খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধস, প্রাণহানি ৬০০ ছাড়িয়েছে; নিখোঁজ দুই হাজার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধস, প্রাণহানি ৬০০ ছাড়িয়েছে; নিখোঁজ দুই হাজার

 যোগফল প্রতিবেদক:

পাহাড়ি ঢল আর ধসের পর ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে নেপাল। তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় হঠাৎ নেমে আসা প্রবল স্রোত ও কাদাপানিতে ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ। দুর্গত এলাকাগুলোতে এখনো চলছে নিখোঁজদের সন্ধান ও আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দেশটির পুলিশের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এই দুর্যোগে নেপালে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ।

এদিকে নেপালের পাশাপাশি তিব্বতেও এ দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে। চীনের পক্ষ থেকে তিব্বতে অন্তত সাতজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৬২৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর নেপালে এটি সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী দুর্যোগগুলোর একটি।

জানা গেছে, পাহাড়ের ওপর বিশাল একটি হিমবাহ ধসে পড়ার পর পাথর, বরফ ও পানির মিশ্রণে ভয়াবহ কাদা-পানির স্রোত তৈরি হয়। পরে সেই স্রোত পাহাড়ি নদীগুলো দিয়ে নেমে এসে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

প্রবল স্রোতে নদীর পানি উপচে পড়ায় প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। বহু ঘরবাড়ি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দুর্গত অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছে নেপাল সরকার। দুর্গত এলাকায় নিখোঁজ ও আটকা পড়া মানুষদের সন্ধানে হেলিকপ্টার ও সেনাসদস্যদের ব্যবহার করে বড় আকারের উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ ধ্বংস, অক্ষত সবুজ বাড়ির পরিবার উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ ধ্বংস, অক্ষত সবুজ বাড়ির পরিবার উদ্ধার

 যোগফল প্রতিবেদক:

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় চারপাশের ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেলেও প্রবল স্রোতের মাঝেও অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল একটি সবুজ রঙের দোতলা বাড়ি। বাড়িটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

বন্যার তীব্র স্রোতে কাদা-পানি ও ধ্বংসাবশেষের তোড়ে আশপাশের একের পর এক ঘরবাড়ি ভেসে যেতে দেখা যায়। কিন্তু প্রবল পানির মধ্যে সবুজ বাড়িটি শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় নজর কাড়ে নেটিজেনদের।

এরই মধ্যে জানা যায়, বাড়িটির ভেতরে একটি পরিবার আটকা পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকে। পরিবারটির জন্য প্রার্থনাও করেন তারা।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে জানানো হয়, বাড়ির ভেতরে থাকা পরিবারের সব সদস্যই নিরাপদে আছেন এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরে আসে নেটিজেনদের মধ্যে।

বাড়িটি কীভাবে ভয়াবহ স্রোতের মধ্যেও অক্ষত থাকল, তা নিয়েও অনলাইনে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই ভবনটির নির্মাণকৌশল ও মজবুত কাঠামোর প্রশংসা করেছেন।

ঘটনার ভিডিওগুলো ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ তা দেখেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতের পাঞ্জাবে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ আগস্ট মনজিৎ কৌর নামে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা রেকর্ড না করার অভিযোগে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত শুভি ও পিন্ডা তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ এলাকায় ডেকে পাঠান। সেখানে তাকে মারধরের পর জোর করে একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের একটি বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশের ভাষ্য, বনাঞ্চলে নেওয়ার পর অভিযুক্তরা মনজিতকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। পরে এক পরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় মনজিতকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতাল হয়ে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিৎ সচেতন ছিলেন এবং নিজের বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেনি।

গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের মৃত্যু হয়। এরপর পিজিআই পুলিশ পোস্ট থেকে খারার সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসপাতালে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ থানায় নিয়ে তার জবানবন্দি নেওয়া হয়। বুধবার রাতে এ ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার পিজিআইএমইআরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনা চণ্ডীগড়ে হওয়ায় এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল চণ্ডীগড় পুলিশের। খারার পুলিশ নিহতের মাকে সহযোগিতা করেছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে বলেও জানিয়েছে তারা।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার ঘটনাটি পুনর্নির্মাণ করে তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ কেন কাজে লাগানো হয়নি, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিলেটে ডিজিটাল জার্নালিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেটে ডিজিটাল জার্নালিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার জ্ঞান উন্নয়নের লক্ষ্যে সিলেটে ডিজিটাল জার্নালিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সিলেট নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল নিউ গ্র্যান্ড ভিউ পার্টি সেন্টারে সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ঢাকাভিত্তিক একটি মিডিয়া ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষকদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সিলেট বিভাগের চার জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।

সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মিডিয়া ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ নয়ন। মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ দেন যুবরাজ ফয়সল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ইসমাঈল আহসান ও ইব্রাহিম হাসান হাসনাইন।

সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. সুয়েজ হোসেনের সঞ্চালনায় এবং সাধারণ সম্পাদক সুহেল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসকের যুগ্ম মহাসচিব ও বিভাগীয় প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা জোসেফ আলী চৌধুরী, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম ডেনি, নিউজ বাংলার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মো. আমীর হোসেন সোহাগ, বিনোদন রিপোর্টার নোমান উদ্দিন রিপন, ফটোজার্নালিস্ট রহিমা রিমাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

কর্মশালায় ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক, সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, আধুনিক সাংবাদিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম