খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

নাইটক্লাব-কাণ্ডে বারবার শিরোনামে ইংল্যান্ড দল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাইটক্লাব-কাণ্ডে বারবার শিরোনামে ইংল্যান্ড দল

যোগফল প্রতিবেদক:

মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও মাঠের বাইরের নানা ঘটনায় বারবার আলোচনায় আসছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক নাইটক্লাব-কাণ্ড যেন দলটির জন্য অস্বস্তিকর এক বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।

সর্বশেষ ঘটনায় আলোচনায় এসেছেন ইংল্যান্ডের পেসার ব্রাইডন কার্স। গত শনিবার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ডারহামের হয়ে খেলার পর সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদ্‌যাপন করতে নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে এক ঘটনার পর পুলিশ তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে আটক করে। পরে অবশ্য বড় কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি নিয়ে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। বিষয়টি পরে স্বাধীন ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াড থেকে কার্সকে বাদ দিয়ে তাঁর জায়গায় হ্যাম্পশায়ারের পেসার সনি বেকারকে দলে নেওয়া হয়েছে।

কার্সের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বেন স্টোকসের উপস্থিতি। গত কয়েক মাসে ইংল্যান্ড দলের ক্রিকেটারদের ঘিরে নাইটক্লাব ও অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগ একাধিকবার সামনে এসেছে।

এর আগে নিউজিল্যান্ড সফরে হ্যারি ব্রুক, জ্যাকব বেথেল ও জশ টাংকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পরে লন্ডনের একটি নাইটক্লাবের ঘটনায় বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অ্যাশেজের সময় অস্ট্রেলিয়ার নুসায় ইংল্যান্ডের কয়েকজন ক্রিকেটারের অতিরিক্ত মদ্যপানের ঘটনাও ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল।

এসব ঘটনার পর ইংল্যান্ড দলে সান্ধ্যকালীন বিধিনিষেধ বা কারফিউ চালু করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী ঘটনাগুলো দেখিয়েছে, শুধু নিয়ম আর বিধিনিষেধ দিয়ে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।

সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন মনে করেন, এমন আচরণের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন। তাঁর মতে, দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করে এমন আচরণ করলে ক্রিকেটারদের বুঝতে হবে এর পরিণতি কী হতে পারে।

নতুন অধিনায়ক জো রুটও ধারাবাহিক এসব ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, মাঠের বাইরের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে মাঠের পারফরম্যান্স ও দলের অর্জনও আড়ালে চলে যাচ্ছে। ক্রিকেটারদের মাঠের বাইরেও দায়িত্বশীল ও পরিণত আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে বেন স্টোকসের মতে, বিষয়টি শুধু ইংল্যান্ড দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ক্রিকেটের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানের একটি সংস্কৃতি জড়িয়ে আছে, যা পেশাদার ক্রিকেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তেমনভাবে বদলায়নি।

তবে ক্রিকেটারদের মদ্যপান পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়াকে সমাধান হিসেবে দেখছেন না অনেকে। বরং কখন, কোথায় এবং কতটা মদ্যপান করা উচিত—সে বিষয়ে দায়িত্বশীলতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়াই বেশি জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ড দল ইতোমধ্যে কারফিউ, সতর্কবার্তা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধের মতো পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু এরপরও যদি একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটে, তাহলে শুধু শাস্তি নয়, দলের সংস্কৃতি ও ক্রিকেটারদের পেশাদার আচরণ নিয়েও নতুন করে ভাবতে হবে।

নইলে মাঠে যতই সাফল্য আসুক, কিছুদিন পরপর মাঠের বাইরের ‘নাইটক্লাব-কাণ্ড’ই ইংল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।