খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত প্রায় ১ কোটি ২ লাখ মানুষ, চিকিৎসায় বড় সংকট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত প্রায় ১ কোটি ২ লাখ মানুষ, চিকিৎসায় বড় সংকট

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগে ভুগছেন আনুমানিক ১ কোটি ২ লাখ ৬২ হাজার ১৯০ জন। একই সঙ্গে প্রতিদিন গড়ে ৫৬২ থেকে ৭৭৭ জন মানুষ হৃদরোগে মারা যাচ্ছেন এবং নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রায় ২ হাজার ৭২০ জন।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের (আইএইচএমই) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর নতুন করে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রায় ৯ লাখ ৯২ হাজার ৭৩৬ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বলছে, দেশে প্রতি বছর হৃদরোগে মারা যান দুই লাখের বেশি মানুষ।

বিপুলসংখ্যক রোগীর বিপরীতে দেশের অধিকাংশ সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রয়োজনীয়সংখ্যক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। কোথাও ক্যাথল্যাব থাকলেও তা অচল হয়ে পড়ে আছে। আবার কোথাও যন্ত্র সচল থাকলেও দক্ষ জনবলের অভাবে পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে হৃদরোগের চিকিৎসা ও জরুরি সেবা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের সংকট।

প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসান বলেন, অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যুর প্রায় এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী হৃদরোগ। গত তিন দশকে দেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হলেও এর প্রায় ৯০ শতাংশই ঢাকা কেন্দ্রিক। অথচ দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ রোগী ঢাকার বাইরে বসবাস করেন। তাই ঢাকার বাইরে উন্নত ও আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত লবণ ও চর্বি গ্রহণ এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা হৃদরোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর কার্ডিওলজি বিভাগে প্রয়োজনীয়সংখ্যক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকের অনেক পদ শূন্য থাকায় এফসিপিএস, ডিপ্লোমাসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে বর্তমানে রোগীদের চিকিৎসাসেবা সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ তৈরির পথও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ক্যাথল্যাব সংকটও হৃদরোগ চিকিৎসার অন্যতম বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, মুগদা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল মেডিকেল কলেজ ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ক্যাথল্যাব অচল হয়ে পড়ে আছে। বগুড়া মেডিকেল কলেজের দুটি ক্যাথল্যাবের একটিও অচল। চট্টগ্রামের একটি ক্যাথল্যাবও নষ্ট হয়ে আছে। রংপুরের ক্যাথল্যাবের যন্ত্রপাতি নিয়মিত সচল রাখা নিয়েও সমস্যা রয়েছে।

দেশে হৃদরোগের মধ্যে ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর পাশাপাশি কার্ডিওমায়োপ্যাথি, মায়োকার্ডাইটিস, রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ, ভালভুলার হার্ট ডিজিজ, হাইপারটেনসিভ হার্ট ডিজিজ ও অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনসহ বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদরোগের চিকিৎসা শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক হাসপাতালনির্ভর হলে বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ, প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করা, দক্ষ জনবল তৈরি এবং সচল ক্যাথল্যাবের ব্যবস্থা করতে হবে।

পাশাপাশি তামাক ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্যের ব্যবহার কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব হার্ট দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডোন্ট মিস আ বিট’—অর্থাৎ ‘হৃৎস্পন্দনকে গুরুত্ব দিন’। হৃদরোগের ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

গোপালগঞ্জ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের অভিযোগ

গোপালগঞ্জ বিদ্যালয়

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৩০ নম্বর উত্তর বান্ধাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক পীযুষ কান্তি রায়ের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত ২৭ সেপ্টম্বর গাজী মো. জাকারিয়া খন্দকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ জুন বিদ্যালয়ে অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে গাজী মো. জাকারিয়াকে বিদ্যুৎসাহী সদস্য নির্বাচিত করা হয়।

পরে প্রধান শিক্ষক পীযুষ কান্তি রায় নাম পরিবর্তন করে
মো. বাচ্চু খন্দকারের নাম অনুমোদনের জন্য পাঠান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে।

আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে বিদ্যালয় এলাকায় গেলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি খন্দকার মো. আবু হানিফ, সহসভাপতি শাহআলম খন্দকার ও ইউপি সদস্য মাসুম শেখ বলেন, সভায় সবার সম্মতিতে জাকারিয়ার নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। পরে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।

তবে মো. বাচ্চু খন্দকার বলেন, তিনি কমিটিতে থাকতে চান না। স্থানীয়রা জাকারিয়াকে নির্বাচিত করার পরও তাঁকে না জানিয়ে তাঁর নাম দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

অভিযোগে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের বিষয়টিও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক পীযুষ কান্তি রায় বলেন, ‘আমি ছুটিতে রয়েছি। শুনেছি একটি অভিযোগ হয়েছে। এখন আমি কিছু বলতে পারব না।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত বলেন, প্রধান শিক্ষক তিনটি নাম প্রস্তাব করেছেন এবং প্রথম নামটি অনুমোদন হয়েছে। তালিকায় জাকারিয়ার নাম থাকলে অন্য নাম কেন পাঠানো হয়েছে, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউএনও সাইফ-উল-আরেফিন বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

যোগফল |অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

টুঙ্গিপাড়ায় ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন আটক, কারাদণ্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টুঙ্গিপাড়ায় ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন আটক, কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার খালেক বাজার ও টুঙ্গিপাড়া বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অভিযানটি চালানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চর কুশলী গ্রামের আব্দুল্লাহ শেখের ছেলে মো. শামীম শেখ (২০) এবং চর গোপালপুর গ্রামের কালাম শিকদারের ছেলে মো. সজীব শিকদার (৩৫)।

অভিযানকালে শামীম শেখের কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা এবং সজীব শিকদারের কাছ থেকে পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত শামীম শেখকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড এবং সজীব শিকদারকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।

অভিযানে টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আয়ুব আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

অরুণাচলে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বিদ্রোহীদের হামলা, জওয়ান নিহত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অরুণাচলে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বিদ্রোহীদের হামলা, জওয়ান নিহত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের চাংলাং জেলায় টহলরত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলায় আসাম রাইফেলসের এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম হাবিলদার জানখোকাই কুকি (৪২)। আহত চার জওয়ানকে চিকিৎসার জন্য সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ২১ আসাম রাইফেলসের একটি দল ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল। একই সময়ে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজও চলছিল। এ সময় টহলরত দলের ওপর হামলা চালানো হয়।

প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ডের খাপলাং-ইয়ুং অং (এনএসসিএন-কে-ওয়াইএ) গোষ্ঠীর বিদ্রোহীরা এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। তবে হামলার দায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।

হামলার পর ওই এলাকায় বিদ্রোহীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

চাংলাং জেলার ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তার দিক থেকে সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে বিবেচিত। এ অঞ্চলে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সদস্যদের চলাচল রয়েছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর টহল ও অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হয়।

 তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম