খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

কুয়াকাটায় জেলের জালে বিরল ‘স্লেন্ডার সানফিশ’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুয়াকাটায় জেলের জালে বিরল ‘স্লেন্ডার সানফিশ’

 যোগফল প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ‘স্লেন্ডার সানফিশ’। মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম রাঞ্জানিয়া লেইভিস (Ranzania laevis)।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে সাগরে মাছ ধরার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি জেলেদের জালে উঠে আসে। পরে মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরের শাহীন এন্টারপ্রাইজের আড়তে নেওয়া হয়। বিরল আকৃতির মাছটি দেখতে সেখানে স্থানীয় মানুষ ও মাছ ব্যবসায়ীদের ভিড় জমে যায়।

প্রায় ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের মাছটির আকৃতি সাধারণ সামুদ্রিক মাছের তুলনায় বেশ আলাদা। জেলেদের অনেকেই এমন মাছ আগে কখনো দেখেননি। মাছটি বিষাক্ত হতে পারে—এমন আশঙ্কায় কেউ এটি কিনতেও আগ্রহ দেখাননি।

জেলে সাইফুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাগরে মাছ শিকার করলেও এমন মাছ এর আগে তার চোখে পড়েনি। একই কথা জানান আরেক জেলে আবদুর রব। তার ভাষ্য, অন্যান্য মাছের সঙ্গে জালেই মাছটি ধরা পড়ে এবং বন্দরে আনার পর এটি দেখতে মানুষের ভিড় হয়।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, মাছটির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে প্রাথমিকভাবে এটিকে স্লেন্ডার সানফিশ বলে মনে হচ্ছে। এটি সাধারণ বাণিজ্যিক মাছ নয়; মূলত খোলা সমুদ্রের একটি মহাসাগরীয় প্রজাতি। অনিচ্ছাকৃতভাবে মাছ ধরার জালে এ ধরনের মাছ উঠে আসতে পারে এবং বঙ্গোপসাগরেও এ প্রজাতির উপস্থিতির তথ্য রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের বিরল প্রাণীর উপস্থিতি বঙ্গোপসাগরের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। তাই এমন মাছ ধরা পড়লে শুধু বাজারজাত না করে কোথায়, কত গভীরে ও কী ধরনের জালে মাছটি ধরা পড়েছে—এসব তথ্যের পাশাপাশি এর দৈর্ঘ্য ও ওজন সংরক্ষণ করা জরুরি। এতে বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য ও প্রজাতির বিস্তৃতি নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, বঙ্গোপসাগর জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। বিভিন্ন সময়ে জেলেদের জালে বিরল ও অল্প পরিচিত সামুদ্রিক প্রাণী ধরা পড়ছে। স্লেন্ডার সানফিশ ধরা পড়ার ঘটনাটিও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তিনি বলেন, এ ধরনের বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়লে জেলেদের দ্রুত মৎস্য বিভাগকে জানানো উচিত। এতে মাছটির সঠিক পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নোয়াখালীর দুই হোটেলে অভিযান, নারী-পুরুষসহ আটক ৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীর দুই হোটেলে অভিযান, নারী-পুরুষসহ আটক ৮

 যোগফল প্রতিবেদক:

নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারের দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে চার নারী ও চার পুরুষসহ আটজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তাদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, চৌমুহনী পৌরসভার চৌমুহনী বাজারের মিয়ামী ও স্কাইভিউ আবাসিক হোটেলে পৃথকভাবে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।

আটক চার পুরুষ হলেন—সোনাইমুড়ী উপজেলার পূর্ব মির্জানগর গ্রামের মো. সোহাগ (৪০), নজরপুর গ্রামের ইকবাল হোসেন (৪২), দৌলতপুর গ্রামের জুনায়েদ (২৭) এবং হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা গ্রামের মো. মুন্না (২৩)।

নোয়াখালী পুলিশ সুপারের নির্দেশনা এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নোয়াখালী ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টঙ্গী থানায় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টঙ্গী থানায় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান

 যোগফল প্রতিবেদক:

গাজীপুরের টঙ্গীতে পৃথক অভিযানে ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৩০ আগস্ট) টঙ্গী পশ্চিম থানায় পাঁচজন এবং টঙ্গী পূর্ব থানায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর সময় টঙ্গী পূর্ব থানার ভেতরে অপেক্ষমাণ কয়েকজন স্বজন ও সমর্থক রাজনৈতিক স্লোগান দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তাদের মুখে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ও ‘জয় জননেত্রী শেখ হাসিনা’ স্লোগান শোনা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

থানার মতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত স্থাপনার ভেতরে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক স্লোগানের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতি থানার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার সময় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ভিডিও ধারণ করেন। তাদের কয়েকজনের অভিযোগ, পরে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি ও সংশ্লিষ্ট সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মোবাইল ফোন থেকে স্লোগানের ভিডিও মুছে দিতে বলেন। তবে ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগের কারণ ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

টঙ্গী পশ্চিম থানায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বড় দেওরা এলাকার মো. ফারুক (২৮), শেরপুরের ঝিনাইগাতী এলাকার আলামিন (৩১), নোয়াখালীর মাইজদী এলাকার সাকিবুল হোসেন ওরফে শাকিব (১৯), ঢাকার দোহার এলাকার শিহাব (২৭) এবং নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ এলাকার মিনহাজ মাসুম (২৮)।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফারুক ছাত্রলীগের সদস্য, আলামিন সক্রিয় সদস্য, সাকিবুল হোসেন ৫১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং মিনহাজ মাসুম গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য। শিহাবের কোনো সাংগঠনিক পদ উল্লেখ করা হয়নি।

অন্যদিকে, টঙ্গী পূর্ব থানার মরকুন মাস্টারপাড়া এলাকার মো. মতিন (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুল আলম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না: রাষ্ট্রপতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না: রাষ্ট্রপতি

যোগফল প্রতিবেদক: 

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না এবং গুমের শিকার হয়ে কোনো মা বা স্ত্রীকে প্রিয়জনের জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। দিনটি গুমের শিকার মানুষ ও তাদের পরিবারের বেদনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

তিনি বলেন, গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয়, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গুমের মাধ্যমে শুধু একজন মানুষকে নয়, তার পরিবারের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্তিত্বও কেড়ে নেওয়া হয়। এটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন।

গত দেড় দশকের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, সে সময় গুম ও গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক তৈরি করেছিল। ভিন্নমত প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ কিংবা গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে গুম ও গোপনে হত্যার অভিযোগও ওঠে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ অনেকে গুমের শিকার হয়েছেন। আইনজীবী ব্যারিস্টার আরমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে দীর্ঘদিন আটক রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও গুম করে বিদেশে ফেলে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফিরে এলেও এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে সুনির্দিষ্টভাবে গুম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের বেছে বেছে গুম ও গোপনে হত্যার যে চিত্র তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

রাষ্ট্রপতি জানান, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সনদে স্বাক্ষর করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে গুম ও গণহত্যার বিচারের কাজ স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলোর সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, তবে ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। রাষ্ট্রের ক্ষমতার ওপর সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক এবং নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করছেন—সেটিই প্রকৃত উন্নয়নের মাপকাঠি।

সবশেষে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না।’

গুমের সঙ্গে জড়িতদের, তারা যত ক্ষমতাবানই হোক, আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে রাষ্ট্র আন্তরিকভাবে দাঁড়াবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম