খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

সবার আগে যা করবেন | শিশু নিখোঁজ হলে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সবার আগে যা করবেন | শিশু নিখোঁজ হলে

প্রতীকী ছবি



যোগফল জীবনে :

সন্তান নিখোঁজ হয়েছে বোঝার পর সবচেয়ে জরুরি হলো ওই চরম সংকটময় সময়েও যথাসম্ভব শান্ত থাকা। কেননা, শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রথম এক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম এখানে উল্লেখ করছি না। ধরা যাক, তাঁর নাম রাবু আপা। তিনি আমার সাড়ে তিন বছরের মেয়ের দেখাশোনাও করেন, তাঁকে নিচে পাঠালাম একটা জিনিস কিনতে। মেয়ে জেদ ধরল, সে-ও যাবে। তার উদ্দেশ্য গিয়ে ‘আন্টিকে ভুলিয়ে ভালিয়ে’ চিপস বা চকলেট কেনা। বাসার নিচেই মুদিদোকান। বললাম, ‘আচ্ছা যাও।’
২০–২৫ মিনিট পর ফিরে এসে রাবু আপা যা বললেন, শুনে আমি ভয়ে কাঠ। তিনি বললেন, ‘আপা, আমি বাবুকে পাশে রেখে বাজারসদাই বুঝে নিতেছি; হঠাৎ খেয়াল হইল বাবু নাই। আশপাশে খোঁজ করতেই দেখি, গলির মাথার দিকে এক মহিলা বাবুর হাত ধইরা তড়িঘড়ি কইরা হাঁইটা যাইতাছে। আমি দৌড়ায় গেলাম মহিলার কাছে। জিগাইলাম, এই বাচ্চা কেন নিতেছ? সে উল্টা আমারে জিগায়, “তোমার বাচ্চা?” তখন তাড়াতাড়ি বাবুরে নিয়ে চলে আসলাম।’
তাৎক্ষণিকভাবে রাবু আপাকে নিয়ে নিচে নামলাম ওই নারীর খোঁজে, কিন্তু খুঁজে পেলাম মা। এই রাস্তায় সিসি ক্যামেরা না থাকায় ওই নারীকে খুঁজে বের করার আর কোনো উপায় ছিল না।
আমার মেয়ে যে রাবু আপার পাশে নেই, এটা বুঝতে তাঁর আরেকটু দেরি হলেই কী যে হতো, জানি না! এরপর কখনো আমার মেয়েকে ওর বাবা ছাড়া আর কারও সঙ্গে বাইরে পাঠানোর সাহস করতে পারব কি না, জানি না।
তবে এই ঘটনার পর শিশু নিখোঁজ হলে তাৎক্ষণিকভাবে করণীয় সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে শুরু করলাম। তাতে যেসব বিষয় জানলাম, তা আপনাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করছি।
★শিশু হারিয়ে গেলে প্রথম এক ঘণ্টায় কী করবেন:
সন্তান নিখোঁজ হয়েছে বোঝার পর সবচেয়ে জরুরি হলো ওই চরম সংকটময় সময়েও যথাসম্ভব শান্ত থাকা। কেননা, শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রথম এক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। তাই প্রথম ঘণ্টার প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, সেই সময়ের মধ্যে আপনার সন্তান ওই এলাকায় থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আতঙ্কিত হয়ে সময় নষ্ট না করে দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
১. দ্রুত আশপাশে খুঁজুন:
শিশুকে সর্বশেষ কোথায়, কখন এবং কার সঙ্গে দেখা গেছে, তা নিশ্চিত করুন। বাড়ি, সিঁড়ি, ছাদ, গলি, দোকান, খেলার জায়গা, স্কুল, পার্ক, বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের সম্ভাব্য স্থানগুলোয় দ্রুত খোঁজ করুন। একা না গিয়ে পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের জায়গায় জায়গায় ভাগ করে দিন।
২. সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানান:
শিশু নিজে থেকেই ফিরে আসবে, এমন আশায় অপেক্ষা করবেন না। দ্রুত নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করুন। নিখোঁজ হওয়ার পর যত দ্রুত পুলিশকে জানানো যায়, তত দ্রুত অনুসন্ধান শুরু করার সুযোগ বাড়ে। আর সেই সঙ্গে বাড়ে সন্তানকে দ্রুত ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনাও। এ ক্ষেত্রে আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ হতে পারে সবচেয়ে সহায়ক।

৩. প্রয়োজনীয় সাধারণ তথ্য:
শিশুর সাম্প্রতিক ছবি, নাম, বয়স, উচ্চতা, গায়ের রং, পরনের পোশাক ও জুতার বিবরণ, কোনো বিশেষ শারীরিক চিহ্ন এবং সর্বশেষ কোথায় ও কখন দেখা গেছে—এসব তথ্য পুলিশকে দিন। নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ বা জিডিও করুন। শিশুর কাছে মুঠোফোন থাকলে ফোন করুন। ফোনের শেষ অবস্থান, কল, মেসেজ বা অন্য কোনো ডিজিটাল তথ্য থাকলে তা মুছে ফেলবেন না।
৪. ছবি প্রচার করুন, তবে সতর্কভাবে:
সাম্প্রতিক পরিষ্কার ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে স্থানীয় ও বিশ্বস্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে শিশুর নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। তবে জন্মনিবন্ধন নম্বর, পূর্ণ ঠিকানার মতো অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়। শিশুটি যে এলাকার ও শিশুকে সর্বশেষ যে এলাকায় দেখা গেছে, সেই এলাকার সংশ্লিষ্ট ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ বিষয়টি শেয়ার করুন।
৫. হাসপাতাল ও পরিবহনকেন্দ্রে খোঁজ নিন:
রাস্তার মোড়, গলির মাথা মূল সড়কের যেখানে গিয়ে মিশেছে, নিকটবর্তী হাসপাতাল, ক্লিনিক, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটেও খোঁজ করুন।

গত জানুয়ারি মাসে নিখোঁজ ও অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধারে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘মুন অ্যালার্ট’ (মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন) নামের বিশেষ সেবা চালু করেছে। ২০২৪ সালে সিলেটে অপহরণের পর নিহত শিশু মুনতাহার স্মরণে এই অ্যালার্ট সিস্টেমের নামকরণ করা হয়েছে।
দেশজুড়ে কোনো শিশু নিখোঁজ হলে সিআইডির টোল ফ্রি হটলাইন নম্বর ১৩২১৯-এ কল করে জানানো যাবে। এ ছাড়া ‘মুন অ্যালার্ট’ (munalert.org) ওয়েবসাইটেও নিখোঁজ শিশুর তথ্য রিপোর্ট করা যায়। সিআইডি জানিয়েছে, শিশু নিখোঁজ হওয়ার পরবর্তী তিন ঘণ্টাকে ‘গোল্ডেন টাইম’ বিবেচনা করে তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। এর পাশাপাশি দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরেও তথ্য দেওয়া যাবে।
জানুয়ারিতে সিআইডি জানিয়েছিল, এই জরুরি সতর্কবার্তা অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল ও মোবাইল অ্যাপের পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল বিলবোর্ড, ব্যাংকের এটিএম বুথ, প্রয়োজন অনুযায়ী মুঠোফোনে খুদে বার্তা ও অন্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রচার করা হবে, যাতে সাধারণ জনগণ দ্রুত তথ্য দিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারেন। পুরো প্রক্রিয়ায় শিশুর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
★একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জনের সন্ধান এখনো মেলেনি।
পুলিশ জানায়, ওই সময়ে নিখোঁজ ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে অথবা তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নিখোঁজ শিশুদের প্রায় ১৩ শতাংশের সন্ধান এখনো মেলেনি।
তবে পুলিশ বলছে, নিখোঁজ মানেই অপহৃত বা পাচারের শিকার, এমন নয়। আর পুলিশ যে হিসাব দিয়েছে, সেটি মূলত নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা। বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে পরিবারের সঙ্গে বাইরে গিয়ে পথ হারানো, পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা বা একা বাড়ি ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার মতো ঘটনাও এর মধ্যে আছে।
জনগণের বিভ্রান্তি দূর করতে পুলিশ আশ্বস্ত করেছে, নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর আছে। অবশিষ্ট শিশুদের খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সূত্র: প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও মুন অ্যালার্ট

গোপালগঞ্জ কাশিয়ানিতে ১২টি জলাশয়ে ২৮৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ কাশিয়ানিতে ১২টি জলাশয়ে ২৮৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

ছবিতে কাশিয়ানি উপজেলা কর্মকর্তাগন

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ১২ টি জলাশয়ে ২৮৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। 

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর)  সকালে উপজেলা পরিষদ পুকুরে ৪০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। 

এ সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: শাহিন মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসলাম হোসেন শেখ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো: মোরাদ আলী, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সৌরভ রেজা শিহাব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস. এম. মনোয়ার মাহামুদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী এজাজুল করীম, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো: মিলন খান, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: সোহেল সহ অন্যান্য  জলাশয়ের পোনা গ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিংয়ানী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসলাম হোসেন শেখ জানান, এদিন পর্যায়ক্রমে কুমর নদে ৫০ কেজি, মধুমতি বাওড়ে ৫০ কেজি, কাশিয়ানী থানা পুকুরে ২১ কেজি . হাইশুর বৃদ্ধাশ্রম পুকুরে ২০ কেজি, গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসা পুকুরে ১৫ কেজি, তারইল-ফুকরা মাদ্রাসা এতিমখানা সংলগ্ন পুকুরে ১৫ কেজি, কাশিয়ানী স্টেশন সংলগ্ন আশ্রাফুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা পুকুরে ১৫ কেজি, তারইল আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি,সাফলীডাঙ্গা আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি, সাবেক পদ্মবিলা আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি, জঙ্গল মুকুন্দপুর আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। 

এসব জলাশয়ে ২৮৬ কেজি রুই, কাতলা, মৃগেলের ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকারের সুস্থ, সবল ও জীবিত পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এসব মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা ।

অনলাইন ডেস্ক 

গোপালগঞ্জে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ইলেকট্রনিক বুথ ও ক্যাশলেস বাংলা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ইলেকট্রনিক বুথ ও ক্যাশলেস বাংলা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ইলেকট্রনিক বুথ ও ক্যাশলেস বাংলা ‘কিউআর’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে শহরের ব্যাংকপাড়ার চাঁদমারীতে এ বুথের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্যাংকের গোপালগঞ্জ শাখা।

এ উপলক্ষ্যে ব্যাংকপাড়ার মোহাম্মদপাড়া মোড় থেকে  একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। চাঁদমারীতে গিয়ে শোভাযাত্রাটি শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ফরিদপুর অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান কাজী সিহাবুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন  গোপালগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আ্যড. কাজী জিন্নাত আলী এবং ব্যাংকের ফরিদপুর শাখা প্রধান ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহ আলম ।

ব্যাংকের গোপালগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক গৌতম চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের সিএসএ সুমাইয়া জাহান।

পরে প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ইলেকট্রনিক বুথের শুভ সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  কাজী সিহাবুল ইসলাম বলেন, 'একদেশ এক কিউআর, লেনদেন হবে বাংলা কিউঅর।  লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। 

' এ ধারাবাহিকতাকে বুকে ধারণ করেই আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। সারা পৃথিবী যেখানে ক্যাশলেস প্রোগ্রামে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ অনেক পরে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশক্রমে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।  মানুষের দোড়গোড়ায় এ সেবা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি । হাট-বাজার , পাড়া মহল্লাসহ সব প্রান্তে আমরা ক্যাশলেস প্রোগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি।   যাতে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ ক্যাশলেস প্রোগ্রাম বুকে ধারণ করতে পারে।তাদের লেনদেন সফল করতে পারে, এটিই আমাদের উদ্দেশ্য ।

অনলাইন ডেস্ক 

আশুলিয়া অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের পাশে সরকার: পরিদর্শনে হাসপাতালে এলজিআরডি মন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আশুলিয়া অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের পাশে সরকার: পরিদর্শনে হাসপাতালে এলজিআরডি মন্ত্রী

হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান

যোগফল প্রতিবেদন:

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকায় প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড চত্ত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হতাহতদের খোঁজখবর নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিনি হাসপাতাল দুটিতে চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নজরুল ইসলামের পরিবারের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের খোঁজখবর নিতে আমরা হাসপাতালে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্যেশ্যে যাত্রার প্রাক্কালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাৎক্ষণিক আমাকে নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে আপনাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং আপনাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, সরকার এই কঠিন সময়ে নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, দুর্ঘটনায় যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, জনগনের ভোটে নির্বাচিত আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশের জনগণের বিপদে সবসময় পাশে রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবেন।

এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের পাশে সরকার রয়েছে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিহত ও আহতদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করতে ইতোমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার সাথে সাথেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক