খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামী স্বপন মোল্লা

সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কলেজ শিক্ষার্থী হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে স্বপন মোল্লা (৪৩) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।


শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে নড়াইল জেলার লোহাগাড়া উপজেলার ডিক্রিরচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-৬ ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প এর কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার স্বপন মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

এসআরবি-৬, খুলনা ক্যাম্প এর কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাস জানান, গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যার আসামি নড়াইল জেলার লোহাগাড়া উপজেলার ডিক্রিরচর এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। 

এ সময় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যার মামলার দুই নং আসামি স্বপন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে গোপালগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরে টিউশনি শেষ করে ফেরার পথে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের ভূইয়াকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। 

এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে নিহত জুবায়ের ভূঁইয়ার বাবা রমজান আলী ভুইয়া বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করে।

যোগফল অনলাইন ডেস্ক

বাদাঘাট বিক্রয় প্রতিনিধি এসোসিয়েশনের সভাপতি নুর ইসলাম, সম্পাদক তারেক আজিজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাদাঘাট বিক্রয় প্রতিনিধি এসোসিয়েশনের সভাপতি নুর ইসলাম, সম্পাদক তারেক আজিজ

সভাপতি মো. নুর ইসলামকে । সম্পাদক মো. তারেক আজিজকে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বিক্রয় প্রতিনিধি এসোসিয়েশনের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সর্বসম্মতিক্রমে মো. নুর ইসলামকে সভাপতি, মো. তারেক আজিজকে সাধারণ সম্পাদক এবং মো. ওবায়দুল্লাহকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাদাঘাট বাজারে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে এক বছরের জন্য নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সভায় নবনির্বাচিত সভাপতি মো. নুর ইসলাম বলেন, ‘বাদাঘাট বিক্রয় প্রতিনিধি এসোসিয়েশন ২০২১ সাল থেকে যাত্রা শুরু করেছে। সংগঠনের সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দর পরিবেশে কাজ করতে চাই। আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করায় সংগঠনের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাই।’

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক আজিজ বলেন, ‘আমাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় সংগঠনের সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনের উন্নয়ন ও সদস্যদের কল্যাণে কাজ করতে চাই।’

পুনরায় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘আমাকে পুনরায় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করায় সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। সংগঠনের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে চাই।’

সভায় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগফল  অনলাইন ডেস্ক

লামা'র ডিএফও মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে কাঠ পাচার ও বনভূমি দখলে মদদের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লামা'র ডিএফও মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে কাঠ পাচার ও বনভূমি দখলে মদদের অভিযোগ

ছবিতে ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমান

বিশেষ প্রতিবেদন | যোগফল অনলাইন :

বান্দরবানের লামা বন বিভাগে সরকারি বনাঞ্চল রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন রেঞ্জ ও বিট এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটা, কাঠ পাচার এবং সরকারি বনভূমি দখলের সুযোগ করে দিতে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। এ ঘটনায় লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোস্তাফিজুর রহমানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন।

অভিযোগকারীদের দাবি, বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও বনভূমি দখলকারীদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন।

নিয়ম-নীতির বাইরে গাছ কাটার অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, লামা বন বিভাগের বিভিন্ন রেঞ্জ ও বিট এলাকায় অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই মূল্যবান গাছ কাটার ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে গর্জন, সেগুন, কড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কেটে নেওয়া কাঠের একটি অংশ সরকারি বৈধ কাগজপত্র ও চালান ছাড়াই বিভিন্ন পথে পরিবহন করা হয়। এ ক্ষেত্রে বন বিভাগের মাঠপর্যায়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে অভিযোগ
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, লামা বন বিভাগের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ পৌঁছালেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি বন বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে কাঠ ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, অনিয়মের বিষয়ে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আপত্তি তুললে তাকে বদলি কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির মুখে পড়তে হয়। তবে এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য নথি বা প্রমাণ এই প্রতিবেদনের সঙ্গে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

বনভূমির পরিচয় ও জমি দখল নিয়ে প্রশ্ন
লামা বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি বনভূমি দখল নিয়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের রেকর্ডভুক্ত জমির শ্রেণি, সীমানা কিংবা পরিচয় পরিবর্তনের মাধ্যমে কিছু জায়গা দখলের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি চক্র ভুয়া বা প্রশ্নবিদ্ধ কাগজপত্র ব্যবহার করে সরকারি বনভূমিকে ব্যক্তি মালিকানার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা করছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ভূমি রেকর্ড, বন বিভাগের নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য বের করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন
লামা বন বিভাগের এসব অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।
তাদের দাবি, স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও দৃশ্যমান ও কার্যকর তদন্তের উদ্যোগ দেখা যায়নি। তবে সিএফ মিহির কুমার দো ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো অনিয়মে নীরব থেকেছেন—এমন দাবি নিশ্চিত করতে স্বাধীন প্রমাণ প্রয়োজন।

রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি পরিবেশগত ঝুঁকি
অভিযোগকারীদের মতে, অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচার অব্যাহত থাকলে সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি লামার বনজ সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হওয়া, পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয়, পাহাড়ধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তবে এসব পরিবেশগত প্রভাবের মাত্রা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন প্রয়োজন। বক্তব্য পাওয়া যায়নি অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে লামা বন বিভাগের ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দোর বক্তব্যও এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও পরিবেশসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, বনভূমির সীমানা ও রেকর্ড যাচাই এবং অবৈধভাবে গাছ কাটা বা সরকারি সম্পদ দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকারি বনসম্পদ রক্ষা এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শফিকুল ইসলাম বাবু | বিশেষ প্রতিনিধি, যোগফল অনলাইন 

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে দায়িত্বশীলদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌর অডিটোরিয়াম হলরুমে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহ-সভাপতি ও পরিচালক গোলাম রব্বানী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার স্বপন।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহ-পরিচালক ড. জিয়াউল হক ও অধ্যাপক আবুল হাশেম বাদল এবং কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উপদেষ্টা মাওলানা আব্দুল হামিদ মিয়া।

নেতৃবৃন্দের বিশেষ আহ্বান:
সমাবেশে বক্তারা কুড়িগ্রাম জেলার প্রতিটি উপজেলার দায়িত্বশীল নেতা এবং মিডিয়া সেলকে আরও সক্রিয় ও গতিশীল করার আহ্বান জানান। এ সময় অ্যাডভোকেট জুয়েল রানাসহ উপস্থিত সকল দায়িত্বশীলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংগঠনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক মন্তব্য ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ:
বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রসঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন রকম মন্তব্য ও মূল্যায়ন তুলে ধরেন নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, দায়িত্বশীলদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশের চলমান সার সংকট পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন জনসমস্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়।

কুড়িগ্রাম জেলা ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন উপজেলা শাখার দায়িত্বশীল নেতারা এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

জেলা সেক্রেটারি আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মী এবং জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার মিডিয়া বিভাগের প্রধান  অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল  ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

যোগফল অনলাইন ডেস্ক