খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে কচু-লতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে কচু-লতি

 যোগফল প্রতিবেদক:

একসময় গ্রামের নিম্নবিত্ত মানুষের খাবার হিসেবে পরিচিত ছিল কচু-লতি। সময়ের সঙ্গে সেই ধারণা বদলে গেছে। এখন কুমিল্লার বরুড়ায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত কচু-লতি দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

ধানের তুলনায় কচু-লতি চাষে লাভ বেশি হওয়ায় বরুড়ার অনেক কৃষক ধান চাষের পরিবর্তে এ সবজি চাষে ঝুঁকেছেন। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে কচু-লতি চাষ হচ্ছে। এ চাষকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানও।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরুড়ায় বর্তমানে প্রায় ৪৫৯ হেক্টর জমিতে আড়াই হাজারের বেশি কৃষক বাণিজ্যিকভাবে কচু-লতি চাষ করছেন। বছরে প্রায় ১৭০ থেকে ১৮০ মেট্রিক টন কচু-লতি রপ্তানি হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ কোটি টাকা।

উপজেলার আগানগর, ভবানীপুর, শিলমুড়ী উত্তর ও খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নে কচু-লতির চাষ বেশি হচ্ছে। ২০১৫ সালের দিকে এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে কচু-লতি চাষ শুরু হয়। কম উৎপাদন খরচ, দ্রুত ফলন এবং তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়ায় ধীরে ধীরে কৃষকদের মধ্যে এ চাষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন বরুড়া থেকে বিপুল পরিমাণ কচু-লতি দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পাঠানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষেত থেকে লতি সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো ট্রাকে করে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বাছাই করা উন্নতমানের কচু-লতি বিভিন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশের বাজারে পৌঁছে যায়।

ক্ষেত থেকে লতি সংগ্রহের পর তা পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করে আঁটি বাঁধা হয়। এরপর পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। ভালো মানের মোটা ও লম্বা লতিই মূলত রপ্তানির জন্য বাছাই করা হয়।

বরুড়ার আগানগর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামে শনি ও মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন কচু-লতির হাট বসে। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা লতি নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররাও সেখানে জড়ো হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাট জমজমাট হয়ে ওঠে।

বারাইপুর গ্রামের কৃষক হারুন উর রশীদ জানান, বর্তমানে প্রতি কেজি লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার লতি সংগ্রহ করে বিক্রি করা যায়। তিনি ৪৫ শতাংশ জমিতে কচু-লতি চাষ করে এ পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি করেছেন। তাঁর মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা।

আরেক কৃষক আব্দুল মতিন বলেন, এখন তাঁদের বাজারে নিয়ে যেতে হয় না। ব্যবসায়ীরাই অনেক সময় বাড়ি থেকে লতি সংগ্রহ করে নিয়ে যান। ভালো মানের মোটা লতি কেজিপ্রতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং চিকন লতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারদের ভাষ্য, ভালো মানের কচু-লতি স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও পাঠানো হয়। ঢাকার বিভিন্ন আড়তে পাঠানোর পর রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে এসব পণ্য বিদেশের বাজারে পৌঁছে যায়।

একজন পাইকার জানান, গত কয়েক বছর ধরে তিনি বরুড়া থেকে কচু-লতি কিনে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর আড়তে পাঠাচ্ছেন। ভালো মানের লতি কয়েক ধাপ হাতবদল হয়ে রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে বিদেশে যায়।

বরুড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলার প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কচু-লতি চাষের সঙ্গে জড়িত। কৃষকদের উৎপাদন বাড়ানো এবং বিদেশে রপ্তানির উপযোগী মান বজায় রাখতে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কচু-লতি চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। সঠিক চাষাবাদ ও মান নিশ্চিত করা গেলে এ সবজি রপ্তানির মাধ্যমে কৃষকদের আয় আরও বাড়ানো সম্ভব।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।