খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩

স্মার্ট চশমায় গোপনে ভিডিও ধারণ, বাড়ছে গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্মার্ট চশমায় গোপনে ভিডিও ধারণ, বাড়ছে গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ

যোগফল প্রতিবেদক:

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমৃদ্ধ স্মার্ট চশমার জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। মুঠোফোন ছাড়াই কল করা, এআই সুবিধা ব্যবহার এবং ছবি বা ভিডিও ধারণের সুযোগ থাকায় প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে এসব চশমার চাহিদা বেড়েছে। তবে জনসমাগমস্থলে মানুষের অজান্তে ভিডিও ধারণের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে স্মার্ট চশমার বাজারে মেটার তৈরি রে-ব্যান স্মার্ট গ্লাস বেশ জনপ্রিয়। মেটার তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৭০ লাখের বেশি জোড়া চশমা বিক্রি হয়েছে।

গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে যুক্তরাজ্যের প্রায় ৮০০টি পানশালা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েদারস্পুনস তাদের সব শাখায় স্মার্ট চশমা ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ নিষিদ্ধ করেছে। নারীর অধিকারবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনও প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

মানুষের অজান্তে ভিডিও ধারণ নিয়ে বিতর্ক

বেলফাস্টের ৩১ বছর বয়সী কনটেন্ট নির্মাতা পিয়ার্স ভ্যালেলি নিয়মিত মেটার রে-ব্যান স্মার্ট চশমা ব্যবহার করেন। রাস্তায় হাঁটার সময় মানুষের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি। তার এমন একটি ভিডিও টিকটকে ৬ লাখের বেশি বার দেখা হয়েছে।

ভ্যালেলির দাবি, তিনি প্রযুক্তিটি ইতিবাচক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন। কেউ আপত্তি জানালে সংশ্লিষ্ট ভিডিও প্রকাশ করেন না। তার ভাষ্য, ভিডিও তৈরির উদ্দেশ্য কাউকে উপহাস করা নয়।

স্মার্ট চশমাটিতে থাকা ক্যামেরা স্পর্শের মাধ্যমে চালু করা যায়। ভিডিও ধারণের সময় চশমার একটি সাদা সূচক আলো জ্বলে ওঠে, যাতে আশপাশের মানুষ রেকর্ডিংয়ের বিষয়টি বুঝতে পারেন।

ক্যামেরা ব্যবহারে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা

মেটা জানিয়েছে, চশমাটির নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে। কেউ যদি ক্যামেরার সতর্কতাসূচক আলো ঢেকে রাখার বা বিকৃত করার চেষ্টা করেন, তাহলে ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেবে।

তবে সমালোচকদের প্রশ্ন, বাস্তবে সবাই কি এই আলো দেখে বুঝতে পারেন যে তাদের ভিডিও ধারণ করা হচ্ছে? ভ্যালেলির মতে, অনেকেই আলো দেখে বিষয়টি বুঝতে পারেন। পাশাপাশি সুযোগ পেলে ভিডিও ধারণের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিষয়টি জানিয়ে দেন তিনি।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি

গোপনীয়তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বিশেষজ্ঞরা স্মার্ট চশমার গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপকারিতার কথাও উল্লেখ করছেন। বেলফাস্টের চক্ষু বিশেষজ্ঞ জিওফ ম্যাককনভিল বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য এ প্রযুক্তি বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।

এআইভিত্তিক সুবিধার মাধ্যমে স্মার্ট চশমা সংবাদপত্র, বই কিংবা রাস্তার সাইনবোর্ডের লেখা পড়ে শোনাতে পারে। ফলে দৃষ্টিসংক্রান্ত সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরা দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি সহায়তা পেতে পারেন।

মেটার মতে, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী মানুষের জন্য স্মার্ট চশমা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। তবে যেখানে ভিডিও ধারণ অনুচিত, সেখানে নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বাভাবিক বলেও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি জানিয়েছেন, কেউ যদি হয়রানি বা ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে অন্যের ভিডিও প্রকাশ করেন, তাহলে সেই কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে ফেলা হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

 যোগফল প্রতিবেদক:

একদিনের সফরে সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সিলেট নগরীতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নগরের বিভিন্ন স্থানে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

সিলেট পৌঁছে মোটর শোভাযাত্রায় সার্কিট হাউজে যাওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। সেখানে গার্ড অব অনার গ্রহণের পর দুপুরে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।

বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগর ভবনে সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। এরপর সার্কিট হাউজে অবস্থান শেষে রাত ৮টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে তার।

রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, সফরের দিন এক হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আরও ২০০ সদস্য অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের বিশেষ ইউনিটগুলোকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রপতিকে বরণ করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নাগরিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিও রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে আরও এক চালান ডিজেল এসেছে। ৭২তম ধাপে আমদানি করা প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রিসিভ টার্মিনাল ডিপোতে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আসা শুরু হয়। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুরো চালান পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ চালানে মোট ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল এসেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৫ বছরের জন্য প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির চুক্তি হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন উদ্বোধনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারত থেকে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে।

আমদানি করা ডিজেল প্রতিবার প্রায় সমহারে দেশের তিন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ অংশে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার। এটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্য দিয়ে পার্বতীপুরের রিসিভ টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত।

পাইপলাইনটি মাটির প্রায় পাঁচ থেকে আট ফুট গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে নতুন আইনি জটিলতা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে নতুন আইনি জটিলতা

 যোগফল প্রতিবেদক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে ঘিরে একসঙ্গে দুটি আইনি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের মেয়াদ সীমিত করার উদ্যোগে আদালতের বাধা এসেছে। পাশাপাশি সরকারি সুবিধা নেওয়া অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে কঠোর বিধি ফেরানোর উদ্যোগের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি উদ্যোগ আটকে দেন, যাতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের এফ ভিসা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের জে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর করার কথা ছিল। অন্যদিকে সাংবাদিকদের আই ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৪০ দিনে সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়।

বোস্টনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক এফ. ডেনিস সেলার এই উদ্যোগের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। উচ্চশিক্ষা ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর একটি জোটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

বিচারক সেলার বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও জালিয়াতি প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) যে যুক্তি দিয়েছে, তা যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। নতুন নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে প্রায় ১৬ লাখ এফ ভিসাধারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং প্রায় ৫ লাখ জে ভিসাধারী বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী এর আওতায় পড়তে পারেন।

এদিকে সরকারি সুবিধা গ্রহণকারী অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে কঠোরতা বাড়ানোর আরেকটি উদ্যোগের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। সোমবার ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে এ বিষয়ে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রস্তাবিত বিধিমালাটি আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন বিধিমালায় ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে কাউকে বিবেচনার ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অযোগ্য কি না, তা নির্ধারণে সরকারি সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে।

২২টি অঙ্গরাজ্য, ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এবং কয়েকটি শহর ও কাউন্টি এই বিধিমালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের দাবি, স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণের ক্ষমতা কংগ্রেসের।

মামলাকারীরা আরও বলেছে, খাদ্য কুপন ও মেডিকেইডের মতো বৈধ সরকারি সহায়তা গ্রহণের কারণে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা ফেডারেল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তবে ডিএইচএসের এক মুখপাত্র প্রশাসনের প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মামলাকারীদের সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, নতুন বিধিমালার লক্ষ্য অভিবাসী পরিবারগুলোকে খাবার ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সরকারি সহায়তা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম