খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩

ইউপি নির্বাচন নিয়ে যে সিদ্ধান্তের পথে ইসি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউপি নির্বাচন নিয়ে যে সিদ্ধান্তের পথে ইসি

 যোগফল প্রতিবেদক:

সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হতে পারে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউপি নির্বাচন নিয়ে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টির নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করতে হবে। আইন অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিভিন্ন বার্ষিক পরীক্ষা ও ধর্মীয় উৎসব বিবেচনায় নিয়ে সাত ধাপে ভোট আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপ, ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপ এবং ৩০ ডিসেম্বর তৃতীয় ধাপের ভোট হতে পারে। এরপর ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ এবং ২৭ মে সপ্তম ধাপে ভোটগ্রহণের প্রাথমিক তারিখ রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রথম পাঁচ ধাপেই অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ করার চেষ্টা থাকবে। মামলা সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা অন্যান্য কারণে পিছিয়ে থাকা ইউনিয়নগুলোর জন্য ষষ্ঠ ও সপ্তম ধাপ রাখা হচ্ছে। এমন ইউনিয়নের সংখ্যা প্রায় ৫৬টি।

প্রথম ধাপে ঠাকুরগাঁও ছাড়া দেশের ৬৩ জেলার আনুমানিক ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে একটি উপনির্বাচন থাকায় জেলার ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সাধারণত জেলার সদর উপজেলাগুলোকে প্রথম ধাপে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে বেশি উপজেলা থাকা চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার মতো জেলায় তিনটি করে এবং ১০ বা তার বেশি উপজেলা থাকা জেলাগুলোতে দুটি করে উপজেলা প্রথম ধাপে রাখা হচ্ছে।

ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা এবং ২১ সেপ্টেম্বর আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা করবে ইসি। ১৭ সেপ্টেম্বরের সভায় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হতে পারে।

এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো সুসংগঠিতভাবে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন। সংলাপে প্রতিটি দল থেকে দুজন করে প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

নির্বাচনী আইন সংশোধন করে ইউপি নির্বাচন আয়োজন করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

 যোগফল প্রতিবেদক:

একদিনের সফরে সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সিলেট নগরীতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নগরের বিভিন্ন স্থানে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

সিলেট পৌঁছে মোটর শোভাযাত্রায় সার্কিট হাউজে যাওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। সেখানে গার্ড অব অনার গ্রহণের পর দুপুরে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।

বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগর ভবনে সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। এরপর সার্কিট হাউজে অবস্থান শেষে রাত ৮টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে তার।

রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, সফরের দিন এক হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আরও ২০০ সদস্য অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের বিশেষ ইউনিটগুলোকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রপতিকে বরণ করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নাগরিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিও রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারত থেকে এলো ৪৭ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে আরও এক চালান ডিজেল এসেছে। ৭২তম ধাপে আমদানি করা প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রিসিভ টার্মিনাল ডিপোতে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আসা শুরু হয়। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুরো চালান পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ চালানে মোট ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল এসেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৫ বছরের জন্য প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির চুক্তি হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন উদ্বোধনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারত থেকে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে।

আমদানি করা ডিজেল প্রতিবার প্রায় সমহারে দেশের তিন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ অংশে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার। এটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্য দিয়ে পার্বতীপুরের রিসিভ টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত।

পাইপলাইনটি মাটির প্রায় পাঁচ থেকে আট ফুট গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে নতুন আইনি জটিলতা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে নতুন আইনি জটিলতা

 যোগফল প্রতিবেদক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে ঘিরে একসঙ্গে দুটি আইনি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের মেয়াদ সীমিত করার উদ্যোগে আদালতের বাধা এসেছে। পাশাপাশি সরকারি সুবিধা নেওয়া অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে কঠোর বিধি ফেরানোর উদ্যোগের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি উদ্যোগ আটকে দেন, যাতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের এফ ভিসা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের জে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর করার কথা ছিল। অন্যদিকে সাংবাদিকদের আই ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৪০ দিনে সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়।

বোস্টনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক এফ. ডেনিস সেলার এই উদ্যোগের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। উচ্চশিক্ষা ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর একটি জোটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

বিচারক সেলার বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও জালিয়াতি প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) যে যুক্তি দিয়েছে, তা যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। নতুন নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে প্রায় ১৬ লাখ এফ ভিসাধারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং প্রায় ৫ লাখ জে ভিসাধারী বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী এর আওতায় পড়তে পারেন।

এদিকে সরকারি সুবিধা গ্রহণকারী অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে কঠোরতা বাড়ানোর আরেকটি উদ্যোগের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। সোমবার ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে এ বিষয়ে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রস্তাবিত বিধিমালাটি আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন বিধিমালায় ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে কাউকে বিবেচনার ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অযোগ্য কি না, তা নির্ধারণে সরকারি সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে।

২২টি অঙ্গরাজ্য, ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া এবং কয়েকটি শহর ও কাউন্টি এই বিধিমালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের দাবি, স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণের ক্ষমতা কংগ্রেসের।

মামলাকারীরা আরও বলেছে, খাদ্য কুপন ও মেডিকেইডের মতো বৈধ সরকারি সহায়তা গ্রহণের কারণে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা ফেডারেল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তবে ডিএইচএসের এক মুখপাত্র প্রশাসনের প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মামলাকারীদের সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, নতুন বিধিমালার লক্ষ্য অভিবাসী পরিবারগুলোকে খাবার ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সরকারি সহায়তা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম