খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

রাজাবাড়ীতে ফারুককে ঘিরে দুই অভিযোগ, ফিজিওথেরাপি ও অনলাইন বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজাবাড়ীতে ফারুককে ঘিরে দুই অভিযোগ, ফিজিওথেরাপি ও অনলাইন বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

 যোগফল প্রতিবেদক:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নে ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে ঘিরে ফিজিওথেরাপি সেবা ও অনলাইন বিনিয়োগ নিয়ে পৃথক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশ তাঁর ফিজিওথেরাপি চেম্বার পরিচালনার যোগ্যতা ও অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিপিং প্রতিষ্ঠান MSC-এর নাম ব্যবহার করে অনলাইনে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও করেছেন কয়েকজন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্রীপুরের নলগাঁও গ্রামের ফারুক রাজাবাড়ীতে একটি চেম্বার পরিচালনা করে নিজেকে ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন এবং প্যারালাইসিসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের থেরাপি দিচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, ফারুক নিজেই ছয় মাসের ফিজিওথেরাপি প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এ কারণে রোগীদের ফিজিওথেরাপি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, সনদ ও পেশাগত নিবন্ধন রয়েছে কি না—তা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে প্যারালাইসিস রোগীদের মতো জটিল শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেরাপি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পেশাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি তাদের।

স্থানীয়রা আরও জানান, ফারুকের সহযোগী হিসেবে হেনা আক্তার হোসেন নামে এক নারী কাজ করছেন। তাঁর বাড়ি রাজাবাড়ী ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনিও ফারুকের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং রোগীদের ফিজিওথেরাপি কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত নিবন্ধন নিয়েও যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

অনলাইন বিনিয়োগ নিয়েও অভিযোগ

ফারুককে ঘিরে দ্বিতীয় অভিযোগটি অনলাইন বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগকারীদের দাবি, আন্তর্জাতিক শিপিং প্রতিষ্ঠান MSC-এর নাম ব্যবহার করে কনটেইনার লিজ ও বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে নির্দিষ্ট সময় পর লাভ দেওয়ার আশ্বাস দেখিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়নের দলজোড় গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীদের মধ্যে কয়েকজন নারীও রয়েছেন। তাঁদের দাবি, আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করায় তারা কার্যক্রমটিকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করে এতে অর্থ বিনিয়োগ করেন।

কয়েকজন অভিযোগকারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে বিনিয়োগের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁদের ধারণা, মোট অর্থের পরিমাণ কোটি টাকার কাছাকাছি বা তারও বেশি হতে পারে। তবে মোট কতজন বিনিয়োগ করেছেন এবং কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, তা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীরা আরও জানান, কিছুদিন অনলাইন কার্যক্রম চলার পর হঠাৎ সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ও বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অনেক বিনিয়োগকারী অ্যাপটিতে প্রবেশ করতে পারছেন না এবং বিনিয়োগ করা অর্থ উত্তোলনেও সমস্যার মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন।

দলজোড় গ্রামের কয়েকজন নারী বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নাম ও লাভের আশ্বাসের কারণে তারা কার্যক্রমটিকে বৈধ ও নিরাপদ মনে করেছিলেন। পরে অ্যাপ ও অনলাইন গ্রুপ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

তবে MSC-এর নাম ব্যবহার করে পরিচালিত কোনো অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলেই সেটি ওই প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত কার্যক্রম—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

তদন্তের দাবি

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযোগকারীরা বলছেন, বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে ফিজিওথেরাপি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অনুমোদন রয়েছে কি না এবং অনলাইন বিনিয়োগের নামে প্রকৃতপক্ষে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে।

তারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি কার্যক্রমটি যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অনলাইন বিনিয়োগের অভিযোগের বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তাদের দাবি, তদন্তে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তবে ফারুকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো এখনো তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে ফারুকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযোজন করা হবে।

অভিযোগকারী ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।