খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২১ ভাদ্র, ১৪৩৩

পরকীয়ার অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে নারীকে চেয়ারম্যানের জুতাপেটা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পরকীয়ার অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে নারীকে চেয়ারম্যানের জুতাপেটা

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গ্রাম্য সালিশে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামে ওই সালিশ বসে। সেখানে ২৪ থেকে ২৫ বছর বয়সী এক নারীকে লোকজনের সামনে বসিয়ে জুতাপেটা করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সালিশে উপস্থিত লোকজনের সামনে মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন ওই নারীকে জুতাপেটা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মাথা নিচু করে ধরে পেটে জুতা দিয়ে আঘাত করতেও দেখা যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, চারিপাড়া গ্রামের বিল্লাল হোসেন নামে এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়ার অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের নিয়ে সালিশের আয়োজন করা হয়। সেখানে দুজনকেই শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ওই যুবককে শাস্তি দেওয়ার কোনো ভিডিও প্রকাশ্যে আসেনি।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, শত শত মানুষের সামনে একজন নারীকে এভাবে অপদস্থ করা হলেও কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাননি। তাদের প্রশ্ন, একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে এ ধরনের শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা কে দিয়েছে?

অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ওই নারী প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে সংসার করার সময় পরকীয়ায় জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ ছিল। সামাজিক বিচারে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তিনি সেটিই কার্যকর করেছেন। পরে কিছু ব্যক্তি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তবে আইনজীবীরা বলছেন, গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে কাউকে এভাবে শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার কোনো আইনগত বৈধতা নেই। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলেও তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কুমিল্লা আদালতের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন বলেন, প্রকাশ্যে একজন নারীকে জুতাপেটা করা গুরুতর অপরাধ। ওই নারী কোনো অপরাধ করে থাকলেও তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল। সালিশের মাধ্যমে এ ধরনের শাস্তি দেওয়ার আইনগত ভিত্তি নেই।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। কী কারণে ওই নারীকে এভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তের পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাস মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে রাজশাহী-নাটোর রুটে দুই জেলার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে অন্যান্য জেলার বাসগুলো নাটোরের ওপর দিয়ে রাজশাহী রুটে চলাচল করছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। দিনভর দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সমাধান না হওয়ায় বিকেল পর্যন্ত ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

নাটোরের পরিবহন শ্রমিকরা জানান, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী বাসস্ট্যান্ডে আরপি রোকেয়া ও তুহিন পরিবহণের শ্রমিকদের সঙ্গে রাজশাহীর শ্রমিকদের মারামারির ঘটনা ঘটে।

নাটোর পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, এ ঘটনার পর রাজশাহীর মালিকের একটি বাস নাটোরে আটকে রাখা হলেও পরে সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়। কোনো শ্রমিককে মারধর করা হয়নি। বর্তমানে শুধু নাটোর ও রাজশাহীর মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার বলেন, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস নিয়ম না মেনে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে আলমডাঙ্গা রুটে চলাচলের উদ্যোগ নেয়। বাসটি চলাচলে নাটোর মালিক সমিতি সম্মতি না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে যাত্রীসহ নাটোরের তুহিন পরিবহণ, আরপি নাইচ পরিবহণসহ নয়টি বাস আটকে রেখে শ্রমিকদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এ ঘটনার পর থেকে রাজশাহীর কোনো বাস নাটোরের ওপর দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। একইভাবে নাটোরের মালিকদের বাসও রাজশাহী রুটে যাচ্ছে না। তবে ঢাকাগামী বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

অন্যদিকে রাজশাহী পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক ও রাব্বি পরিবহণের মালিক রজব আলী বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে রাজশাহী থেকে আলমডাঙ্গা রুটে রাব্বি পরিবহণ চালানোর বিষয়ে নাটোর মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।

তিনি দাবি করেন, পরে রাতে নাটোরে রাব্বি পরিবহণের একটি বাস আটক করে এর শ্রমিককে মারধর করা হয়। এ খবর পাওয়ার পর রাজশাহীতে নাটোরের কয়েকটি বাস আটকে রাখা হয়। তবে রাজশাহীর শ্রমিকদের পক্ষ থেকে নাটোরের কোনো শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে রাজশাহী-নাটোর রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, আমাদের বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: খাদ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

 যোগফল প্রতিবেদক: 

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি—এমন মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মানিকগঞ্জে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সুন্দর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। এই সম্প্রীতি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার একটি পরিচয়—আমরা বাংলাদেশি। এটিই আমাদের বড় পরিচয়। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আফরোজা খানম বলেন, তারা অতীতে যেভাবে তাঁর পাশে ছিলেন, এখনো আছেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন—এটাই তাঁর প্রত্যাশা। সুখের সময়ে না ডাকলেও দুঃখের সময়ে তাঁকে ডাকলে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণেই তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছেন। মানুষের পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করার মাধ্যমে সেই দায়িত্বের প্রতিদান দিতে চান তিনি।

জন্মাষ্টমীর আয়োজনকে একটি সুন্দর মিলনমেলা উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে সবার মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে, যা তাঁকে আনন্দিত করেছে।

অনুষ্ঠানে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান দেন খাদ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ ও বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন খাদ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নতুন মডেলে কাজ শুরু: অর্থমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

যোগফল প্রতিবেদক: 

চট্টগ্রাম মহানগরীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) নতুন মডেলে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লুর একটি হলরুমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহ সেবার মান বাড়াতে নতুন পিপিপি মডেল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর ও দক্ষিণ পতেঙ্গার ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে নগরীর পানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠান তিনটির মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তবে সবকিছু শুধু সরকারের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এ কারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এখন অর্থনীতির সংজ্ঞা বদলে গেছে। আগে সরকার একাই অনেক কাজ করত। বর্তমানে সরকারি সেবা সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পার্টনারশিপ মডেল প্রয়োগ করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই মডেল গড়ে তোলা হচ্ছে। এ ধরনের প্রকল্পের সুফল ধরে রাখতে রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি বর্ষাকালে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন সমস্যাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন (বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান) ইয়ান ভ্যান ডার লিন্ডেন উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ু বিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী ছিলেন। এ উদ্যোগে নেদারল্যান্ডস দূতাবাস আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের শুরুতে সিটি করপোরেশনের ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পানি সরবরাহের চাহিদা নিরূপণ করা হবে। এরপর সেখানে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উদ্ভাবনী সরকারি-বেসরকারি পানি সরবরাহ মডেল পরীক্ষা করা হবে।

তাদের মতে, চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে এটি এ ধরনের প্রথম আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা। বাংলাদেশের পানি সরবরাহ খাতে এ উদ্যোগ নতুন দিক উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের উদ্যোগে পরিচালিত একটি সমীক্ষার পর এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম