খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ?

যোগফল প্রতিবেদক: 

রাজশাহী প্রতিনিধি: একসময় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন রাজশাহীর বাগমারার ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ। কয়েক বছরের ব্যবধানে বদলে গেছে তার জীবনযাত্রা। গড়ে তুলেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি, ব্যবহার করছেন বিলাসবহুল গাড়ি। পাশাপাশি কোটি কোটি টাকার ব্যবসা ও এনজিও গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাগমারায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনে ফিরোজ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। পলাতক নেতাকর্মীদের আশ্রয় দেওয়া, গোপন বৈঠকের আয়োজন এবং সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের কারণে প্রশ্ন উঠেছে, অটোরিকশাচালক থেকে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠা ফিরোজই কি বাগমারায় আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের নেপথ্যের অন্যতম কারিগর?

অভিযোগ রয়েছে, রাজশাহী জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের দিকনির্দেশনায় ফিরোজ এলাকায় সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। শুধু বাগমারাতেই নয়, ঢাকার সাভারেও একটি বড় বাড়ি ভাড়া নিয়ে বাগমারা থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সেখানে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ছাড়া ফিরোজের কাছে আওয়ামী লীগের বিপুল অঙ্কের তহবিল আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজের বক্তব্য জানা যায়নি।

সূত্র জানায়, গত ১২ আগস্ট ফিরোজের নিজস্ব এনজিও কার্যালয়ে একটি গোপন বৈঠক চলছিল। এ সময় পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ফিরোজের কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে গেলেও ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে ফিরোজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তার আর্থিক সক্ষমতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে পলাতক নেতাকর্মীদের আশ্রয় এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, অটোরিকশাচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা ফিরোজ অল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন, তার অর্থের উৎস এবং ব্যবসা ও এনজিও কার্যক্রম নিয়েও এলাকায় নানা প্রশ্ন রয়েছে।

তবে ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভূরুঙ্গামারীতে এনসিপির ৩ মাসের কমিটি, আহ্বায়ক মাহফুজুল ইসলাম কিরণ, সদস্য সচিব মোর্শেদুর রহমান আনিস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভূরুঙ্গামারীতে এনসিপির ৩ মাসের কমিটি, আহ্বায়ক মাহফুজুল ইসলাম কিরণ, সদস্য সচিব মোর্শেদুর রহমান আনিস

 যোগফল প্রতিবেদক:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আগামী তিন মাসের জন্য আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. মুকুল মিয়া ও সদস্য সচিব মো. মামুন মিয়ার স্বাক্ষরে ৩ মাস মেয়াদি এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে মো. মাহফুজুল ইসলাম (কিরণ) আহ্বায়ক এবং মো. মোর্শেদুর রহমান (আনিস) সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. আবু শামীমকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. মেহেদিকুল রহমান (মজলু), মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান (মিন্টু), মো. নাহিদ হাসান (প্রিন্স), মো. শরিফুল ইসলাম, মো. মাহমুদ হাসান ও আবুল কালাম আজাদ।

সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব পদে রয়েছেন মো. জহুরুল ইসলাম। যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে নূর আমিন লেবু, মো. কবিরুল রহমান ও মাহবুব উল আলমকে।

সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আল হেলাল খান, মো. শফিউল আলম (সানু), মো. গোলাম হোসেন (মামুন) ও মো. আশরাফুল আলম (শান্ত)।

এ ছাড়া কমিটিতে আরও ১৯ জনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মো. মাহফুজুল ইসলাম (কিরণ) ও সদস্য সচিব মো. মোর্শেদুর রহমান (আনিস) বলেন, নতুন দায়িত্বে তারা সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে কাজ করবেন। পাশাপাশি ভূরুঙ্গামারীর মানুষের সার্বিক উন্নয়ন, স্থানীয় সমস্যা সমাধান এবং দলের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারা বলেন, এনসিপি ইনসাফের লড়াইয়ের একটি রাজনৈতিক দল। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রেখে দেশের জন্য ইতিবাচক কিছু করার লক্ষ্যেই তারা কাজ করতে চান। এ দায়িত্ব দেওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা।

এদিকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা নবগঠিত কমিটির সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফেসবুক থেকে সরে গেলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফেসবুক থেকে সরে গেলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর

 যোগফল প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। ইতোমধ্যে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করেছেন তিনি।

সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) একটি সিনেমার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ফেসবুক ছাড়ার বিষয়টি জানান আসিফ আকবর।

ফেসবুকের বর্তমান পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একসময় এটি ছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। তবে এখন এখানে নানা ধরনের প্রচার, অনলাইন কেনাকাটা ও বিভিন্ন কার্যক্রম যুক্ত হয়েছে। তার মতে, ফেসবুক এখন আর আগের জায়গায় নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই শিল্পী। তিনি বলেন, কোন তথ্য সত্য আর কোনটি গুজব—তা আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভিন্ন খবর ছড়িয়ে পড়ায় তারকাদেরও বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আসিফ আকবর বলেন, অনেক সময় তার নামে এমন বক্তব্য বা মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি কখনোই দেননি। পরে বিষয়টি যাচাই করতে হয় এবং সত্যতা পরিষ্কার করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।

তার ভাষায়, ‘কোন নিউজ বিশ্বাস করব, কোনটি সত্য—বলা যায় না। আমাকে রিউমার স্ক্যান করে ফোন দিয়ে বলতে হয়, ভাই, আমি তো এটা বলিনি।’

আসিফ আকবরের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে সেটি যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে তারকাদের নিয়ে কোনো বক্তব্য বা খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য ভুলও মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য ও গুজবের এমন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মটি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই কণ্ঠশিল্পী। এরই মধ্যে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কেন লোকচক্ষুর আড়ালে ব্যারন ট্রাম্প?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কেন লোকচক্ষুর আড়ালে ব্যারন ট্রাম্প?

 যোগফল প্রতিবেদক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প বর্তমানে অনেকটাই জনসম্মুখ এড়িয়ে চলছেন। ২০ বছর বয়সী ব্যারন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে থাকলেও পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও তিনি নিজেকে আড়ালে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যারন খুব একটা বাইরে বের হন না। ট্রাম্প পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র তাকে ‘অন্তর্মুখী’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

গত কয়েক বছরে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একাধিক হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ার বাটলারে নির্বাচনী সমাবেশে গুলিতে আহত হন ট্রাম্প। একই বছরের সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডায় তার গলফ কোর্সে এক বন্দুকধারী তাকে হত্যার চেষ্টা করে।

এ ছাড়া ২০২৬ সালের ২৫ এপ্রিল হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারেও বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনার পর ট্রাম্প পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে ব্যারনও হুমকির লক্ষ্য হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের কট্টরপন্থীদের একটি ভিডিওতে ব্যারনকে হত্যার হুমকি দিয়ে তার মাথার জন্য ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। একই পক্ষের হুমকির লক্ষ্য হয়েছেন মেলানিয়া ট্রাম্পও।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করেছেন ব্যারন। গ্রীষ্মের বেশিরভাগ সময় তিনি মা মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে ট্রাম্প পরিবারের গলফ ক্লাবে কাটিয়েছেন।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যারন কোথাও গেলে জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় বেশি সময় অবস্থান করেন না। সাধারণত দ্রুত নিজের ব্যক্তিগত পরিসরে ফিরে যান।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ডও ব্যারনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল বলে জানা গেছে। কার্কের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

লেখক ম্যাগি হ্যাবারম্যান ও জোনাথন সোয়ানের দাবি, কার্কের মৃত্যুর খবর বাবাকে জানানোর সময় ব্যারন বলেছিলেন, ‘তুমি বাইরে বের হলে এটাই হয়।’ ঘটনাটি তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয় বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

ব্যারনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য মেলানিয়া ট্রাম্পের কার্যালয় গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে। ছেলের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়ে মেলানিয়া দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক।

২০২২ সালে ব্যারনের ১৬ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর তার সিক্রেট সার্ভিস নিরাপত্তা বন্ধ হওয়ার কথা থাকলেও মেলানিয়ার অনুরোধে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার নিরাপত্তা বাড়ানোর অনুমতি দেন।

২০২৫ সালে মেলানিয়াকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্রেও ব্যারনের জনসম্মুখে আসার অনীহার বিষয়টি উঠে আসে। শপথ অনুষ্ঠানের সময় ট্রাম্প পরিবারের সদস্যদের পেনসিলভেনিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হলে মেলানিয়া বলেছিলেন, ব্যারন বাইরে যেতে চাইবে না এবং তিনি তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে থাকার কারণে ব্যারন সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অন্যদের তুলনায় বেশি সচেতন হয়ে উঠতে পারেন। তবে অন্তর্মুখী স্বভাব থাকলেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

ট্রাম্প পরিবারের অন্য সন্তানদের তুলনায় ব্যারনের জীবনযাপনও বেশ আলাদা। ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্প পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইভাঙ্কা ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। টিফানি ট্রাম্পও মাঝে মাঝে বাবার সঙ্গে জনসম্মুখে দেখা দেন।

অন্যদিকে ব্যারন নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মার-আ-লাগো ও নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে তার জন্য আলাদা ব্যক্তিগত জায়গা রয়েছে। এমনকি হোয়াইট হাউসেও তার ৬ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতার উপযোগী করে বিশেষ আসবাবপত্র তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্যারনের বর্তমান জীবনযাপন ও জনসম্মুখে আসার অনীহা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে তিনি রাজনীতির পরিবর্তে ব্যবসার দিকে যেতে পারেন। তবে আপাতত নিজের ব্যক্তিগত জীবন, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রাখাই তার প্রধান অগ্রাধিকার বলে মনে হচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম