইজারা ব্যবস্থা নিয়ে সিলেটে বাংলাদেশ লেখক শিবিরের ১০ দফা দাবি

ইজারা ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট, বিদ্যমান আইন ও বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ লেখক শিবির, সিলেট জেলা শাখা। সভা থেকে বালু, মাটি, পাথর ও পানিসহ প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর জনগণের অধিকার ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেট প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি খালেদ উদ দীন এতে সভাপতিত্ব করেন। সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ ‘ইজারা ব্যবস্থা—প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সভায় বক্তব্য দেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সিলেট জেলা শাখার সমন্বয়ক নুরুল ইসলাম মকবুল, বাংলাদেশ লেখক শিবিরের প্রবীণ রাজনীতিক সদস্য নুরুল হুদা সালেহ, সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার সাবেক সহসভাপতি আকলিছ আহমেদ চৌধুরী, কৃষক-মজুর-মৎস্যজীবী সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক মো. সাহেব আলী, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও সদস্য জুনেদ আহমেদ।

এ ছাড়া গোয়াইনঘাটের দক্ষিণ প্রতাপপুর গ্রামের বাসিন্দা শাওন দেবনাথ, বাংলাদেশ লেখক শিবির সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কবি মজনু মুহিবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক বদরুল ইসলাম মহসিন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার সদস্য শিরিন মিয়া ও আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইউসুফ জামিল, সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী মো. মুহিবুর রহমান এবং অর্থনীতির সহকারী অধ্যাপক শামসুল কিবরিয়াও বক্তব্য দেন।

প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ইজারা ব্যবস্থার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, বিদ্যমান আইন ও আইনের বাস্তব প্রয়োগের নানা দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ইজারা ব্যবস্থার কারণে অর্থনীতি ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

গোয়াইনঘাটের দক্ষিণ প্রতাপপুর গ্রামের বাসিন্দা শাওন দেবনাথ বলেন, বালু উত্তোলনের কারণে দক্ষিণ প্রতাপপুর গ্রামের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে শান্তিগঞ্জের কৃষক-মজুর-মৎস্যজীবী সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক মো. সাহেব আলী উথাইরা গাং এলাকায় পরিবেশ বিপন্ন করে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তুলে ধরেন।

সংগঠনের আরেক সমন্বয়ক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জনগণের সম্পদ বালু, মাটি, পাথর ও জলাশয়ের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাধারণ মানুষকে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান।

নুরুল ইসলাম মকবুল ইজারা ব্যবস্থার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জনগণের আন্দোলন-সংগ্রামের বিষয় তুলে ধরেন। সাংবাদিক বদরুল ইসলাম মহসিন নদী-খাল দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন। দোয়ারাবাজারের শ্রমিক নেতা আব্দুর রাজ্জাক স্থানীয়ভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের সঙ্গে ভূমিদস্যুতার অভিযোগের বিষয়ও আলোচনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে খালেদ উদ দীন বালু, মাটি, পাথর, পানি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর জনগণের অধিকার ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ বাতিল; বালু, মাটি, পাথর ও পানি ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় অধিবাসীদের সম্পৃক্ত করে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন; প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যক্তি খাতে ইজারা না দেওয়া; অভিযুক্ত ইজারাদারদের ব্যাংক হিসাব জব্দের ব্যবস্থা; হাইড্রোগ্রাফিক, ব্যাথিমেট্রিক ও নদীর গঠনগত সমীক্ষার ভিত্তিতে বালুমহাল ও জলমহালের সীমানা নির্ধারণ; বালু, মাটি, পাথর ও পানি উত্তোলন ও বিক্রয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া; এবং নদীর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য, মানুষের জীবন ও জীবিকা সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

সভা শেষে এসব দাবি বাস্তবায়নে সংগঠিতভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে এআই ক্যামেরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে এআই ক্যামেরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে চালু হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’।

আগামী ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করবে হাইওয়ে পুলিশ।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি স্থানে মোট ১৯৯টি এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে যানবাহনের গতি ও চলাচল সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।

অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালানোসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। আইন ভঙ্গের তথ্য শনাক্ত হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চালানোর কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এআইভিত্তিক নজরদারি চালু হলে চালকদের মধ্যে আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়বে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ২০ বছর ধরে যাত্রী পরিবহন করা চালক আসলাম হোসেন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্যামেরায় যানবাহনের চলাচলের ছবি ও তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে আইন ভাঙার পর তা অস্বীকার করার সুযোগ কমে যাবে। জরিমানাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধ করতে হবে। তাই চালক ও গাড়ির মালিক—দুজনকেই আরও সচেতন হতে হবে।

ট্রাকচালক আবু তাহের বলেন, মহাসড়কে অনেক দুর্ঘটনার পেছনে চালকদের বেপরোয়া মনোভাব দায়ী। এআই ক্যামেরার নজরদারি চালু হলে অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা কমবে এবং চালকদের আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়বে।

সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব এক্সিডেন্টসের প্রতিষ্ঠাতা কাজী আবদুর রাজ্জাক (রাশেদ) বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও এটি একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি বাড়লে চালকদের সচেতনতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনার সংখ্যাও অনেকাংশে কমে আসতে পারে।

কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোট ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা কাজ করবে। এর মধ্যে কুমিল্লা অংশে থাকবে ১৯৯টি এআই ক্যামেরা।

তিনি বলেন, এআই ক্যামেরার নজরদারি চালু হলে ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে চালকদের মধ্যে শৃঙ্খলা বাড়বে। পাশাপাশি মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হাইওয়ে পুলিশ সুপার আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ বা জরিমানা আদায় করাই এ ব্যবস্থার উদ্দেশ্য নয়; মহাসড়কে নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক যান চলাচল নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম