খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩

আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ও ব্যাংক সংস্কারে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ও ব্যাংক সংস্কারে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প

যোগফল প্রতিবেদক: 

খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি ও পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবস্থার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের আর্থিক খাতকে আরও স্থিতিশীল করতে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ (এফএসএসপি-২) নামের এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং চলমান ব্যাংক সংস্কারে সহায়তা দেওয়া।

প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচ বছর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন

প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের মধ্যে ১ হাজার ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বৈদেশিক অর্থায়ন হিসেবে আসবে। বাকি ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসসকে বলেন, আর্থিক খাতের ‘সেফটি নেট’ বা নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংয়ের সক্ষমতা বাড়ানো এবং চলমান ব্যাংক খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো ও তদারকি সক্ষমতা আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইসিটি অবকাঠামোসংক্রান্ত ক্রয়প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শক সেবা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া আমানত বিমা ট্রাস্ট ফান্ডের (ডিআইটিএফ) আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো, অর্থ পরিশোধের সময় কমানো এবং ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়ানোও প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

খেলাপি ঋণ ও প্রযুক্তিগত দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ

প্রকল্প নথিতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশের অভ্যন্তরে আর্থিক সেবার চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশের আর্থিক খাতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। তবে উচ্চ খেলাপি ঋণ, সুশাসনের দুর্বলতা, পুরোনো আইসিটি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

নথিতে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক খাতের তদারকিতে ব্যবহৃত আইসিটি অবকাঠামোর দুর্বলতা এবং সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অভাবে সাইবার হামলা ও আন্তসীমান্ত আর্থিকসহ উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সমস্যা আমানতকারীদের আস্থা এবং দেশের আর্থিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলছে।

প্রযুক্তি আধুনিকায়নে বড় বরাদ্দ

প্রকল্পটির তিনটি প্রধান উপাদান রয়েছে। এগুলো হলো—তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থার উন্নয়ন, আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠনে সহায়তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান।

প্রযুক্তি আধুনিকায়নে প্রকল্পের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে। প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে আইসিটি সরঞ্জাম কেনায় ৭১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা, কম্পিউটার সফটওয়্যারে ৩৫৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং ডেটাবেজে ৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আইসিটি ও অফিস সরঞ্জাম কেনার জন্যও অর্থ বরাদ্দ থাকবে।

দ্বিতীয় উপাদানের আওতায় আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একনেকের অনুমোদনের সুপারিশ

পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। কমিশনের মতে, প্রকল্পটি আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং, ব্যাংক সংস্কার, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যক্রমকে শক্তিশালী করবে। এর ফলে ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে।

প্রকল্প প্রস্তাবটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে জমা পড়ে। এরপর একই বছরের ২৩ নভেম্বর বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংশোধিত টিএপিপি চলতি বছরের মে মাসে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ ব্যাংক আগে যে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করেছিল, তার ধারাবাহিকতায় এফএসএসপি-২ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

 যোগফল প্রতিবেদক:

একদিনের সফরে সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সিলেট নগরীতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নগরের বিভিন্ন স্থানে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

সিলেট পৌঁছে মোটর শোভাযাত্রায় সার্কিট হাউজে যাওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। সেখানে গার্ড অব অনার গ্রহণের পর দুপুরে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।

বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগর ভবনে সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। এরপর সার্কিট হাউজে অবস্থান শেষে রাত ৮টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে তার।

রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, সফরের দিন এক হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আরও ২০০ সদস্য অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের বিশেষ ইউনিটগুলোকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রপতিকে বরণ করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নাগরিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিও রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে আরও এক চালান ডিজেল এসেছে। ৭২তম ধাপে আমদানি করা প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রিসিভ টার্মিনাল ডিপোতে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আসা শুরু হয়। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুরো চালান পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ চালানে মোট ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল এসেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৫ বছরের জন্য প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির চুক্তি হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন উদ্বোধনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারত থেকে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে।

আমদানি করা ডিজেল প্রতিবার প্রায় সমহারে দেশের তিন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ অংশে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার। এটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্য দিয়ে পার্বতীপুরের রিসিভ টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত।

পাইপলাইনটি মাটির প্রায় পাঁচ থেকে আট ফুট গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে নতুন আইনি জটিলতা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে নতুন আইনি জটিলতা

 যোগফল প্রতিবেদক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে ঘিরে একসঙ্গে দুটি আইনি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের মেয়াদ সীমিত করার উদ্যোগে আদালতের বাধা এসেছে। পাশাপাশি সরকারি সুবিধা নেওয়া অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে কঠোর বিধি ফেরানোর উদ্যোগের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি উদ্যোগ আটকে দেন, যাতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের এফ ভিসা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের জে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর করার কথা ছিল। অন্যদিকে সাংবাদিকদের আই ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৪০ দিনে সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়।

বোস্টনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক এফ. ডেনিস সেলার এই উদ্যোগের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। উচ্চশিক্ষা ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর একটি জোটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

বিচারক সেলার বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও জালিয়াতি প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) যে যুক্তি দিয়েছে, তা যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। নতুন নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে প্রায় ১৬ লাখ এফ ভিসাধারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং প্রায় ৫ লাখ জে ভিসাধারী বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী এর আওতায় পড়তে পারেন।

এদিকে সরকারি সুবিধা গ্রহণকারী অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে কঠোরতা বাড়ানোর আরেকটি উদ্যোগের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। সোমবার ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে এ বিষয়ে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রস্তাবিত বিধিমালাটি আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন বিধিমালায় ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে কাউকে বিবেচনার ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অযোগ্য কি না, তা নির্ধারণে সরকারি সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে।

২২টি অঙ্গরাজ্য, ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এবং কয়েকটি শহর ও কাউন্টি এই বিধিমালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের দাবি, স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণের ক্ষমতা কংগ্রেসের।

মামলাকারীরা আরও বলেছে, খাদ্য কুপন ও মেডিকেইডের মতো বৈধ সরকারি সহায়তা গ্রহণের কারণে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা ফেডারেল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তবে ডিএইচএসের এক মুখপাত্র প্রশাসনের প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মামলাকারীদের সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, নতুন বিধিমালার লক্ষ্য অভিবাসী পরিবারগুলোকে খাবার ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সরকারি সহায়তা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম