খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২ ভাদ্র, ১৪৩৩

অবশেষে আসছে ‘মহানগর ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অবশেষে আসছে ‘মহানগর ৩

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ অপেক্ষার পর জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’-এর তৃতীয় সিজন আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। নিজের জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে নতুন একটি চিত্রনাট্যের কাজ শেষ করার কথা জানান তিনি। ভিডিওর ইঙ্গিত ও পরবর্তী মন্তব্যের জবাব থেকেই দর্শকদের ধারণা, ‘মহানগর ৩’ নিয়ে কাজ করছেন এই নির্মাতা।

২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মহানগর’ ওয়েব সিরিজটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। গল্প, নির্মাণ ও অভিনয়ের কারণে বাংলাদেশে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ভারতেও সিরিজটি আলোচনায় আসে।

প্রথম সিজনের সাফল্যের পর দর্শকদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই বছর পর মুক্তি পায় দ্বিতীয় সিজন। দ্বিতীয় সিজনও দর্শকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। এরপর থেকেই তৃতীয় সিজন নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়।

গত কয়েক বছর ধরে ‘মহানগর ৩’ কবে আসবে—এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। তবে এতদিন নতুন সিজন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেননি তিনি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আশফাক নিপুণ। সেখানে দর্শকদের উদ্দেশে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর আহ্বান জানান তিনি। ভিডিওর শেষদিকে তিনি বলেন, ‘যাইহোক, এখন স্ক্রিপ্টটা শেষ করে আসি। হাতে বেশি সময় নেই।’

ভিডিওতে নিজের কণ্ঠে ‘মহানগর’ সিরিজের পরিচিত ইন্ট্রো মিউজিকও গাইতে শোনা যায় তাঁকে। এরপরই দর্শকদের মধ্যে ‘মহানগর ৩’ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দর্শক নির্মাতার কাছে জানতে চান, ‘মহানগর ৩’ কবে আসবে? জবাবে আশফাক নিপুণ শুধু লেখেন, ‘ইয়েস।’ তাঁর এই উত্তরকে তৃতীয় সিজন নির্মাণের স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন দর্শকরা।

তবে নতুন সিজনের শুটিং কবে শুরু হবে কিংবা ‘মহানগর ৩’ কবে মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানাননি নির্মাতা।

‘মহানগর’-এর প্রথম দুই সিজনে ওসি হারুন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মোশাররফ করিম। জানা গেছে, তৃতীয় সিজনেও এই জনপ্রিয় চরিত্রে তাঁকে দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি নতুন সিজনে ওপার বাংলার অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে দেখা যেতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

সব মিলিয়ে, নির্মাতার সাম্প্রতিক ইঙ্গিতে ‘মহানগর’-এর ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু নির্মাতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও নতুন সিজনের মুক্তির।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুড়িগ্রামে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫০০ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রামে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫০০ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

 যোগফল প্রতিবেদক:

কুড়িগ্রামে এসএসসি ও দাখিল সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৫০০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা শাখা। একই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম পৌর অডিটোরিয়াম হলরুমে ‘মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫০০ শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বক্তব্য এবং ক্যারিয়ারবিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল।

জেলা শিবিরের সেক্রেটারি মোবাশ্বের রাশেদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বপন, চিকিৎসক ডা. মো. আমিনুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ আব্দুল্লাহ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ভালো ফলাফল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ গঠনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ভবিষ্যতে যে পেশাতেই যাওয়া হোক, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞান, দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ অর্জন জরুরি। তরুণ প্রজন্মকে মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে এবং অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে: দুলু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে: দুলু

 যোগফল প্রতিবেদক:

দেশে কৃষকদের চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে লালমনিরহাট সার্কিট হাউসে সার বিক্রি, বিতরণ ও মজুদ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মজুদ রয়েছে। ফলে কৃষকদের চাহিদা পূরণে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সার মৌসুমকে কেন্দ্র করে মজুদদারি, কালোবাজারি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার মতো কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এ ধরনের অপতৎপরতার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সার উত্তোলন, বিতরণ ও বিক্রির পাশাপাশি ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে কৃষি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিতে সরকার তিন সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই কমিটির সদস্য করা হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুকে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহা. রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

সভায় জেলার সার ব্যবসায়ী ও ডিলাররাও উপস্থিত ছিলেন।

jসাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র হবে: মন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র হবে: মন্ত্রী

 যোগফল প্রতিবেদক:

খামারিদের উৎপাদিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্যাকেজিং, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে স্থানীয় পর্যায়ে ছোট আকারের প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এতে উৎপাদকরা পণ্যের সঠিক মূল্য পাওয়ার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) মুন্সীগঞ্জের উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সুফলভোগী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার পরও কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে তা বরদাশত করা হবে না। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

কৃষি উৎপাদনের সঠিক তথ্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, কোন এলাকায় কত জমিতে কী ধরনের ফসল উৎপাদিত হচ্ছে, কী পরিমাণ সার ও বীজ প্রয়োজন এবং উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা কত—এসব তথ্য আগে থেকেই সরকারের হাতে থাকা প্রয়োজন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এসব তথ্য সংরক্ষণ করা গেলে কৃষি উপকরণ সরবরাহ আরও সুশৃঙ্খল করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, দুধ উৎপাদন ও বিক্রি কিংবা পান চাষ—এসব কর্মকাণ্ডও কৃষির অংশ। কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।

মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে জলাশয়ে অভয়াশ্রম স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলার খাস জলাশয়ে পরিকল্পিতভাবে মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হবে। শুষ্ক মৌসুমে এসব অভয়াশ্রম মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে এবং বর্ষাকালে মাছের প্রজনন ও বিস্তারে ভূমিকা রাখবে। তবে এ উদ্যোগ সফল করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বাংলাদেশকে কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভর দেশ থেকে রপ্তানিমুখী দেশে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পণ্যের মান নিশ্চিত, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এ সময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং প্রকল্পের সুফলভোগী খামারিরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিম।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ২৫ জন সুফলভোগী প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ২৫টি বকনা গরু ও প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য বিতরণ করা হয়। এছাড়া ১০০ জন কৃষক-কৃষাণীর মাঝে ৫০০টি উন্নত জাতের বৃক্ষের চারা দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রী ফুলদী নদীর খালে রুই জাতীয় ২৮৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম