খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক: 

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিকেন্দ্রীকরণ, ক্ষমতার ভারসাম্য, নারী ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ সহযোগিতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনাও উঠে আসে।

মন্ত্রী স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা পাঁচটি স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ নতুন আইন হিসেবে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ—এই পাঁচ আইনে দলীয় মনোনয়ন ও জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সুশাসন ও নারী ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ক্রমবর্ধমান নগরায়নের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এ ছাড়া পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টক্সিক’ ধুঁকছে, চার দিনেই ১৫৪ কোটিতে ঝড় তুলেছে ‘মির্জাপুর’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টক্সিক’ ধুঁকছে, চার দিনেই ১৫৪ কোটিতে ঝড় তুলেছে ‘মির্জাপুর’

যোগফল প্রতিবেদক: 

২০২৬ সালের বক্স অফিসে বড় তারকাদের সিনেমার ভিড়ে এবার চমক দেখাচ্ছে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। মুক্তির মাত্র চার দিনেই বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় ১৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে যশ অভিনীত বড় বাজেটের ‘টক্সিক’ ১৩ দিন প্রেক্ষাগৃহে চলার পর আয়ের গতি অনেকটাই হারিয়েছে।

৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ প্রথম তিন দিনে ভারতে যথাক্রমে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ, ৩২ কোটি ও ৩৬ কোটি রুপি নেট আয় করেছে। চতুর্থ দিন কর্মদিবস হওয়ায় আয় কিছুটা কমলেও ওই দিন সিনেমাটি ১৬ কোটি রুপি নেট ব্যবসা করেছে।

ফলে চার দিনে ভারতের বাজারে সিনেমাটির নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১০৯ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। বিশ্বব্যাপী মোট আয় হয়েছে ১৫৪ কোটি ৫ লাখ রুপি।

অন্যদিকে ‘টক্সিক’ মুক্তির ১৩তম দিনে ভারতে মাত্র ৬৬ লাখ রুপি নেট আয় করেছে। সব মিলিয়ে সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩৭ কোটি ৩৯ লাখ রুপি। অর্থাৎ মোট আয়ের দিক থেকে ‘টক্সিক’ এখনো এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক বক্স অফিস গতিতে ‘মির্জাপুর’ বেশ এগিয়ে রয়েছে।

বিশেষ করে প্রথম সোমবারের আয়ের হিসাবে দুই সিনেমার ব্যবধান বেশ বড়। ‘মির্জাপুর’ প্রথম সোমবার ভারতে ১৬ কোটি রুপি নেট আয় করেছে। বিপরীতে ‘টক্সিক’ মুক্তির ১৩তম দিনে এক কোটির রুপিরও কম ব্যবসা করেছে। অর্থাৎ প্রথম সোমবারের আয়ে ‘মির্জাপুর’ প্রায় ২৪ গুণ বেশি ব্যবসা করেছে।

এদিন ‘মির্জাপুর’ আরেক আলোচিত সিনেমা ‘হানুমান অংশ’-এর চেয়েও বেশি আয় করেছে। ওই দিন ভারতের বাজারে ‘হানুমান অংশ’ প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ রুপি নেট ব্যবসা করে।

তবে মোট আয়ের হিসাবে এখনই ‘মির্জাপুর’কে ‘টক্সিক’-এর চেয়ে এগিয়ে রাখার সুযোগ নেই। কারণ ‘টক্সিক’ ইতোমধ্যে ১৩ দিন ব্যবসা করেছে, যেখানে ‘মির্জাপুর’ মাত্র চার দিনে রয়েছে। দুই সিনেমার তুলনায় মূল পার্থক্য তৈরি হয়েছে আয়ের গতি ও দর্শক ধরে রাখার সক্ষমতায়।

‘মির্জাপুর’-এর সাফল্যের পেছনে জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজটির শক্তিশালী দর্শকভিত্তি বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে। কালীন ভাইয়া, গুড্ডু পণ্ডিত ও মুন্না ভাইয়ার মতো পরিচিত চরিত্রগুলোকে বড় পর্দায় দেখার আগ্রহ থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে শুরু থেকেই ব্যাপক কৌতূহল ছিল।

