খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

সত্যের পক্ষে সাংবাদিকতা, সমাজে দায়িত্বশীল ভূমিকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সত্যের পক্ষে সাংবাদিকতা, সমাজে দায়িত্বশীল ভূমিকা

 যোগফল প্রতিবেদক:

একটি কার্যকর ও সুস্থ গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। জনগণের সামনে সঠিক তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন সাংবাদিকরা। তাই সাংবাদিকতাকে অনেক সময় সমাজের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব হলো কোনো ঘটনা বা বিষয়ে যাচাই করা তথ্য নিরপেক্ষভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। দ্রুত সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করাও একজন সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিপরীতে নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে সাংবাদিকরা জনমত গঠনে ভূমিকা রাখেন।

সমাজে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো বিষয়গুলোও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও দায়িত্বশীল প্রশ্নের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম সামনে আনা এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

একই সঙ্গে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরাও সাংবাদিকদের নৈতিক দায়িত্বের অংশ। দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুর অধিকার, পরিবেশসহ নানা সামাজিক সমস্যা সংবাদমাধ্যমে উঠে এলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

জনসচেতনতা তৈরিতেও সাংবাদিকতার ভূমিকা রয়েছে। নাগরিক অধিকার, আইন-কানুন, নির্বাচন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা কিংবা দুর্যোগ মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সাংবাদিকরা সচেতন নাগরিক সমাজ গঠনে সহায়তা করেন।

তবে এসব দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পেশাগত নৈতিকতা ও নিরপেক্ষতা। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাত না করে তথ্য যাচাই করা, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য নেওয়া এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংবাদ পরিবেশন করা একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

সাংবাদিকরা মূলত সমাজের দর্পণের মতো কাজ করেন। সমাজের ইতিবাচক দিক যেমন তুলে ধরেন, তেমনি অনিয়ম ও অসংগতিও মানুষের সামনে নিয়ে আসেন। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও জবাবদিহিমূলক হতে পারে এবং নীতিনির্ধারকদের কাছেও বাস্তব পরিস্থিতির চিত্র পৌঁছে যায়।

ডিজিটাল গণমাধ্যমের দ্রুত বিস্তারের এই সময়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরও বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়ার গতি বাড়লেও ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। ফলে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, উৎসের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা এবং দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহার এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ।

সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করাই একজন সাংবাদিকের প্রকৃত সার্থকতা। সাহস, সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংবাদিকতা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং একটি সচেতন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।