খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০ আশ্বিন, ১৪৩৩

গাজীপুরে অষ্টম শ্রেণি পাশ ব্যক্তি মাদরাসার প্রিন্সিপাল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে অষ্টম শ্রেণি পাশ ব্যক্তি মাদরাসার প্রিন্সিপাল

৮ম শ্রেণি পাশ প্রিন্সিপাল আব্দুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক | গাজীপুর :

গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়ার কড়ইতলী গ্রামে ফাতেমাতুয যাহরা (রাঃ) মাদরাসা ও জামিয়া রহমানিয়া আহমাদিয়া কড়ইতলী মাদরাসা এর প্রিন্সিপাল এর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ধোঁয়াশার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দুইটি মাদরাসা প্রিন্সিপাল আব্দুর রহমান এর সাথে সরাসরি কথা বলে ঘটনার সততা পাওয়া যায়।

তিনি জানান, ২০০২ সালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রাম থেকে গাজীপুর সদর উপজেলার কড়ইতলী এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন। তার জাতীয় পরিচয় পত্রের হিসেব অনুযায়ী ১৯৮৮ সালের ২০ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করেন। তার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ২০০২ সালে ১৪ বছর বয়সে গাজীপুর আসেন। ১৪ বছর বয়সে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৫ পাড়া হাফেজ, কওমী থেকে হাদিস ও আলিয়া মাদরাসা থেকে ৮ম শ্রেণীর পাশ করেন।

তারপর থেকে রাজেন্দ্রপুর এলাকায় রিকশা চালিয়ে জীবন চালাতেন। পরে কবিরাজি করতেন। কবিরাজ হিসেবেও তার জনশ্রুতি রয়েছে। রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস এলাকার মার্কেট জড়িবুটি ব্যবসা করতেন পাশাপাশি কবিরাজি।  সেসময় তিনি বনবিভাগের জমিতে বসতি গড়ে তুলেন। বর্তমানে তিনি হটাৎ রাজা হিসেবে কড়ইতলী এলাকায় পরিচিত। পরবর্তী অনুসন্ধান তথাকথিত প্রিন্সিপাল এর আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার তাবিজ।

যোগফল অনলাইন ডেস্ক 

এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ

ছবিতে রুপালী ইলিশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে ধরা পড়েছে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এসব মাছ নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরলে সাইফুল মৎস্য আড়তে দুপুর পর্যন্ত তিন ধাপে নিলামে প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।  

জানা যায়, হাতিয়ার জেলে আব্দুর রহিম মাঝি ১৮ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। সাগরে টানা ছয় দিন অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার সকালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে ফেরেন তারা। পরে মাছগুলো সাইফুল মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কিনে নেন। একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসাহ দেখা যায়।

স্থানীয় জেলেরা জানায়, একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় তারা উৎসাহিত হয়েছেন। সাগরে ইলিশের এমন প্রাচুর্য অব্যাহত থাকলে জেলেদের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মাছের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা দরকার।  

যোগফল ডেস্ক 

বিশ্বনাথে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন সুমন মিয়া : সুশাসন ও পরিবর্তনের ডাক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বনাথে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন সুমন মিয়া : সুশাসন ও পরিবর্তনের ডাক
আফজাল মিয়া । ​বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ উপজেলার ৩নং অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বইতে শুরু করেছে পরিবর্তনের হাওয়া। সুদীর্ঘকালের প্রশাসনিক স্থবিরতা, উন্নয়ন-বৈষম্য ও জনদুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন, সুশাসিত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার সুদৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন উদীয়মান তরুণ সমাজসেবক মো: সুমন মিয়া।

​লালটেক গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ও মরহুম লিলু মিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি মো: সুমন মিয়া সুখে-দুঃখে বহুকাল ধরে অত্র অঞ্চলের মানুষের পাশে ছায়ার মতো রয়েছেন। কোনো নির্দিষ্ট দলীয় প্রতীকের বাঁধনে বন্দি না থেকে, এলাকার সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ, যুবসমাজের উৎসাহ এবং প্রবীণদের সুনির্দিষ্ট দোয়া-আশীর্বাদকে মূল শক্তি করে তিনি নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
  
​ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে মো: সুমন মিয়া বলেন, “কোনো দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীকের বৃত্তে আমি নিজেকে বন্দি রাখতে চাই না। ৩নং অলংকারী ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন, সেটিই হবে আমার রাজনীতির প্রধান শক্তি। আমি শাসক হতে আসিনি, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ফেরত দেওয়ার একজন নিষ্ঠাবান সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”

​পছন্দের অলংকারী ইউনিয়নকে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে রূপান্তর করতে তিনি ৪টি বৈপ্লবিক সুশাসন রূপরেখা উন্মোচন করেছেন।  স্থানীয় সরকারের ইতিহাসে নতুন নজির স্থাপন করে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতি ৩ মাস পরপর ইউনিয়নের যাবতীয় আয়-ব্যয়, সরকারি অনুদান ও উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব জনসম্মুখে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

​ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়ন বৈষম্য দূর করতে ৯টি ওয়ার্ডের সম্মানিত মেম্বারদের হাতে তাদের স্ব-স্ব এলাকার প্রাপ্য সরকারি বরাদ্দ শতভাগ বুঝিয়ে দেওয়া হবে, যাতে প্রতিটি প্রান্তিক গ্রাম সমভাবে উন্নত হয়।

​ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ অবকাঠামো, সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার সমন্বয়ে অবহেলিত অলংকারীকে সিলেট জেলার অন্যতম সেরা দৃষ্টিনন্দন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।  
​যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনা হবে, যাতে বিশ্বনাথ উপজেলার মধ্যে অলংকারী ইউনিয়ন ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নে নম্বর ১ স্থান অর্জন করতে পারে।

​বর্তমানে ৩নং অলংকারী ইউনিয়নের প্রতিটি অলিগলি, হাটে-বাজারে ও চায়ের দোকানে সুমন মিয়াকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। এলাকার সুশীল সমাজ ও প্রবীণদের মতে—একজন শিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ও কর্মঠ তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমেই অলংকারীর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সুনিশ্চিত করা সম্ভব। নিজের এই জনকল্যাণমুখী রূপরেখা বাস্তবায়নে তিনি অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মূল্যবান পরামর্শ, সমর্থন ও আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

যোগফল ডেস্ক

গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা
সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ জোবায়ের ভূঁইয়া (২২) নামে এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পুখুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জোবায়ের ভূঁইয়া সদর উপজেলার ঘোড়াদাইড় গ্রামের রমজান ভূঁইয়ার ছেলে। সে  হাজী লালমিয়া সিটি কলেজের হিসাব বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

নিহতের চাচা মো. হামিম ভূঁইয়া জানান, সকালে কথা কাটাকাটির জেরে ওই গ্রামের শহিদ মোল্লার ছেলে সোহেলের নেতৃত্বে ৭/৮ জনের একদল যুবক জোবায়ের ভূঁইয়ার ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। তাদের বেধড়ক পিটুনিতে গুরুতর আহত অবস্থায় জোবায়েরকে ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। 

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

যোগফল