চার দিনে ভারতে ১০০ কোটির বেশি নেট আয় এবং বিশ্বব্যাপী ১৫৪ কোটি রুপি ব্যবসার পর এখন ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’র সামনে ২০০ কোটি রুপির মাইলফলক। প্রথম সোমবারের শক্তিশালী আয় সেই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে ‘টক্সিক’ বিশ্বব্যাপী ৩৫০ কোটি রুপির মাইলফলক থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তবে সাম্প্রতিক দিনের আয় সিনেমাটির ব্যবসায়িক গতি কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এখন দেখার বিষয়, ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে কতদূর যেতে পারে এবং ‘টক্সিক’ তার কমে যাওয়া গতি কতটা ফিরিয়ে আনতে পারে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাঁথিয়ায় পুকুরে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় পুকুরে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ

 যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনার সাঁথিয়ায় একটি পুকুর থেকে আব্দুল আজিজ (৫৫) নামে এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মিয়াপুর মিনারপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুল আজিজ ক্ষেতপাড়া ইউনিয়নের ডাঙ্গামাছ গ্রামের মৃত সেকেন সরদারের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজের পর বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে মিয়াপুর মিনারপাড়া এলাকার মানিকের পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সাঁথিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় স্থানীয়রা মরদেহটি আব্দুল আজিজের বলে শনাক্ত করেন।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুকুর থেকে আব্দুল আজিজের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

 যোগফল প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি এবং টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় নামজারি আবেদন বাতিলের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ারের বিরুদ্ধে। একই বণ্টননামা ও মালিকানা সংক্রান্ত কাগজের ভিত্তিতে ভাইয়ের নামজারি মঞ্জুর হলেও নিজের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন চামরদানি ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের কৃষক বিশ্বজিৎ সরকার।

অভিযোগকারী বিশ্বজিৎ সরকারের ভাষ্য, গত ১ আগস্ট নিজের নামে তিনটি ক্রয় দলিল এবং সহোদর ভাইদের সঙ্গে বণ্টননামা দলিলের মাধ্যমে পাওয়া মোট ২৭৫ শতাংশ জমির নামজারির জন্য আবেদন করেন তিনি। আবেদনটি তদন্তের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ারের কাছে পাঠানো হয়। পরে সারোয়ার তাকে একাধিকবার ফোন করে অফিসে এবং অফিসের সামনের সড়কে দেখা করতে বলেন। দেখা করার পর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন বিশ্বজিৎ। তিনি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও কর্মকর্তা তাতে রাজি হননি বলে দাবি তার।

বিশ্বজিৎ আরও জানান, গত ১৭ আগস্ট ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য হোল্ডিং অনুমোদনের আবেদন করেন তিনি। কিন্তু পরদিনই ওই আবেদন বাতিল করা হয়।

অভিযোগে বিশ্বজিৎ বলেন, একই দলিল ও মালিকানা সংক্রান্ত কাগজের ভিত্তিতে তার এক ভাইয়ের নামে নামজারি মঞ্জুর করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই ভাই জমিটি অন্যত্র হস্তান্তরও করেছেন। অথচ তার নামজারি আবেদন খাজনা পরিশোধ না করার কারণ দেখিয়ে নামঞ্জুর করা হয়েছে। তার ভাইয়ের নামজারি ভুলবশত মঞ্জুর করা হয়েছে দাবি করে প্রয়োজনে সেই খতিয়ান, বণ্টননামা ও হস্তান্তর দলিল বাতিল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার বলেন, তিনি ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছেন—এমন অভিযোগের কোনো প্রমাণ অভিযোগকারী দিতে পারবেন না। তার দাবি, বিশ্বজিতের ভাইয়ের বণ্টননামা দলিলটি সম্প্রতি সম্পাদিত হওয়ায় তিনি সরলভাবে ধরে নিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা হয়েছে। সে কারণেই নামজারি মঞ্জুর করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে সেটি বাতিল করা হবে বলেও জানান তিনি। নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন সারোয়ার।

এ বিষয়ে বাদশাগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার পলাশ তালুকদার জানান, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ অনুযায়ী বণ্টননামা হস্তান্তর দলিল নয়। তাই বণ্টননামা দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ বাধ্যতামূলক নয়। এ সময় তিনি ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩-এর ৬(২) ও ৬(৩) ধারার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম