খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

যোগফল প্রতিবেদক:

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বড় ব্যবধানে কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। এদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পদ্মা ব্যারেজ হলে ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পদ্মা ব্যারেজ হলে ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে শুধু রাজবাড়ী নয়, দেশের ২৪ জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল পাবেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, নৌযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কে রাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, হাবাসপুরের নদী একসময় অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে এখন নদীটি মানুষের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্ষায় নদীর পানির প্রবাহে ভাঙন ও প্লাবন হয়, আবার শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় পানির সংকট। বছরের পর বছর এ অঞ্চলের মানুষ এ দুই ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, শুধু রাজবাড়ীর মানুষ নয়, উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানির সমস্যা ও নদীভাঙনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি নদী-নালা ও খাল-বিলের পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা তুলবই, আদায় করব। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা ও অধিকার আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি পানি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি সমীক্ষা ও ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা তৈরি হয়েছে।

তার দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সাত বছরে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও প্রায় ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু রাজবাড়ীর প্রকল্প নয়, ২৪টি জেলার মানুষের উপকারের জন্য একটি বড় প্রকল্প। আমি এটাকে বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রজেক্ট মনে করি।’

পদ্মা ব্যারেজে নেভিগেশন লক ও একাধিক গেট থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি প্রকল্পের মাধ্যমে দুই ধাপে ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এ অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও জোরদার হবে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমের পানির সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নৌযোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, ‘প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করা কঠিন। পদ্মার পাড়ের মানুষ বছরের পর বছর প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছেন। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে আপনাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি বাস্তবায়নের পথ তৈরি হবে।’

পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চেয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সাময়িকভাবে মানুষের কিছুটা কষ্ট হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ প্রকল্প এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

এ্যানি আরও বলেন, সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সহযোগিতায় আগামী দিনে পদ্মা ব্যারেজকে দৃশ্যমান করা হবে। এ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

জনসভায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে দুই ‘দুর্ধর্ষ চোর’ আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে দুই ‘দুর্ধর্ষ চোর’ আটক

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকায় বাসার গ্রিল কেটে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি এইচপি ল্যাপটপ, একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ ১০ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটকরা হলেন—মো. সোহাগ (২৬) ও আরিয়ান (২৫)। সোহাগ লাকসাম উপজেলার নরপাটি আশ্রয়কেন্দ্র এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা নগরীর শাকতলা প্রাইমারি বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। আরিয়ান নগরীর টমছমব্রিজ পোস্ট অফিস কলোনির জোছনালয় হাউজ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকায় একটি বাসার গ্রিল কেটে চুরি করে তারা। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

এরই ধারাবাহিকতায় কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই জামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালান। প্রথমে নগরীর পোস্ট অফিস কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিয়ানকে তার বাসার পাশ থেকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর দক্ষিণ থানার শাকতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগকে তার ভাড়া বাসা থেকে আটক করা হয়।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি এইচপি ল্যাপটপ, একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং নগদ ১০ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহাগের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ সাতটি মামলা রয়েছে। আরিয়ানের বিরুদ্ধেও চুরি ও ছিনতাইসহ আগের তিনটি মামলা রয়েছে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, দুই ব্যক্তির চুরির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক: 

স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, ‘হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে।’

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মও তার নজরে আসে।

মন্ত্রী চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা প্রয়োজনের সময় চিকিৎসকদের না পাওয়া, দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সদের সহযোগিতার ঘাটতি ও অবহেলার বিষয়ে অভিযোগ করেন।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ শুনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, হাসপাতালের সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসাসেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও অবহেলা বরদাশত করা হবে না।

এ সময় হাম প্রতিরোধে ৪ কোটি টিকা সংগ্রহের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

এ ছাড়া আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হবে বলেও জানান সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানান তিনি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম