খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

দেশের মডেল মসজিদগুলোকে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবে নয়, ধর্মীয় শিক্ষা, জনসচেতনতা ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনার লক্ষ্যে ‘মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সরকার।

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশের মডেল মসজিদগুলোকে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবে নয়, ধর্মীয় শিক্ষা, জনসচেতনতা ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনার লক্ষ্যে ‘মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সরকার।

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নতুন এ নীতিমালায় মডেল মসজিদের ব্যবস্থাপনা, জনবল নিয়োগ, বেতন-ভাতা ও সম্মানী, ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম, আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, এনডিসি এতে স্বাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মডেল মসজিদে কর্মরত পেশ ইমামকে মাসে ২০ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনকে ১৫ হাজার টাকা এবং খাদিমকে ১২ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া যেতে পারে। খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর সম্মানী চুক্তিভিত্তিক নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়- যেসব মডেল মসজিদের আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে, সেসব মসজিদ কমিটি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পদে নির্ধারিত গ্রেডে বেতন-ভাতা দিতে পারবে।

এ ক্ষেত্রে ইমামের বেতন গ্রেড-১০, মুয়াজ্জিনের গ্রেড-১৬ এবং খাদিমের গ্রেড-১৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর পদ চুক্তিভিত্তিক থাকবে। মডেল মসজিদে কর্মরত খতিবসহ জনবলকে মসজিদের আমানতদার হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিশ্বস্ততা, সততা, পরহেজগারি ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন না। অনুমোদিত ছুটি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করারও নির্দেশনা রয়েছে।

ঈদে উৎসব ভাতার বিধান

নীতিমালায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে উৎসব ভাতার বিধান রাখা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৭-এ বর্ণিত জনবলকে সংশ্লিষ্ট ঈদের আগের মাসের সম্মানীর সমপরিমাণ উৎসব ভাতা দেওয়া যেতে পারে।

মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা

নতুন নীতিমালায় মডেল মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি রাখার বিধান করা হয়েছে। মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, হিফজখানা এবং শিশুদের মক্তব শিক্ষার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বের মধ্যে জুমার সালাত বা নামাজ, প্রাক-খুতবা ও খুতবা, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সালাত এবং জানাজার সালাতের আয়োজন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রমজান মাসে তারাবিহ নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগ ও তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে।

খুতবা ও জনসচেতনতায় গুরুত্ব

এ ছাড়া শিরক, বিদআত, অপসংস্কৃতি, মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস, পরিবেশ দূষণ, জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, গুজব ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রাক-খুতবা ও খুতবার আয়োজন করতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মসজিদের পবিত্রতা, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মসজিদের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংস্কার, বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং বাজেট প্রস্তুত করতে হবে।

মসজিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব, নগদ অর্থ ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির দায়িত্বও ব্যবস্থাপনা কমিটির ওপর থাকবে।

সভার কার্যবিবরণী ও হাজিরা সংরক্ষণ, বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা এবং মসজিদের আয়বর্ধক কার্যক্রম গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।

মসজিদের যাবতীয় আয় অনধিক সাত দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশনাও নীতিমালায় রয়েছে।

পাশাপাশি সরকার ঘোষিত বিশেষ দিবসগুলোতে দোয়া, মোনাজাত ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজনের দায়িত্বও মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে দেওয়া হয়েছে। সাজিয়ে দাও নিউজ করবো

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

সাঁথিয়া সরকারি কলেজে ৬টি দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়া সরকারি কলেজে ৬টি দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে ৬ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের মৌলিক ও অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের দাবিতে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে ৬ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সাঁথিয়া সরকারি কলেজ শাখা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. একরামুল ইসলামের কার্যালয়ে গিয়ে ছাত্রশিবিরের সাঁথিয়া সরকারি কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও ক্যাম্পাসে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিভিন্ন মৌলিক ও অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের দাবি জানানো হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—১.ক্যাম্পাসে মানসম্মত ক্যান্টিন স্থাপন, ২.কমন রুম সংস্কার,৩. বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা, ৪.পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহার উপযোগী ওয়াশরুম নিশ্চিত করা, ৫.শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থা এবং ৬.ফ্যান-লাইট মেরামত ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা।

স্মারকলিপি গ্রহণকালে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ একরামুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে আশ্বাস দেন।

এ সময় কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আব্দুল মোমিন মুক্তি,সিনিয়র প্রভাষক কামরুজ্জামান বকুল,মাসুমবিল্লাহসহ ছাত্রশিবিরের কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য সাধারণছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।

যোগফল । অনলাইন । নিউজ ডেস্ক

জয়ের ১০ম জন্মদিনে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কক্সবাজারে বিশেষ ভ্রমণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়ের ১০ম জন্মদিনে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কক্সবাজারে বিশেষ ভ্রমণ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

দশ বছরে পা দিয়েছে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও চিত্রনায়ক শাকিব খানের একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়। ছেলের বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নানা আয়োজনের পর এবার তাকে নিয়ে কক্সবাজারে উড়াল দিয়েছেন অপু বিশ্বাস। জন্মদিনের আনন্দ আরও রঙিন করতেই মা-ছেলের এই বিশেষ ভ্রমণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কক্সবাজার যাত্রার একটি ছবিও শেয়ার করেছেন অপু বিশ্বাস। ছবিতে একটি উড়োজাহাজের সামনে হাসিমুখে মা-ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অপুর পরনে ছিল গোলাপি রঙের কাজ করা সালোয়ার-কামিজ ও চোখে রোদচশমা। অন্যদিকে জয়ের পরনে ছিল কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট। চোখে রোদচশমার পাশাপাশি মুখে কালো মাস্ক পরা ছিল তার।

ছবিটি শেয়ার করে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘ফ্লাই টু কক্সবাজার, আব্রাম খান জয় বার্থডে স্পেশাল ট্রিপ।’

এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জন্মদিনের প্রথম প্রহরে ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট দেন অপু বিশ্বাস। জয়ের সঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন জয় বাবা। তুমি আমার জীবনের সেই মানুষ, যার হাসিতে আমার পৃথিবী আলোকিত হয়। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার বাবা। শুভ জন্মদিন।’

জয়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার বাবা চিত্রনায়ক শাকিব খানও। কালো কটি ও পাঞ্জাবি পরা জয়ের একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা, বাবা। তুমি যেন আকাশের নক্ষত্রের মতো উঁচুতে পৌঁছাতে পারো এবং তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারো।’

২০০৮ সালে বিয়ে করেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করে দীর্ঘদিন নিজেদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন তারা। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি হাসপাতালে জন্ম নেয় তাদের ছেলে আব্রাম খান জয়।

পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে হাজির হন অপু বিশ্বাস। সেখানেই শাকিব খানের সঙ্গে নিজের বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। বিষয়টি সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বাবা-মায়ের তারকাখ্যাতির কারণে জন্মের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে আব্রাম খান জয়। সময়ের সঙ্গে তার জন্মদিনও হয়ে উঠেছে ভক্তদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। এবার দশম জন্মদিনে সেই উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে অপু বিশ্বাস ও জয়ের কক্সবাজার সফর।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন / ডেস্ক যোগফল. কম 

রোমে কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রোমে কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ইতালির রাজধানী রোমে অনুষ্ঠিত ‘কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম ক্রিকেট দল। ফাইনালে ইউনাইটেড নেশনস দলকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি টানা চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য ধরে রাখে বাংলাদেশ। ফাইনালেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিরোপা নিশ্চিত করে তারা। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের উদযাপনে মুখর হয়ে ওঠে টুর্নামেন্ট প্রাঙ্গণ।

বাংলাদেশ দলের এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রোমে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ টি এম রকিবুল হক ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।’

তিনি বলেন, ‘ইতালিতে ফুটবল ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও প্রবাসীদের উদ্যোগ ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে দেশটিতে ক্রিকেটেরও প্রসার ঘটছে। বাংলাদেশ দূতাবাস সবসময় প্রবাসীদের খেলাধুলা ও তরুণদের উদ্যোগকে উৎসাহিত করে আসছে।’

ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগে আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশ দলের এই বিজয়ের আনন্দ ইতালিতে বসবাসরত সব প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন তিনি।

ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইউনাইটেড নেশনস দলের অধিনায়কও বাংলাদেশ দলের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘সবকটি দলই দারুণ প্রতিযোগিতা উপহার দিয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও এই টুর্নামেন্ট বিভিন্ন সংস্কৃতি ও মানুষকে এক সুতোয় বেঁধেছে।’

বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দলটির পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে নজরকাড়া এবং শিরোপা বাংলাদেশেরই প্রাপ্য ছিল।

টুর্নামেন্টে তৃতীয় হয়েছে শ্রীলঙ্কা দূতাবাস ক্রিকেট দল। চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ইউএনআই ক্যাসিনো ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট দল।

বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় ‘কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’। ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করতেও আয়োজনটি ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ দলের টানা চতুর্থবারের এই সাফল্যে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ইতালিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে এই জয় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম